সংবাদ

যেসব ছোট অভ্যাস অজান্তেই বাড়িয়ে তুলছে মানসিক চাপ


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম

যেসব ছোট অভ্যাস অজান্তেই বাড়িয়ে তুলছে মানসিক চাপ

প্রতিদিনের কিছু সাধারণ অভ্যাস আমাদের অজান্তেই মানসিক চাপ বাড়িয়ে দেয়। এগুলো এতটাই ছোট যে সহজে চোখে পড়ে না, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এগুলো মস্তিষ্কের ওপর বড় প্রভাব ফেলে।

ঘুম থেকে উঠেই ফোনের স্ক্রিনে চোখ রাখা সকালে চোখ মেলেই অনেকে ফোন হাতে নেন। কিন্তু ঘুম ভাঙার পর মস্তিষ্ক যখন সবে সচল হতে শুরু করেছে, তখনই তার ওপর ভিড় করে নোটিফিকেশন, বার্তা আর খবরের ঢল। এতে দিনের সুন্দর শুরুর বদলে মানসিক চাপ নিয়েই সকাল শুরু হয়, যা থেকে সহজে মুক্তি মেলে না।

রাতে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা সারাদিনের ক্লান্তি শেষে মস্তিষ্কের শান্ত হওয়ার জন্য কিছুটা সময় দরকার। কিন্তু ঘুমানোর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত ফোনের স্ক্রিনে মুখ গুঁজে থাকলে মস্তিষ্ক সেই বিশ্রামের সুযোগ পায় না। ফলে আগের রাতের চাপ বহন করেই পরদিন সকাল শুরু হয়।

বিশ্রামকে পুরস্কার মনে করা অনেকেই ঘুম বা বিশ্রামকে কঠোর পরিশ্রমের পর পাওয়া পুরস্কার হিসেবে দেখেন। এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বিশ্রাম কোনো বাড়তি সুবিধা নয়, এটি শরীর ও মনের একটি মৌলিক প্রয়োজন। সময়মতো বিশ্রাম না নিলে মস্তিষ্কে চাপ জমতে থাকে এবং মানসিক ক্লান্তি বাড়তেই থাকে।


মনে না থাকলেও মুখে হ্যাঁ বলা সত্যিকারের ইচ্ছা বা সামর্থ্য না থাকা সত্ত্বেও কাউকে খুশি করতে গিয়ে অনেকে সম্মতি দিয়ে দেন। এতে বাড়তি কাজের ভার তো বাড়েই, পাশাপাশি মনের ভেতরে একটা সূক্ষ্ম অস্বস্তিও কাজ করতে থাকে। দুটো মিলে মস্তিষ্কে তৈরি হয় বাড়তি চাপ।

সমাধান না করে সমস্যা নিয়েই ঘুরপাক খাওয়া সমস্যা চিহ্নিত করা ভালো, কিন্তু সমাধানের দিকে না গিয়ে একই সমস্যা নিয়ে বারবার আলোচনা করলে কোনো লাভ হয় না। বরং সমাধানহীন এই ঘুরপাক মানসিক অস্থিরতা তৈরি করে এবং ছোট ছোট বিষয়গুলো চাপ হয়ে মাথায় জমতে থাকে।

সময়মতো না খাওয়া অনিয়মিত বা তাড়াহুড়া করে খাওয়ার অভ্যাসে রক্তে শর্করার মাত্রা ওঠানামা করে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে মেজাজের ওপর। এতে শরীর নিজের মানসিক ভারসাম্য ধরে রাখতে পারে না।

ওপরের অভ্যাসগুলো দেখতে ছোট মনে হলেও এগুলো প্রতিদিনের মানসিক চাপের বড় কারণ। এই অভ্যাসগুলো পরিবর্তন করতে পারলেই দৈনন্দিন মানসিক চাপ অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬


যেসব ছোট অভ্যাস অজান্তেই বাড়িয়ে তুলছে মানসিক চাপ

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬

featured Image

প্রতিদিনের কিছু সাধারণ অভ্যাস আমাদের অজান্তেই মানসিক চাপ বাড়িয়ে দেয়। এগুলো এতটাই ছোট যে সহজে চোখে পড়ে না, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এগুলো মস্তিষ্কের ওপর বড় প্রভাব ফেলে।

ঘুম থেকে উঠেই ফোনের স্ক্রিনে চোখ রাখা সকালে চোখ মেলেই অনেকে ফোন হাতে নেন। কিন্তু ঘুম ভাঙার পর মস্তিষ্ক যখন সবে সচল হতে শুরু করেছে, তখনই তার ওপর ভিড় করে নোটিফিকেশন, বার্তা আর খবরের ঢল। এতে দিনের সুন্দর শুরুর বদলে মানসিক চাপ নিয়েই সকাল শুরু হয়, যা থেকে সহজে মুক্তি মেলে না।

রাতে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা সারাদিনের ক্লান্তি শেষে মস্তিষ্কের শান্ত হওয়ার জন্য কিছুটা সময় দরকার। কিন্তু ঘুমানোর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত ফোনের স্ক্রিনে মুখ গুঁজে থাকলে মস্তিষ্ক সেই বিশ্রামের সুযোগ পায় না। ফলে আগের রাতের চাপ বহন করেই পরদিন সকাল শুরু হয়।

বিশ্রামকে পুরস্কার মনে করা অনেকেই ঘুম বা বিশ্রামকে কঠোর পরিশ্রমের পর পাওয়া পুরস্কার হিসেবে দেখেন। এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বিশ্রাম কোনো বাড়তি সুবিধা নয়, এটি শরীর ও মনের একটি মৌলিক প্রয়োজন। সময়মতো বিশ্রাম না নিলে মস্তিষ্কে চাপ জমতে থাকে এবং মানসিক ক্লান্তি বাড়তেই থাকে।


মনে না থাকলেও মুখে হ্যাঁ বলা সত্যিকারের ইচ্ছা বা সামর্থ্য না থাকা সত্ত্বেও কাউকে খুশি করতে গিয়ে অনেকে সম্মতি দিয়ে দেন। এতে বাড়তি কাজের ভার তো বাড়েই, পাশাপাশি মনের ভেতরে একটা সূক্ষ্ম অস্বস্তিও কাজ করতে থাকে। দুটো মিলে মস্তিষ্কে তৈরি হয় বাড়তি চাপ।

সমাধান না করে সমস্যা নিয়েই ঘুরপাক খাওয়া সমস্যা চিহ্নিত করা ভালো, কিন্তু সমাধানের দিকে না গিয়ে একই সমস্যা নিয়ে বারবার আলোচনা করলে কোনো লাভ হয় না। বরং সমাধানহীন এই ঘুরপাক মানসিক অস্থিরতা তৈরি করে এবং ছোট ছোট বিষয়গুলো চাপ হয়ে মাথায় জমতে থাকে।

সময়মতো না খাওয়া অনিয়মিত বা তাড়াহুড়া করে খাওয়ার অভ্যাসে রক্তে শর্করার মাত্রা ওঠানামা করে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে মেজাজের ওপর। এতে শরীর নিজের মানসিক ভারসাম্য ধরে রাখতে পারে না।

ওপরের অভ্যাসগুলো দেখতে ছোট মনে হলেও এগুলো প্রতিদিনের মানসিক চাপের বড় কারণ। এই অভ্যাসগুলো পরিবর্তন করতে পারলেই দৈনন্দিন মানসিক চাপ অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব।

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত