সংবাদ

"পছন্দের জার্সি, বাজেটের মাঝেই: কোথায় ও কত দামে পাবেন?"


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৭:৫৫ পিএম

"পছন্দের জার্সি, বাজেটের মাঝেই: কোথায় ও কত দামে পাবেন?"

বিশ্বকাপ এলেই বাংলাদেশে ফুটবলের জ্বর ছড়িয়ে পড়ে পাড়া-মহল্লা থেকে সোশ্যাল মিডিয়া পর্যন্ত। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায় হলো সেই দলের জার্সি পরা। শুধু খেলা দেখার সময় নয়, এখন জার্সি হয়ে উঠেছে তরুণদের নিয়মিত পোশাকেরও অংশ। বড় টুর্নামেন্ট এলে বাজারে জার্সির চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

জার্সি এত জনপ্রিয় কেন

জার্সি কেবল একটি পোশাক নয়, এটি সমর্থকের আবেগ, পরিচয় ও ভালোবাসার প্রতীক। প্রিয় দলের জার্সি গায়ে দিলে সমর্থকরা নিজেকে দলের অংশ মনে করেন। আকর্ষণীয় নকশা ও আধুনিক ডিজাইনের কারণে এটি ফ্যাশনেরও অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে। এখন অনেক আন্তর্জাতিক ক্লাব ও জাতীয় দল জার্সির মাধ্যমে আলাদা ব্র্যান্ড পরিচিতি তৈরি করছে।

বাজারে কোন ধরনের জার্সি পাওয়া যায়


সাপোর্টার বা ফ্যান ভার্সন জার্সি: সাধারণ সমর্থকদের কথা মাথায় রেখে তৈরি এই জার্সি কিছুটা ঢিলেঢালা হওয়ায় সব বয়সের মানুষের জন্য আরামদায়ক। লোগো ও ব্র্যান্ডিং সুতার এমব্রয়ডারিতে করা থাকায় এগুলো বেশ টেকসই। ঘন ঘন ধোয়ার পরেও সহজে নষ্ট হয় না। বাজারে ও অনলাইনে এই জার্সির দাম সাধারণত ৭০০ থেকে ১,০০০ টাকার মধ্যে।

প্লেয়ার ভার্সন জার্সি: মাঠে ফুটবলারদের পরা জার্সির প্রযুক্তিতে তৈরি এই জার্সি অত্যন্ত হালকা, স্লিম-ফিট এবং ঘাম দ্রুত শুকানোর উপযোগী কাপড়ে বানানো হয়। বিশেষ মাইক্রো-ভেন্টিলেশন প্রযুক্তি বাতাস চলাচল সহজ করে। স্টাইলিশ ও অ্যাথলেটিক লুকের কারণে তরুণদের কাছে এটি সবচেয়ে জনপ্রিয়। দাম সাধারণত ১,০০০ থেকে ১,৫০০ টাকার মধ্যে।

রেপ্লিকা বা স্থানীয় জার্সি: কম বাজেটে প্রিয় দলের জার্সি কিনতে চাইলে এটি আদর্শ। মূল জার্সির ডিজাইন অনুসরণ করে দেশেই তৈরি এই জার্সিতে আসলটির মতো সূক্ষ্ম ডিটেইল থাকে না, তবে দেখতে প্রায় একই। দাম ৩০০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে।

কোথায় পাবেন

ঢাকার নিউমার্কেট, গুলিস্তান, স্টেডিয়াম মার্কেট ও বসুন্ধরা সিটিসহ বিভিন্ন স্পোর্টস শপে এবং অনলাইন মার্কেটপ্লেসেও বিভিন্ন ধরনের জার্সি কিনতে পাওয়া যায়।

জার্সি কেনার সময় কাপড়ের মান, প্রিন্টের গুণগত মান ও সঠিক সাইজের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। ভালো মানের জার্সি কেবল বিশ্বকাপের মৌসুমেই নয়, দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬


"পছন্দের জার্সি, বাজেটের মাঝেই: কোথায় ও কত দামে পাবেন?"

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬

featured Image

বিশ্বকাপ এলেই বাংলাদেশে ফুটবলের জ্বর ছড়িয়ে পড়ে পাড়া-মহল্লা থেকে সোশ্যাল মিডিয়া পর্যন্ত। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায় হলো সেই দলের জার্সি পরা। শুধু খেলা দেখার সময় নয়, এখন জার্সি হয়ে উঠেছে তরুণদের নিয়মিত পোশাকেরও অংশ। বড় টুর্নামেন্ট এলে বাজারে জার্সির চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

জার্সি এত জনপ্রিয় কেন

জার্সি কেবল একটি পোশাক নয়, এটি সমর্থকের আবেগ, পরিচয় ও ভালোবাসার প্রতীক। প্রিয় দলের জার্সি গায়ে দিলে সমর্থকরা নিজেকে দলের অংশ মনে করেন। আকর্ষণীয় নকশা ও আধুনিক ডিজাইনের কারণে এটি ফ্যাশনেরও অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে। এখন অনেক আন্তর্জাতিক ক্লাব ও জাতীয় দল জার্সির মাধ্যমে আলাদা ব্র্যান্ড পরিচিতি তৈরি করছে।

বাজারে কোন ধরনের জার্সি পাওয়া যায়


সাপোর্টার বা ফ্যান ভার্সন জার্সি: সাধারণ সমর্থকদের কথা মাথায় রেখে তৈরি এই জার্সি কিছুটা ঢিলেঢালা হওয়ায় সব বয়সের মানুষের জন্য আরামদায়ক। লোগো ও ব্র্যান্ডিং সুতার এমব্রয়ডারিতে করা থাকায় এগুলো বেশ টেকসই। ঘন ঘন ধোয়ার পরেও সহজে নষ্ট হয় না। বাজারে ও অনলাইনে এই জার্সির দাম সাধারণত ৭০০ থেকে ১,০০০ টাকার মধ্যে।

প্লেয়ার ভার্সন জার্সি: মাঠে ফুটবলারদের পরা জার্সির প্রযুক্তিতে তৈরি এই জার্সি অত্যন্ত হালকা, স্লিম-ফিট এবং ঘাম দ্রুত শুকানোর উপযোগী কাপড়ে বানানো হয়। বিশেষ মাইক্রো-ভেন্টিলেশন প্রযুক্তি বাতাস চলাচল সহজ করে। স্টাইলিশ ও অ্যাথলেটিক লুকের কারণে তরুণদের কাছে এটি সবচেয়ে জনপ্রিয়। দাম সাধারণত ১,০০০ থেকে ১,৫০০ টাকার মধ্যে।

রেপ্লিকা বা স্থানীয় জার্সি: কম বাজেটে প্রিয় দলের জার্সি কিনতে চাইলে এটি আদর্শ। মূল জার্সির ডিজাইন অনুসরণ করে দেশেই তৈরি এই জার্সিতে আসলটির মতো সূক্ষ্ম ডিটেইল থাকে না, তবে দেখতে প্রায় একই। দাম ৩০০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে।

কোথায় পাবেন

ঢাকার নিউমার্কেট, গুলিস্তান, স্টেডিয়াম মার্কেট ও বসুন্ধরা সিটিসহ বিভিন্ন স্পোর্টস শপে এবং অনলাইন মার্কেটপ্লেসেও বিভিন্ন ধরনের জার্সি কিনতে পাওয়া যায়।

জার্সি কেনার সময় কাপড়ের মান, প্রিন্টের গুণগত মান ও সঠিক সাইজের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। ভালো মানের জার্সি কেবল বিশ্বকাপের মৌসুমেই নয়, দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়।

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত