সংবাদ

আ. লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ : নোয়াখালীতে গ্রেপ্তার বেড়ে ৬৫, ওসি প্রত্যাহার


প্রতিনিধি, নোয়াখালী
প্রতিনিধি, নোয়াখালী
প্রকাশ: ৮ জুন ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম

আ. লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ : নোয়াখালীতে গ্রেপ্তার বেড়ে ৬৫, ওসি প্রত্যাহার
ছবি : সংবাদ

নোয়াখালী সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনায় আরও ১৮ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (৭ জুন) দিবাগত রাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে পৃথক এসব ঘটনায় এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়েছেন মোট ৬৫ জন।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পাশাপাশি যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নে ছাত্রলীগের এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরদিন শনিবার বিকেলে কালাদরাপ ইউনিয়নে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে ছাত্রদলের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এতে একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। এর প্রতিক্রিয়ায় ওই রাতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা স্থানীয় এক ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়িতে ও অফিসে হামলা-ভাঙচুর চালায়। এসব ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরবর্তীতে বাঁধেরহাটের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনায় সুধারাম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ১১৭ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ জানায়, এ মামলায় এখন পর্যন্ত ৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সুধারাম মডেল থানার সাবেক ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে। তবে পুলিশ প্রশাসনের দাবি, এটি নিয়মিত প্রশাসনিক বদলির অংশ।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬


আ. লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ : নোয়াখালীতে গ্রেপ্তার বেড়ে ৬৫, ওসি প্রত্যাহার

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬

featured Image

নোয়াখালী সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনায় আরও ১৮ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (৭ জুন) দিবাগত রাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে পৃথক এসব ঘটনায় এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়েছেন মোট ৬৫ জন।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পাশাপাশি যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নে ছাত্রলীগের এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরদিন শনিবার বিকেলে কালাদরাপ ইউনিয়নে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে ছাত্রদলের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এতে একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। এর প্রতিক্রিয়ায় ওই রাতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা স্থানীয় এক ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়িতে ও অফিসে হামলা-ভাঙচুর চালায়। এসব ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরবর্তীতে বাঁধেরহাটের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনায় সুধারাম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ১১৭ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ জানায়, এ মামলায় এখন পর্যন্ত ৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সুধারাম মডেল থানার সাবেক ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে। তবে পুলিশ প্রশাসনের দাবি, এটি নিয়মিত প্রশাসনিক বদলির অংশ।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত