অবশেষে শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে সম্মত হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান। হোয়াইট হাউস এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে চুক্তির প্রাথমিক ঘোষণা দেওয়া হলেও পুঙ্খানুপুঙ্খ শর্তাবলি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং শাহবাজ শরিফের দেওয়া পোস্টের ওপর ভিত্তি করে এই ঐতিহাসিক চুক্তির মূল দিকগুলো তুলে ধরেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
চুক্তির সবচেয়ে বড় অগ্রগতি হলো- উভয় পক্ষই লেবাননসহ সমস্ত ফ্রন্টে সামরিক অভিযান অবিলম্বে এবং স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে। উল্লেখ্য, লেবাননকে এই চুক্তির বাইরে রাখতে চেয়েছিল ইসরায়েল, যা দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার প্রধান প্রতিবন্ধকতা হিসেবে আটকে ছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য খুলে দেওয়া হবে। এই জলপথ দিয়ে যাতায়াতের জন্য জাহাজগুলোর ওপর কোনও প্রকার ফি বা শুল্ক আরোপ করবে না ইরান।
চুক্তি অনুযায়ী, গত কয়েক মাস ধরে ইরানের বিভিন্ন বন্দরে মার্কিন নৌবাহিনীর জারি করা কঠোর নৌ-অবরোধ অবিলম্বে তুলে নিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের আগে চূড়ান্ত প্রস্তুতি হিসেবে চলতি সপ্তাহেই দুই দেশের প্রতিনিধি দল ‘প্রাক-বাস্তবায়ন’ এবং কারিগরি বিষয়গুলো নিয়ে ধারাবাহিক বৈঠকে বসবেন।
এই জটিল কূটনৈতিক প্রক্রিয়াটি সফল করতে পাকিস্তান প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছে। একই সঙ্গে এই শান্তিচুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় কাতার, সৌদি আরব এবং তুরস্কের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।
আগামী শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই শান্তিচুক্তির আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানি আলোচকদের উপস্থিতিতে এই চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
অবশেষে শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে সম্মত হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান। হোয়াইট হাউস এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে চুক্তির প্রাথমিক ঘোষণা দেওয়া হলেও পুঙ্খানুপুঙ্খ শর্তাবলি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং শাহবাজ শরিফের দেওয়া পোস্টের ওপর ভিত্তি করে এই ঐতিহাসিক চুক্তির মূল দিকগুলো তুলে ধরেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
চুক্তির সবচেয়ে বড় অগ্রগতি হলো- উভয় পক্ষই লেবাননসহ সমস্ত ফ্রন্টে সামরিক অভিযান অবিলম্বে এবং স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে। উল্লেখ্য, লেবাননকে এই চুক্তির বাইরে রাখতে চেয়েছিল ইসরায়েল, যা দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার প্রধান প্রতিবন্ধকতা হিসেবে আটকে ছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য খুলে দেওয়া হবে। এই জলপথ দিয়ে যাতায়াতের জন্য জাহাজগুলোর ওপর কোনও প্রকার ফি বা শুল্ক আরোপ করবে না ইরান।
চুক্তি অনুযায়ী, গত কয়েক মাস ধরে ইরানের বিভিন্ন বন্দরে মার্কিন নৌবাহিনীর জারি করা কঠোর নৌ-অবরোধ অবিলম্বে তুলে নিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের আগে চূড়ান্ত প্রস্তুতি হিসেবে চলতি সপ্তাহেই দুই দেশের প্রতিনিধি দল ‘প্রাক-বাস্তবায়ন’ এবং কারিগরি বিষয়গুলো নিয়ে ধারাবাহিক বৈঠকে বসবেন।
এই জটিল কূটনৈতিক প্রক্রিয়াটি সফল করতে পাকিস্তান প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছে। একই সঙ্গে এই শান্তিচুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় কাতার, সৌদি আরব এবং তুরস্কের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।
আগামী শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই শান্তিচুক্তির আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানি আলোচকদের উপস্থিতিতে এই চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন