কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে সরকারি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর এলাকায় প্রভাবশালী একটি চক্র প্রতিদিন রাতে ভেকু (এস্কেভেটর) দিয়ে মাটি কেটে বিক্রি করছে। এতে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ‘বাংলাদেশ-ভারত বিদ্যুৎ সঞ্চালন কেন্দ্র’ (গ্রিড সাবস্টেশন) অবকাঠামোগত ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোকারিমপুর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর এলাকায় এই অবৈধ মাটি কাটার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছেন বিপ্লব ও হায়দার মল্লিক নামের দুই ব্যক্তি। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জমিটি হায়দারের দখলে ছিল। বর্তমানে তিনি তার ছেলে টোকন ও বিপ্লবের সহযোগিতায় এই মাটি প্রতি ড্রাম ট্রাক ১০০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। প্রশাসনের নজর এড়াতে গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত চলে এই কর্মযজ্ঞ।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে ভেকু মেশিনের গর্জন আর ড্রাম ট্রাকের আনাগোনায় তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। ভারী ট্রাক চলাচলের কারণে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ রাস্তাঘাট। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সীমানাঘেঁষে মাটি কাটায় যেকোনো সময় এর প্রাচীর বা ভেতরের টাওয়ার ধসে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রভাবশালী চক্রের ভয়ে স্থানীয়রা সরাসরি প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না।
এ বিষয়ে ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিরুল আরাফাত বলেন, সরকারি বা ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি খনন ও বিক্রি আইনত দণ্ডনীয়। এই চক্রের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে সরকারি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর এলাকায় প্রভাবশালী একটি চক্র প্রতিদিন রাতে ভেকু (এস্কেভেটর) দিয়ে মাটি কেটে বিক্রি করছে। এতে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ‘বাংলাদেশ-ভারত বিদ্যুৎ সঞ্চালন কেন্দ্র’ (গ্রিড সাবস্টেশন) অবকাঠামোগত ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোকারিমপুর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর এলাকায় এই অবৈধ মাটি কাটার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছেন বিপ্লব ও হায়দার মল্লিক নামের দুই ব্যক্তি। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জমিটি হায়দারের দখলে ছিল। বর্তমানে তিনি তার ছেলে টোকন ও বিপ্লবের সহযোগিতায় এই মাটি প্রতি ড্রাম ট্রাক ১০০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। প্রশাসনের নজর এড়াতে গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত চলে এই কর্মযজ্ঞ।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে ভেকু মেশিনের গর্জন আর ড্রাম ট্রাকের আনাগোনায় তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। ভারী ট্রাক চলাচলের কারণে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ রাস্তাঘাট। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সীমানাঘেঁষে মাটি কাটায় যেকোনো সময় এর প্রাচীর বা ভেতরের টাওয়ার ধসে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রভাবশালী চক্রের ভয়ে স্থানীয়রা সরাসরি প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না।
এ বিষয়ে ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিরুল আরাফাত বলেন, সরকারি বা ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি খনন ও বিক্রি আইনত দণ্ডনীয়। এই চক্রের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন