যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যে একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পাইলটসহ ১২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জনই স্কাইডাইভার ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়
সময় রোববার (১৪ জুন) সকাল
১১টা ২০ মিনিটের দিকে
মিসৌরির বাটলার মেমোরিয়াল বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পরপরই
এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে।
বেটস
কাউন্টি জরুরি ব্যবস্থাপনা বিভাগের মুখপাত্র জানিয়েছেন, উড্ডয়নের পর বিমানটি আকাশে
পর্যাপ্ত উচ্চতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়।
এরপর হঠাৎ করেই সেটি
বাম দিকে মোড় নেয়
এবং বিমানবন্দর থেকে মাত্র ২০০
গজ দূরে বিধ্বস্ত হয়।
দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা ১২ জন
আরোহীর সবাই ঘটনাস্থলেই প্রাণ
হারান।
বেটস
কাউন্টির শেরিফ চ্যাড অ্যান্ডারসন এক সংবাদ সম্মেলনে
ঘটনাটিকে একটি বড় ধরনের
বিপর্যয় বা 'গণহতাহতের' (ম্যাস
ক্যাজুয়ালটি) ঘটনা হিসেবে উল্লেখ
করেছেন। তিনি জানান:
"এটি
কোনো বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী বিমান ছিল না; বরং
স্থানীয় একটি স্কাইডাইভিং পরিচালনাকারী
প্রতিষ্ঠানের লিজ নেওয়া ছোট
বিমান ছিল।"
স্থানীয়
গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকর্মীরা খতিয়ে
দেখছেন যে বিমানটি বিধ্বস্ত
হওয়ার আগে কোনো স্কাইডাইভার
লাফ দিতে পেরেছিলেন কি
না। মর্মান্তিক বিষয় হলো, নিহতদের
কয়েকজন পরিবারের সদস্য নিজেই এই দুর্ঘটনাটি চোখের
সামনে প্রত্যক্ষ করেছেন। তবে এখনও নিহতদের
পরিচয় প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।
যুক্তরাষ্ট্রের
ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) জানিয়েছে, দুর্ঘটনা কবলিত বিমানটি ছিল প্যাসিফিক অ্যারোস্পেস পি-৭৫০ মডেলের।
এফএএ
আরও জানায়, দুর্ঘটনার সময় বিমানটি কোনো
এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) সেবার আওতায় ছিল না। কারণ
যে আকাশসীমা দিয়ে বিমানটি উড়ছিল,
সেখানে এটিসি যোগাযোগ বাধ্যতামূলক ছিল না।
দুর্ঘটনাস্থলটি
ক্যানসাস সিটি মহানগর এলাকা
থেকে প্রায় ৫০ মাইল দক্ষিণে
বাটলার শহরের কাছে অবস্থিত। দুর্ঘটনার
প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে ইতিমধ্যে
তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের
ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি)।
এফএএ
জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া
পর্যন্ত দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে
কিছু বলা সম্ভব নয়।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যে একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পাইলটসহ ১২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জনই স্কাইডাইভার ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়
সময় রোববার (১৪ জুন) সকাল
১১টা ২০ মিনিটের দিকে
মিসৌরির বাটলার মেমোরিয়াল বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পরপরই
এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে।
বেটস
কাউন্টি জরুরি ব্যবস্থাপনা বিভাগের মুখপাত্র জানিয়েছেন, উড্ডয়নের পর বিমানটি আকাশে
পর্যাপ্ত উচ্চতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়।
এরপর হঠাৎ করেই সেটি
বাম দিকে মোড় নেয়
এবং বিমানবন্দর থেকে মাত্র ২০০
গজ দূরে বিধ্বস্ত হয়।
দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা ১২ জন
আরোহীর সবাই ঘটনাস্থলেই প্রাণ
হারান।
বেটস
কাউন্টির শেরিফ চ্যাড অ্যান্ডারসন এক সংবাদ সম্মেলনে
ঘটনাটিকে একটি বড় ধরনের
বিপর্যয় বা 'গণহতাহতের' (ম্যাস
ক্যাজুয়ালটি) ঘটনা হিসেবে উল্লেখ
করেছেন। তিনি জানান:
"এটি
কোনো বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী বিমান ছিল না; বরং
স্থানীয় একটি স্কাইডাইভিং পরিচালনাকারী
প্রতিষ্ঠানের লিজ নেওয়া ছোট
বিমান ছিল।"
স্থানীয়
গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকর্মীরা খতিয়ে
দেখছেন যে বিমানটি বিধ্বস্ত
হওয়ার আগে কোনো স্কাইডাইভার
লাফ দিতে পেরেছিলেন কি
না। মর্মান্তিক বিষয় হলো, নিহতদের
কয়েকজন পরিবারের সদস্য নিজেই এই দুর্ঘটনাটি চোখের
সামনে প্রত্যক্ষ করেছেন। তবে এখনও নিহতদের
পরিচয় প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।
যুক্তরাষ্ট্রের
ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) জানিয়েছে, দুর্ঘটনা কবলিত বিমানটি ছিল প্যাসিফিক অ্যারোস্পেস পি-৭৫০ মডেলের।
এফএএ
আরও জানায়, দুর্ঘটনার সময় বিমানটি কোনো
এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) সেবার আওতায় ছিল না। কারণ
যে আকাশসীমা দিয়ে বিমানটি উড়ছিল,
সেখানে এটিসি যোগাযোগ বাধ্যতামূলক ছিল না।
দুর্ঘটনাস্থলটি
ক্যানসাস সিটি মহানগর এলাকা
থেকে প্রায় ৫০ মাইল দক্ষিণে
বাটলার শহরের কাছে অবস্থিত। দুর্ঘটনার
প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে ইতিমধ্যে
তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের
ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি)।
এফএএ
জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া
পর্যন্ত দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে
কিছু বলা সম্ভব নয়।

আপনার মতামত লিখুন