সংবাদ

ইসরায়েলের দুই শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আহত শতাধিক, আশঙ্কাজনক ১১


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৬ এএম

ইসরায়েলের দুই শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আহত শতাধিক, আশঙ্কাজনক ১১

ইরানের নাতাঞ্জ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রে মার্কিন হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় দুই শহরে ভয়াবহ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। শনিবার (২১ মার্চ) চালানো এই হামলায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে অন্তত ১১ জনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।

টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর আরাদ-এর কেন্দ্রস্থলে একটি আবাসিক এলাকায় ইরানের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এটি প্রতিহত করতে দুবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।

শহরটির অগ্নিনির্বাপণ সেবা বিভাগ জানিয়েছে, আবাসিক ভবনের মাঝখানে ক্ষেপণাস্ত্রটি পড়ায় ওই এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত সেখানে ৫৯ জন আহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করা হয়েছে, যাদের মধ্যে জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ইসরায়েলের পারমাণবিক স্থাপনা সমৃদ্ধ শহর দিমোনা-তেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। সেখানে একটি তিনতলা ভবন ধসে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ইসরায়েলি জরুরি চিকিৎসাসেবা বিভাগ ম্যাগেন ডেভিড অ্যাডমের (এমডিএ) তথ্যমতে, দিমোনায় অন্তত ৪৭ জন আহত হয়েছেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, শনিবার দিনের শুরুতে ইরানের নাতাঞ্জ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রে মার্কিন হামলার প্রতিবাদ প্রতিশোধ হিসেবে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে। ইরানের মূল লক্ষ্য ছিল:

·দিমোনা শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ইসরায়েলের পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র

·আরাদ শহরের উপকণ্ঠে থাকা কৌশলগত স্থাপনা।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম আরুতজ শেভা জানিয়েছে, আকাশপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস করার দুটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর সেটি জনপদে আঘাত হানে। অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেন মাঝপথে ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস (ইন্টারসেপ্ট) করতে পারল না, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬


ইসরায়েলের দুই শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আহত শতাধিক, আশঙ্কাজনক ১১

প্রকাশের তারিখ : ২২ মার্চ ২০২৬

featured Image

ইরানের নাতাঞ্জ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রে মার্কিন হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় দুই শহরে ভয়াবহ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। শনিবার (২১ মার্চ) চালানো এই হামলায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে অন্তত ১১ জনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।

টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর আরাদ-এর কেন্দ্রস্থলে একটি আবাসিক এলাকায় ইরানের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এটি প্রতিহত করতে দুবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।

শহরটির অগ্নিনির্বাপণ সেবা বিভাগ জানিয়েছে, আবাসিক ভবনের মাঝখানে ক্ষেপণাস্ত্রটি পড়ায় ওই এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত সেখানে ৫৯ জন আহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করা হয়েছে, যাদের মধ্যে জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ইসরায়েলের পারমাণবিক স্থাপনা সমৃদ্ধ শহর দিমোনা-তেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। সেখানে একটি তিনতলা ভবন ধসে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ইসরায়েলি জরুরি চিকিৎসাসেবা বিভাগ ম্যাগেন ডেভিড অ্যাডমের (এমডিএ) তথ্যমতে, দিমোনায় অন্তত ৪৭ জন আহত হয়েছেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, শনিবার দিনের শুরুতে ইরানের নাতাঞ্জ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রে মার্কিন হামলার প্রতিবাদ প্রতিশোধ হিসেবে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে। ইরানের মূল লক্ষ্য ছিল:

·দিমোনা শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ইসরায়েলের পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র

·আরাদ শহরের উপকণ্ঠে থাকা কৌশলগত স্থাপনা।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম আরুতজ শেভা জানিয়েছে, আকাশপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস করার দুটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর সেটি জনপদে আঘাত হানে। অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেন মাঝপথে ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস (ইন্টারসেপ্ট) করতে পারল না, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী।

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত