যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বেস ক্যাম্পের কাছে এক ভয়াবহ গুলির ঘটনা ঘটেছে। আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার মধ্যকার ম্যাচ চলাকালীন এই হামলায় একজন নিহত এবং অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের বহনকারী একটি উবার গাড়ির চালকও রয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে শহরের বেশ কয়েকটি স্থানে এবং ইন্টারস্টেট ৭০ ও ইন্টারস্টেট ৬৭০ হাইওয়েতে এই গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে, যা অ্যারোহেড স্টেডিয়ামের খুব কাছাকাছি এলাকা। এই ঘটনায় জড়িত ২২ বছর বয়সী এক সন্দেহভাজন যুবক এখনো পলাতক রয়েছে এবং পুলিশ তাকে ‘সশস্ত্র ও বিপজ্জনক’ হিসেবে ঘোষণা করে খুঁজছে।
ভয়াবহ এই অভিজ্ঞতা নিয়ে আক্রান্ত উবার গাড়িতে থাকা আর্জেন্টিনার সমর্থকরা জানান, হঠাৎ একটি গাড়ি এসে তাদের উবারের পাশে দাঁড়ায় এবং সরাসরি গুলি চালায়। গুলির শব্দ শুনে তারা প্রথমে ভেবেছিলেন গাড়ির টায়ার ফেটে গেছে, কিন্তু পরে দেখেন চালকের পায়ে গুলি লেগেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আহত চালককে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তার আঘাত গুরুতর হলেও তা প্রাণঘাতী ছিল না। তবে একই সময়ে ঘটা অন্য গুলির ঘটনাগুলোতে আরও কয়েকজন মারাত্মকভাবে আহত হন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরে একজন মারা যান।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার পর চলমান ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে কানসাস সিটিসহ পুরো টুর্নামেন্টের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বেস ক্যাম্পের কাছে এক ভয়াবহ গুলির ঘটনা ঘটেছে। আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার মধ্যকার ম্যাচ চলাকালীন এই হামলায় একজন নিহত এবং অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের বহনকারী একটি উবার গাড়ির চালকও রয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে শহরের বেশ কয়েকটি স্থানে এবং ইন্টারস্টেট ৭০ ও ইন্টারস্টেট ৬৭০ হাইওয়েতে এই গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে, যা অ্যারোহেড স্টেডিয়ামের খুব কাছাকাছি এলাকা। এই ঘটনায় জড়িত ২২ বছর বয়সী এক সন্দেহভাজন যুবক এখনো পলাতক রয়েছে এবং পুলিশ তাকে ‘সশস্ত্র ও বিপজ্জনক’ হিসেবে ঘোষণা করে খুঁজছে।
ভয়াবহ এই অভিজ্ঞতা নিয়ে আক্রান্ত উবার গাড়িতে থাকা আর্জেন্টিনার সমর্থকরা জানান, হঠাৎ একটি গাড়ি এসে তাদের উবারের পাশে দাঁড়ায় এবং সরাসরি গুলি চালায়। গুলির শব্দ শুনে তারা প্রথমে ভেবেছিলেন গাড়ির টায়ার ফেটে গেছে, কিন্তু পরে দেখেন চালকের পায়ে গুলি লেগেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আহত চালককে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তার আঘাত গুরুতর হলেও তা প্রাণঘাতী ছিল না। তবে একই সময়ে ঘটা অন্য গুলির ঘটনাগুলোতে আরও কয়েকজন মারাত্মকভাবে আহত হন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরে একজন মারা যান।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার পর চলমান ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে কানসাস সিটিসহ পুরো টুর্নামেন্টের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন