রাজনৈতিক ও বিভিন্ন সহিংসতা সংক্রান্ত সাতটি মামলায় হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেছেন সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।
আজ সোমবার (৮ জুন) বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি
বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই জামিন আবেদনগুলোর ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত
হবে। এর আগে অধস্তন (নিম্ন) আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করায় তিনি উচ্চ আদালতের
দ্বারস্থ হন।
সাবেক এই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় দায়ের হওয়া
মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে: রাজধানী ঢাকায় দায়ের করা ৪টি মামলা। তার নিজ জেলা টাঙ্গাইলে
দায়ের করা ৩টি মামলা।
গত বছরের ১৪ অক্টোবর রাত পৌনে ৮টার দিকে রাজধানীর ইস্কাটন
এলাকা থেকে ড. আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
গ্রেপ্তারের পর তাকে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হয়।
রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা
ও ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আরিফ তাকে কারাগারে আটক
রাখার আবেদন করেন। ওই সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিনের আবেদন করলে রাষ্ট্রপক্ষ তার
তীব্র বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে
পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর থেকে সাবেক এই মন্ত্রী কারাগারেই বন্দি রয়েছেন।

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
রাজনৈতিক ও বিভিন্ন সহিংসতা সংক্রান্ত সাতটি মামলায় হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেছেন সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।
আজ সোমবার (৮ জুন) বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি
বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই জামিন আবেদনগুলোর ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত
হবে। এর আগে অধস্তন (নিম্ন) আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করায় তিনি উচ্চ আদালতের
দ্বারস্থ হন।
সাবেক এই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় দায়ের হওয়া
মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে: রাজধানী ঢাকায় দায়ের করা ৪টি মামলা। তার নিজ জেলা টাঙ্গাইলে
দায়ের করা ৩টি মামলা।
গত বছরের ১৪ অক্টোবর রাত পৌনে ৮টার দিকে রাজধানীর ইস্কাটন
এলাকা থেকে ড. আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
গ্রেপ্তারের পর তাকে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হয়।
রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা
ও ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আরিফ তাকে কারাগারে আটক
রাখার আবেদন করেন। ওই সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিনের আবেদন করলে রাষ্ট্রপক্ষ তার
তীব্র বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে
পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর থেকে সাবেক এই মন্ত্রী কারাগারেই বন্দি রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন