হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে বীমা ও এনজিওর সদস্য করার নামে সাধারণ মানুষকে নানাভাবে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রলোভন ও কৌশলের আশ্রয় নিয়ে বাসিন্দাদের ফাঁদে ফেলছেন কিছু বীমা ও এনজিও কর্মী।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চুনারুঘাট পৌরসভাসহ ১০টি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম ও ওয়ার্ডে হঠাৎ করেই কথিত বীমা ও এনজিও কর্মীদের উপদ্রব বেড়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ দিয়ে এসব প্রতিষ্ঠান তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। প্রতিটি বীমার বিনিময়ে প্রতিনিধিদের ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা কমিশন দেওয়া হয়। এই কমিশনের আশায় কর্মীরা সাধারণ মানুষের ওপর অনৈতিক চাপ প্রয়োগ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার কামরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি জানান, কমিশনের লোভে বীমা ও এনজিওর কর্মীরা মানুষের বাড়িতে গিয়ে ধর্না দিচ্ছেন। ফারুক মিয়া নামের আরেক ভুক্তভোগী বলেন, ‘আমার অন্য একটি কোম্পানিতে বীমা করা আছে। তবুও অন্য একটি বীমা প্রতিষ্ঠানের কর্মী সদস্য করার জন্য ৩-৪ মাস ধরে নিয়মিত চাপ দিচ্ছেন। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে আমাকে বীমা করতে হয়েছে।’
সচেতন মহলের অভিযোগ, কোনো কোনো নামসর্বস্ব বা ‘ভূঁইফোঁড়’ প্রতিষ্ঠান সাধারণ মানুষকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করছে। সহজ-সরল মানুষ এসব কর্মীর কৌশলের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ছে।
চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। দ্রুত এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে বীমা ও এনজিওর সদস্য করার নামে সাধারণ মানুষকে নানাভাবে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রলোভন ও কৌশলের আশ্রয় নিয়ে বাসিন্দাদের ফাঁদে ফেলছেন কিছু বীমা ও এনজিও কর্মী।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চুনারুঘাট পৌরসভাসহ ১০টি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম ও ওয়ার্ডে হঠাৎ করেই কথিত বীমা ও এনজিও কর্মীদের উপদ্রব বেড়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ দিয়ে এসব প্রতিষ্ঠান তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। প্রতিটি বীমার বিনিময়ে প্রতিনিধিদের ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা কমিশন দেওয়া হয়। এই কমিশনের আশায় কর্মীরা সাধারণ মানুষের ওপর অনৈতিক চাপ প্রয়োগ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার কামরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি জানান, কমিশনের লোভে বীমা ও এনজিওর কর্মীরা মানুষের বাড়িতে গিয়ে ধর্না দিচ্ছেন। ফারুক মিয়া নামের আরেক ভুক্তভোগী বলেন, ‘আমার অন্য একটি কোম্পানিতে বীমা করা আছে। তবুও অন্য একটি বীমা প্রতিষ্ঠানের কর্মী সদস্য করার জন্য ৩-৪ মাস ধরে নিয়মিত চাপ দিচ্ছেন। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে আমাকে বীমা করতে হয়েছে।’
সচেতন মহলের অভিযোগ, কোনো কোনো নামসর্বস্ব বা ‘ভূঁইফোঁড়’ প্রতিষ্ঠান সাধারণ মানুষকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করছে। সহজ-সরল মানুষ এসব কর্মীর কৌশলের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ছে।
চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। দ্রুত এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন