বিরতির পর মাঠের দৃশ্যপট দ্রুত বদলে যায়। ম্যাচের ৫১তম মিনিটে রায়ান গ্রাভেনবার্খের নিখুঁত ক্রস থেকে দুর্দান্ত এক হেডে গোল করে নেদারল্যান্ডসকে লিড এনে দেন অধিনায়ক ভিরগিল ফন ডাইক।
লিভারপুলের এই দুই তারকার মেলবন্ধনে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ডাচরা। তবে জাপানি সামুরাইরা জবাব দিতে বেশি সময় নেয়নি। ঠিক ছয় মিনিট পর অর্থাৎ ৫৭তম মিনিটে তাকেফুসা কুবোর পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে এক চোখধাঁধানো শটে বল জালে পাঠান কেইতো নাকামুরা। ডাচ ডিফেন্ডার ফন হেকের গায়ে লেগে বল দিক পরিবর্তন করলেও জাপানের ১-১ সমতা আটকানো যায়নি।
ম্যাচের গতি এরপর আরও বেড়ে যায়। ৬৪তম মিনিটে আবারও এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। এবারও সহায়তার ভূমিকায় ছিলেন গ্রাভেনবার্খ, যার পাস থেকে ক্রাইসেনসিও সামারভিল জাপানি বক্সের ডান প্রান্ত থেকে দারুণ এক বাঁকানো শটে বল জালে জড়ান। নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম গোলেই দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন সামারভিল। পিছিয়ে পড়ে মরিয়া হয়ে আক্রমণ বাড়াতে থাকে জাপান।
৬৭ মিনিটে কুবোর দূরপাল্লার শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায় এবং ৮০ মিনিটে ইউকিনারি সুগাওয়ারার শট ডাচ গোলরক্ষক বার্ট ফেরব্রুগেন লুফে নেন। অবশেষে ৮৮তম মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ; বদলি খেলোয়াড় জুনিয়া ইতোর কর্নার থেকে কোকি ওগাওয়া হেড করে বল বাড়িয়ে দেন দাইচি কামাদার দিকে, আর কামাদার নিখুঁত হেড ডাচদের জাল কাঁপিয়ে জাপানকে ২-২ সমতায় ফেরায়। যোগ করা সময়ে ডেনজেল ডামফ্রিসের ক্রস থেকে টিউন কুপমেইনার্স হেড করলেও তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় এবং শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে দুই দল।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
বিরতির পর মাঠের দৃশ্যপট দ্রুত বদলে যায়। ম্যাচের ৫১তম মিনিটে রায়ান গ্রাভেনবার্খের নিখুঁত ক্রস থেকে দুর্দান্ত এক হেডে গোল করে নেদারল্যান্ডসকে লিড এনে দেন অধিনায়ক ভিরগিল ফন ডাইক।
লিভারপুলের এই দুই তারকার মেলবন্ধনে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ডাচরা। তবে জাপানি সামুরাইরা জবাব দিতে বেশি সময় নেয়নি। ঠিক ছয় মিনিট পর অর্থাৎ ৫৭তম মিনিটে তাকেফুসা কুবোর পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে এক চোখধাঁধানো শটে বল জালে পাঠান কেইতো নাকামুরা। ডাচ ডিফেন্ডার ফন হেকের গায়ে লেগে বল দিক পরিবর্তন করলেও জাপানের ১-১ সমতা আটকানো যায়নি।
ম্যাচের গতি এরপর আরও বেড়ে যায়। ৬৪তম মিনিটে আবারও এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। এবারও সহায়তার ভূমিকায় ছিলেন গ্রাভেনবার্খ, যার পাস থেকে ক্রাইসেনসিও সামারভিল জাপানি বক্সের ডান প্রান্ত থেকে দারুণ এক বাঁকানো শটে বল জালে জড়ান। নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম গোলেই দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন সামারভিল। পিছিয়ে পড়ে মরিয়া হয়ে আক্রমণ বাড়াতে থাকে জাপান।
৬৭ মিনিটে কুবোর দূরপাল্লার শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায় এবং ৮০ মিনিটে ইউকিনারি সুগাওয়ারার শট ডাচ গোলরক্ষক বার্ট ফেরব্রুগেন লুফে নেন। অবশেষে ৮৮তম মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ; বদলি খেলোয়াড় জুনিয়া ইতোর কর্নার থেকে কোকি ওগাওয়া হেড করে বল বাড়িয়ে দেন দাইচি কামাদার দিকে, আর কামাদার নিখুঁত হেড ডাচদের জাল কাঁপিয়ে জাপানকে ২-২ সমতায় ফেরায়। যোগ করা সময়ে ডেনজেল ডামফ্রিসের ক্রস থেকে টিউন কুপমেইনার্স হেড করলেও তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় এবং শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে দুই দল।

আপনার মতামত লিখুন