চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে ২০২২ সালে আলী জুলফিকার জাহেদী আলোচনায় আসেন তার নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘কাগজ: দ্য পেপার’ মুক্তির পর। সিনেমাটি বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয় এবং দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমের নজর কাড়ে। বিশেষ করে এই চলচ্চিত্রের প্রচারণায় ব্যবহৃত পোড়ামাটির তৈরি ব্যতিক্রমী টেরাকোটা পোস্টারটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র বিপণন ও প্রচারণার ইতিহাসে একটি অনন্য উদ্যোগ হিসেবে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পাশাপাশি তিনি নিয়মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, টেলিভিশন অনুষ্ঠান এবং সংগীতভিত্তিক বিভিন্ন সৃজনশীল প্রজেক্টে কাজ করে যাচ্ছেন।
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও কর্পোরেট ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমেও তিনি সমানভাবে সক্রিয়। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের অর্থায়ন, নতুন প্রতিভা বিকাশ, শিল্পের কাঠামোগত পরিবর্তন ও যৌথ প্রযোজনার মতো বিভিন্ন বিষয়ে তিনি সব সময়ই নিজের দূরদর্শী মতামত প্রকাশ করেছেন। চলচ্চিত্রে নতুন শিল্পীদের সুযোগ দেওয়া এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এক সাক্ষাৎকারে আলী জুলফিকার জাহেদী বলেন, "আমাদের চলচ্চিত্রকে বিশ্বদরবারে নিয়ে যেতে হলে নতুনদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সহযোগিতার ওপর জোর দিতে হবে।"
তার এই আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গির এক বড় প্রমাণ মেলে তার নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘রক্তছায়া’র মাধ্যমে, যা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছে। অতি সম্প্রতি, ২০২৬ সালে চলচ্চিত্রটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ‘অ্যাকোলেড গ্লোবাল ফিল্ম কম্পিটিশন’-এ পরিচালনা ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে ‘অ্যাওয়ার্ড অব রেকগনিশন’ অর্জন করে।
একই বছরে সিনেমাটি পাকিস্তানের ‘পেশাওয়ার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’-এ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে সেরা হিসেবে বিজয়ী নির্বাচিত হয়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উৎসব ও প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে চলচ্চিত্রটি ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়, যা তার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে একটি বড় মাইলফলক।
চলচ্চিত্র নির্মাণের বাইরে জাহেদী একজন লেখক হিসেবেও নিজের আত্মপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। গত ২০২৫ সালে তার লেখা প্রথম বাংলা উপন্যাস ‘অক্ষরের ফাঁদ’ প্রকাশিত হয়, যা পাঠকমহলে বেশ সমাদৃত হয়েছে।
এছাড়া তিনি নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাড্রিয়ান প্রোডাকশন্স’-এর মাধ্যমে বিভিন্ন সৃজনশীল ও গণমাধ্যমভিত্তিক প্রকল্প পরিচালনা করছেন। চলচ্চিত্র নির্মাণ, লেখালেখি, প্রযোজনা, গণমাধ্যম উন্নয়ন এবং কর্পোরেট ব্যবস্থাপনা—সব কটি ক্ষেত্রে তার এই সফল বিচরণ সৃজনশীল ও ব্যবসায়িক অঙ্গনে তার গভীর দক্ষতাকে প্রমাণ করে।

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে ২০২২ সালে আলী জুলফিকার জাহেদী আলোচনায় আসেন তার নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘কাগজ: দ্য পেপার’ মুক্তির পর। সিনেমাটি বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয় এবং দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমের নজর কাড়ে। বিশেষ করে এই চলচ্চিত্রের প্রচারণায় ব্যবহৃত পোড়ামাটির তৈরি ব্যতিক্রমী টেরাকোটা পোস্টারটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র বিপণন ও প্রচারণার ইতিহাসে একটি অনন্য উদ্যোগ হিসেবে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পাশাপাশি তিনি নিয়মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, টেলিভিশন অনুষ্ঠান এবং সংগীতভিত্তিক বিভিন্ন সৃজনশীল প্রজেক্টে কাজ করে যাচ্ছেন।
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও কর্পোরেট ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমেও তিনি সমানভাবে সক্রিয়। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের অর্থায়ন, নতুন প্রতিভা বিকাশ, শিল্পের কাঠামোগত পরিবর্তন ও যৌথ প্রযোজনার মতো বিভিন্ন বিষয়ে তিনি সব সময়ই নিজের দূরদর্শী মতামত প্রকাশ করেছেন। চলচ্চিত্রে নতুন শিল্পীদের সুযোগ দেওয়া এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এক সাক্ষাৎকারে আলী জুলফিকার জাহেদী বলেন, "আমাদের চলচ্চিত্রকে বিশ্বদরবারে নিয়ে যেতে হলে নতুনদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সহযোগিতার ওপর জোর দিতে হবে।"
তার এই আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গির এক বড় প্রমাণ মেলে তার নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘রক্তছায়া’র মাধ্যমে, যা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছে। অতি সম্প্রতি, ২০২৬ সালে চলচ্চিত্রটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ‘অ্যাকোলেড গ্লোবাল ফিল্ম কম্পিটিশন’-এ পরিচালনা ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে ‘অ্যাওয়ার্ড অব রেকগনিশন’ অর্জন করে।
একই বছরে সিনেমাটি পাকিস্তানের ‘পেশাওয়ার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’-এ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে সেরা হিসেবে বিজয়ী নির্বাচিত হয়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উৎসব ও প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে চলচ্চিত্রটি ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়, যা তার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে একটি বড় মাইলফলক।
চলচ্চিত্র নির্মাণের বাইরে জাহেদী একজন লেখক হিসেবেও নিজের আত্মপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। গত ২০২৫ সালে তার লেখা প্রথম বাংলা উপন্যাস ‘অক্ষরের ফাঁদ’ প্রকাশিত হয়, যা পাঠকমহলে বেশ সমাদৃত হয়েছে।
এছাড়া তিনি নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাড্রিয়ান প্রোডাকশন্স’-এর মাধ্যমে বিভিন্ন সৃজনশীল ও গণমাধ্যমভিত্তিক প্রকল্প পরিচালনা করছেন। চলচ্চিত্র নির্মাণ, লেখালেখি, প্রযোজনা, গণমাধ্যম উন্নয়ন এবং কর্পোরেট ব্যবস্থাপনা—সব কটি ক্ষেত্রে তার এই সফল বিচরণ সৃজনশীল ও ব্যবসায়িক অঙ্গনে তার গভীর দক্ষতাকে প্রমাণ করে।

আপনার মতামত লিখুন