চলমান বিশ্বকাপে নিজেদের দুর্দান্ত ছন্দ ধরে রেখে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ঘরের মাঠ সিয়াটল স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্বের পথে দারুণভাবে এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা।
এই জয়ের ফলে গ্রুপ পর্বের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করার দৌড়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছে গেছে মার্কিন দলটি। পুরো ম্যাচে আধিপত্য বজায় রেখে খেলে তারা সকারুদের কোনো সুযোগই দেয়নি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে যুক্তরাষ্ট্র। যার ফল তারা পেয়ে যায় খেলা শুরুর মাত্র ১১তম মিনিটেই। মার্কিন ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুনের একটি গতিময় আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে চরম ভুল করে বসেন অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার ক্যামেরন বার্জেস। বালোগুনের ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে তিনি উল্টো নিজেদের জালেই বল পাঠিয়ে দেন। এই আত্মঘাতী গোলের সুবাদে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
এরপর প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে ব্যবধান দ্বিগুণ করে যুক্তরাষ্ট্র। ফ্রিম্যানের দুর্দান্ত এক হেডে বল জাল ছুঁলে রেফারি প্রথমে অফসাইডের বাঁশি বাজান। তবে পরবর্তীতে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ভিএআর (VAR) প্রযুক্তির সাহায্যে দীর্ঘ পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত বদলে গোলটি বৈধ ঘোষণা করা হয়। ফলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় মার্কিনরা।
বিরতির পর ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া অস্ট্রেলিয়ার কোচ টনি পোপোভিচ একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন আনেন। তবে মাঠের কৌশলে তার কোনো ইতিবাচক প্রভাব দেখা যায়নি। অসিরা অনেকটাই রক্ষণাত্মক মেজাজে খেলতে থাকায় যুক্তরাষ্ট্র অনায়াসেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রেখে দেয়। ম্যাচের শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়া কিছুটা আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করলেও ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের জমাট রক্ষণভাগে ফাটল ধরানোর মতো কোনো উল্লেখযোগ্য সুযোগ তারা তৈরি করতে পারেনি।
শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। এই জয়ের ফলে পরবর্তী ম্যাচে তুরস্ক যদি প্যারাগুয়েকে হারাতে ব্যর্থ হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত হয়ে যাবে এবং রাউন্ড অব ৩২ বা শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে তারা তুলনামূলক দুর্বল তৃতীয় স্থান পাওয়া দলের মুখোমুখি হবে।
অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার ভাগ্য এখন ঝুলে আছে তাদের শেষ ম্যাচের ওপর, যেখানে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে সমীকরণ মেলাতে তাদের আরও অপেক্ষা করতে হবে।

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
চলমান বিশ্বকাপে নিজেদের দুর্দান্ত ছন্দ ধরে রেখে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ঘরের মাঠ সিয়াটল স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্বের পথে দারুণভাবে এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা।
এই জয়ের ফলে গ্রুপ পর্বের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করার দৌড়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছে গেছে মার্কিন দলটি। পুরো ম্যাচে আধিপত্য বজায় রেখে খেলে তারা সকারুদের কোনো সুযোগই দেয়নি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে যুক্তরাষ্ট্র। যার ফল তারা পেয়ে যায় খেলা শুরুর মাত্র ১১তম মিনিটেই। মার্কিন ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুনের একটি গতিময় আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে চরম ভুল করে বসেন অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার ক্যামেরন বার্জেস। বালোগুনের ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে তিনি উল্টো নিজেদের জালেই বল পাঠিয়ে দেন। এই আত্মঘাতী গোলের সুবাদে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
এরপর প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে ব্যবধান দ্বিগুণ করে যুক্তরাষ্ট্র। ফ্রিম্যানের দুর্দান্ত এক হেডে বল জাল ছুঁলে রেফারি প্রথমে অফসাইডের বাঁশি বাজান। তবে পরবর্তীতে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ভিএআর (VAR) প্রযুক্তির সাহায্যে দীর্ঘ পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত বদলে গোলটি বৈধ ঘোষণা করা হয়। ফলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় মার্কিনরা।
বিরতির পর ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া অস্ট্রেলিয়ার কোচ টনি পোপোভিচ একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন আনেন। তবে মাঠের কৌশলে তার কোনো ইতিবাচক প্রভাব দেখা যায়নি। অসিরা অনেকটাই রক্ষণাত্মক মেজাজে খেলতে থাকায় যুক্তরাষ্ট্র অনায়াসেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রেখে দেয়। ম্যাচের শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়া কিছুটা আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করলেও ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের জমাট রক্ষণভাগে ফাটল ধরানোর মতো কোনো উল্লেখযোগ্য সুযোগ তারা তৈরি করতে পারেনি।
শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। এই জয়ের ফলে পরবর্তী ম্যাচে তুরস্ক যদি প্যারাগুয়েকে হারাতে ব্যর্থ হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত হয়ে যাবে এবং রাউন্ড অব ৩২ বা শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে তারা তুলনামূলক দুর্বল তৃতীয় স্থান পাওয়া দলের মুখোমুখি হবে।
অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার ভাগ্য এখন ঝুলে আছে তাদের শেষ ম্যাচের ওপর, যেখানে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে সমীকরণ মেলাতে তাদের আরও অপেক্ষা করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন