লেবাননের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ আরও তীব্র হয়েছে। একই সঙ্গে হিজবুল্লাহ পাল্টা সামরিক অভিযান চালানোর দাবি করেছে। এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো।
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন নাবাতিয়েহ, টাইর, বিনত জবাইল, জাহরানি, জেইযিন, সাইদা ও হাসবায়া জেলার বিভিন্ন গ্রামে একাধিক হামলা চালায়। পাশাপাশি পূর্ব লেবাননের বালবেক ও পশ্চিম বেকা অঞ্চলেও বিমান হামলা হয়েছে।
এদিকে, হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলি সেনাদের অবস্থান ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে অন্তত ১৯টি অভিযান চালিয়েছে। সংগঠনটি জানায়, এসব হামলা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের প্রতিক্রিয়ায় চালানো হয়েছে।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বিনত জবাইল, ইয়াহমার আল-শাকিফ, নাকুরা ও আশপাশের এলাকায় রকেট, আর্টিলারি ও ড্রোন ব্যবহার করে ইসরায়েলি অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ থেকে পুনরায় সংঘাত শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ৩,৬৯৬ জন নিহত এবং ১১,৪১৩ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, এই হামলা-পাল্টা হামলা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলছে এবং সীমান্ত অঞ্চলে বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি বাড়ছে।

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
লেবাননের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ আরও তীব্র হয়েছে। একই সঙ্গে হিজবুল্লাহ পাল্টা সামরিক অভিযান চালানোর দাবি করেছে। এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো।
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন নাবাতিয়েহ, টাইর, বিনত জবাইল, জাহরানি, জেইযিন, সাইদা ও হাসবায়া জেলার বিভিন্ন গ্রামে একাধিক হামলা চালায়। পাশাপাশি পূর্ব লেবাননের বালবেক ও পশ্চিম বেকা অঞ্চলেও বিমান হামলা হয়েছে।
এদিকে, হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলি সেনাদের অবস্থান ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে অন্তত ১৯টি অভিযান চালিয়েছে। সংগঠনটি জানায়, এসব হামলা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের প্রতিক্রিয়ায় চালানো হয়েছে।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বিনত জবাইল, ইয়াহমার আল-শাকিফ, নাকুরা ও আশপাশের এলাকায় রকেট, আর্টিলারি ও ড্রোন ব্যবহার করে ইসরায়েলি অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ থেকে পুনরায় সংঘাত শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ৩,৬৯৬ জন নিহত এবং ১১,৪১৩ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, এই হামলা-পাল্টা হামলা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলছে এবং সীমান্ত অঞ্চলে বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি বাড়ছে।

আপনার মতামত লিখুন