মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে ২ পক্ষের সংঘর্ষে ৪ জন টেটাবিদ্ধ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে উপজেলার বয়রাগাদি ইউনিয়নের কুমারভোগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন- মো. আবুল হোসেন (৬০), মো. আমির আলী (৫৫), মো. সেলেম (৫৮) ও মো. ইয়ামিন (১৫)। তাদের সবাইকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুমারভোগ এলাকায় একটি জমির মালিকানা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। আজ সকালে এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা দেশি অস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে প্রতিপক্ষের ছোড়া টেটায় চারজন বিদ্ধ হন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহত কিশোর ইয়ামিনের পেটে টেটা বিদ্ধ হয়েছে। অস্ত্রোপচার করে সেটি বের করা সম্ভব না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। বাকিরা মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলাউদ্দিন জানান, এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এলাকার পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
/

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে ২ পক্ষের সংঘর্ষে ৪ জন টেটাবিদ্ধ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে উপজেলার বয়রাগাদি ইউনিয়নের কুমারভোগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন- মো. আবুল হোসেন (৬০), মো. আমির আলী (৫৫), মো. সেলেম (৫৮) ও মো. ইয়ামিন (১৫)। তাদের সবাইকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুমারভোগ এলাকায় একটি জমির মালিকানা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। আজ সকালে এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা দেশি অস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে প্রতিপক্ষের ছোড়া টেটায় চারজন বিদ্ধ হন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহত কিশোর ইয়ামিনের পেটে টেটা বিদ্ধ হয়েছে। অস্ত্রোপচার করে সেটি বের করা সম্ভব না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। বাকিরা মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলাউদ্দিন জানান, এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এলাকার পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
/

আপনার মতামত লিখুন