পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে (পবিপ্রবি) দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক এস এম হেমায়েত জাহান। বুধবার (১০ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের শাখা প্রধানদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক এস এম হেমায়েত জাহান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কেবল উচ্চশিক্ষা প্রদানের জায়গা নয়; এটি জ্ঞান সৃষ্টি, গবেষণা, উদ্ভাবন ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের কেন্দ্র। একটি আধুনিক ও মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় গড়তে গবেষণাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।
অতীতের নানা সংকটের কথা উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, বিভিন্ন কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হয়েছিল। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সেই পরিস্থিতি উত্তরণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সততা, জবাবদিহি ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। তিনি মনে করেন, প্রতিটি দপ্তরের দক্ষ ও স্বচ্ছ কার্যক্রমই বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক অগ্রগতি নিশ্চিত করবে।
সভায় আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আব্দুল লতিফ, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমান, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক মাহবুব রব্বানী, আরটিসির পরিচালক অধ্যাপক মামুন-উর-রশিদসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরা।
মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক মানোন্নয়ন এবং গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণে নিজ নিজ মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।
/

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে (পবিপ্রবি) দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক এস এম হেমায়েত জাহান। বুধবার (১০ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের শাখা প্রধানদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক এস এম হেমায়েত জাহান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কেবল উচ্চশিক্ষা প্রদানের জায়গা নয়; এটি জ্ঞান সৃষ্টি, গবেষণা, উদ্ভাবন ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের কেন্দ্র। একটি আধুনিক ও মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় গড়তে গবেষণাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।
অতীতের নানা সংকটের কথা উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, বিভিন্ন কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হয়েছিল। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সেই পরিস্থিতি উত্তরণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সততা, জবাবদিহি ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। তিনি মনে করেন, প্রতিটি দপ্তরের দক্ষ ও স্বচ্ছ কার্যক্রমই বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক অগ্রগতি নিশ্চিত করবে।
সভায় আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আব্দুল লতিফ, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমান, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক মাহবুব রব্বানী, আরটিসির পরিচালক অধ্যাপক মামুন-উর-রশিদসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরা।
মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক মানোন্নয়ন এবং গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণে নিজ নিজ মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।
/

আপনার মতামত লিখুন