ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই এক আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে দারুণ গতিতে ছুটে যান ওয়েস্টন ম্যাককেনি। তিনি বাঁ প্রান্ত দিয়ে পাস বাড়ান ক্রিস্টিয়ান পুলিসিকের উদ্দেশ্যে। পুলিসিক বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডি-বক্সে থাকা ম্যাককেনিকেই ফিরতি পাস দেন।
এরপর ম্যাককেনি নিজে শট না নিয়ে বল বাড়িয়ে দেন সতীর্থ ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুনের দিকে। তবে বল সেখানে পৌঁছানোর আগেই প্যারাগুয়ের ডিফেন্ডার ডামিয়ান বোবাদিলার গায়ে লেগে সরাসরি তাদের নিজেদের জালেই জড়িয়ে যায়। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে এক নতুন ইতিহাস তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে স্বাগতিক দেশ হিসেবে নিজেদের প্রথম ম্যাচে এটি তৃতীয় দ্রুততম গোলের রেকর্ড। এই তালিকায় সবার ওপরে আছে ফ্রান্স, যারা ১৯৩৮ বিশ্বকাপে মাত্র ৩৫ সেকেন্ডে গোল করেছিল। আর ২০০৬ বিশ্বকাপে ৫ মিনিট ০৮ সেকেন্ডে গোল করে এই তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জার্মানি।
১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফেরার জোর চেষ্টা চালায় প্যারাগুয়ে। ম্যাচের ১৪ মিনিটে টাইলার অ্যাডামসকে বোকা বানিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন প্যারাগুয়ান ফরোয়ার্ড হুলিও এনসিসো, তবে তার নেওয়া শটটি পোস্টের বেশ দূর দিয়ে বাইরে চলে যায়। এরপর ২৮ মিনিটে আবারও মেতে উঠেছিল যুক্তরাষ্ট্রের গ্যালারি।
অ্যাডামসের দারুণ এক টাচে বল পেয়ে জালে জড়িয়ে দিয়েছিলেন বালোগুন, তবে আক্রমণের শুরুতে পুলিসিক অফসাইড পজিশনে থাকায় লাইন্সম্যানের পতাকায় সেই গোলটি বাতিল হয়ে যায়। অবশ্য গোল বাতিলের হতাশা ঝেড়ে ম্যাচের ৩২ মিনিটে আবারও উল্লাসে মাতে স্বাগতিকরা। বক্সের ১২ গজ দূর থেকে বালোগুনের নিখুঁত এক ফিনিশিংয়ে বল প্যারাগুয়ের জালে জড়ায়।
এরপর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে টিলম্যানের পাস থেকে চমৎকার ফিনিশিংয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ২৪ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড বালোগুন। ফলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালায় প্যারাগুয়ে এবং ম্যাচের ৭৩ মিনিটে সেই চেষ্টার ফলও পায় তারা। এনসিসোর পাস থেকে নিখুঁত শটে ব্যাবধান ৩-১ করেন মাউরিসিও।
এরপর ম্যাচের ৮৯ মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ানোর একটি সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন যুক্তরাষ্ট্রের রিকার্ডো পেপি। রিমের চমৎকার পাস দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে প্যারাগুয়ের বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন ম্যাককেনি, কিন্তু তার বাড়ানো বল থেকে ফাঁকা পোস্ট পেয়েও ক্রসবারের ওপর দিয়ে মেরে বসেন পেপি।
তবে ম্যাচের একদম শেষ মূহুর্তে প্যারাগুয়ের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন জিওভানি রেইনা। একটি দারুণ দলীয় আক্রমণ থেকে চমৎকার বাঁকানো শটে বল জালে জড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ৪-১ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত করেন এই মিডফিল্ডার।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই এক আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে দারুণ গতিতে ছুটে যান ওয়েস্টন ম্যাককেনি। তিনি বাঁ প্রান্ত দিয়ে পাস বাড়ান ক্রিস্টিয়ান পুলিসিকের উদ্দেশ্যে। পুলিসিক বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডি-বক্সে থাকা ম্যাককেনিকেই ফিরতি পাস দেন।
এরপর ম্যাককেনি নিজে শট না নিয়ে বল বাড়িয়ে দেন সতীর্থ ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুনের দিকে। তবে বল সেখানে পৌঁছানোর আগেই প্যারাগুয়ের ডিফেন্ডার ডামিয়ান বোবাদিলার গায়ে লেগে সরাসরি তাদের নিজেদের জালেই জড়িয়ে যায়। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে এক নতুন ইতিহাস তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে স্বাগতিক দেশ হিসেবে নিজেদের প্রথম ম্যাচে এটি তৃতীয় দ্রুততম গোলের রেকর্ড। এই তালিকায় সবার ওপরে আছে ফ্রান্স, যারা ১৯৩৮ বিশ্বকাপে মাত্র ৩৫ সেকেন্ডে গোল করেছিল। আর ২০০৬ বিশ্বকাপে ৫ মিনিট ০৮ সেকেন্ডে গোল করে এই তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জার্মানি।
১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফেরার জোর চেষ্টা চালায় প্যারাগুয়ে। ম্যাচের ১৪ মিনিটে টাইলার অ্যাডামসকে বোকা বানিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন প্যারাগুয়ান ফরোয়ার্ড হুলিও এনসিসো, তবে তার নেওয়া শটটি পোস্টের বেশ দূর দিয়ে বাইরে চলে যায়। এরপর ২৮ মিনিটে আবারও মেতে উঠেছিল যুক্তরাষ্ট্রের গ্যালারি।
অ্যাডামসের দারুণ এক টাচে বল পেয়ে জালে জড়িয়ে দিয়েছিলেন বালোগুন, তবে আক্রমণের শুরুতে পুলিসিক অফসাইড পজিশনে থাকায় লাইন্সম্যানের পতাকায় সেই গোলটি বাতিল হয়ে যায়। অবশ্য গোল বাতিলের হতাশা ঝেড়ে ম্যাচের ৩২ মিনিটে আবারও উল্লাসে মাতে স্বাগতিকরা। বক্সের ১২ গজ দূর থেকে বালোগুনের নিখুঁত এক ফিনিশিংয়ে বল প্যারাগুয়ের জালে জড়ায়।
এরপর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে টিলম্যানের পাস থেকে চমৎকার ফিনিশিংয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ২৪ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড বালোগুন। ফলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালায় প্যারাগুয়ে এবং ম্যাচের ৭৩ মিনিটে সেই চেষ্টার ফলও পায় তারা। এনসিসোর পাস থেকে নিখুঁত শটে ব্যাবধান ৩-১ করেন মাউরিসিও।
এরপর ম্যাচের ৮৯ মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ানোর একটি সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন যুক্তরাষ্ট্রের রিকার্ডো পেপি। রিমের চমৎকার পাস দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে প্যারাগুয়ের বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন ম্যাককেনি, কিন্তু তার বাড়ানো বল থেকে ফাঁকা পোস্ট পেয়েও ক্রসবারের ওপর দিয়ে মেরে বসেন পেপি।
তবে ম্যাচের একদম শেষ মূহুর্তে প্যারাগুয়ের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন জিওভানি রেইনা। একটি দারুণ দলীয় আক্রমণ থেকে চমৎকার বাঁকানো শটে বল জালে জড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ৪-১ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত করেন এই মিডফিল্ডার।

আপনার মতামত লিখুন