অনেক স্বপ্ন আর বুকভরা আশা নিয়ে সুদূর সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছিলেন গাজীপুরের কালীগঞ্জের আল আমিন। কিন্তু কে জানত, নিজ ভূমিতে ফেরার এই আনন্দ এমন এক ট্র্যাজেডিতে রূপ নেবে!
রাজধানীর
গুলিস্তানের একটি আবাসিক হোটেলের
কক্ষ থেকে উদ্ধার করা
হয়েছে এই প্রবাসীর নিথর
দেহ। চাঞ্চল্যকর এই মৃত্যুর ঘটনায়
পুলিশ এক তরুণীকে আটক
করেছে, যার সাথে প্রবাসীর
পরিচয় ছিল প্রবাস জীবনেই।
নিহত
আল আমিন (৪০) গাজীপুরের কালীগঞ্জ
উপজেলার বাহাদুর রাস্তা এলাকার ফেরদৌস উদ্দীনের ছেলে। দীর্ঘদিন সৌদি আরবে কঠোর
পরিশ্রম করে কাটানোর পর
সম্প্রতি তিনি দেশে আসেন।
শুক্রবার সকালে গুলিস্তানের রমনা ভবনের ‘হোটেল
রমনা আবাসিক’-এর নয়তলার একটি
কক্ষ ভাড়া নেন তিনি।
হোটেলের
বয় হানিফ জানান, "আজ সকালে আল
আমিন কক্ষটি ভাড়া নেন। সে
সময় তার সঙ্গে এক
তরুণীও ছিলেন।"
সূত্র
জানায়, সৌদি আরবে থাকার
সময় থেকেই ওই তরুণীর সাথে
আল আমিনের পরিচয় ও যোগাযোগ গড়ে
ওঠে। কিন্তু হোটেলের রুমে ওঠার মাত্র
কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আল আমিনের মৃত্যুর
খবর ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার
পর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ওই রুমে থাকা
তরুণীকে আটক করে। তবে
জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ওই তরুণী
এক নাটকীয় ঘটনার বিবরণ দেন। আটক তরুণীর
দাবি, "আল আমিন ওয়াশরুমে
যাওয়ার পর হঠাৎ একটি
জোরে পড়ে যাবার শব্দ
শুনতে পান। পরে গিয়ে
দেখেন ওয়াশরুমের দরজা খোলা এবং
আল আমিন মেঝেতে অচেতন
অবস্থায় পড়ে আছে।"
তরুণীটি
জানান, তার চিৎকারে হোটেলের
বয় হানিফসহ হোটেল কর্তৃপক্ষ দ্রুত ছুটে আসে। পরে
তারা আল আমিনকে উদ্ধার
করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ
(ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত
চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা
করেন।
পুলিশ জানিয়েছে,
প্রবাসীর এমন আকস্মিক ও
রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি
হয়েছে। এটি হৃদরোগ নাকি
এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য
লুকিয়ে আছে, তা খতিয়ে
দেখছে পুলিশ।
ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ
বক্সের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "মরদেহ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে
রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই
তরুণীকে আটক করে পল্টন
থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।"

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
অনেক স্বপ্ন আর বুকভরা আশা নিয়ে সুদূর সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছিলেন গাজীপুরের কালীগঞ্জের আল আমিন। কিন্তু কে জানত, নিজ ভূমিতে ফেরার এই আনন্দ এমন এক ট্র্যাজেডিতে রূপ নেবে!
রাজধানীর
গুলিস্তানের একটি আবাসিক হোটেলের
কক্ষ থেকে উদ্ধার করা
হয়েছে এই প্রবাসীর নিথর
দেহ। চাঞ্চল্যকর এই মৃত্যুর ঘটনায়
পুলিশ এক তরুণীকে আটক
করেছে, যার সাথে প্রবাসীর
পরিচয় ছিল প্রবাস জীবনেই।
নিহত
আল আমিন (৪০) গাজীপুরের কালীগঞ্জ
উপজেলার বাহাদুর রাস্তা এলাকার ফেরদৌস উদ্দীনের ছেলে। দীর্ঘদিন সৌদি আরবে কঠোর
পরিশ্রম করে কাটানোর পর
সম্প্রতি তিনি দেশে আসেন।
শুক্রবার সকালে গুলিস্তানের রমনা ভবনের ‘হোটেল
রমনা আবাসিক’-এর নয়তলার একটি
কক্ষ ভাড়া নেন তিনি।
হোটেলের
বয় হানিফ জানান, "আজ সকালে আল
আমিন কক্ষটি ভাড়া নেন। সে
সময় তার সঙ্গে এক
তরুণীও ছিলেন।"
সূত্র
জানায়, সৌদি আরবে থাকার
সময় থেকেই ওই তরুণীর সাথে
আল আমিনের পরিচয় ও যোগাযোগ গড়ে
ওঠে। কিন্তু হোটেলের রুমে ওঠার মাত্র
কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আল আমিনের মৃত্যুর
খবর ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার
পর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ওই রুমে থাকা
তরুণীকে আটক করে। তবে
জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ওই তরুণী
এক নাটকীয় ঘটনার বিবরণ দেন। আটক তরুণীর
দাবি, "আল আমিন ওয়াশরুমে
যাওয়ার পর হঠাৎ একটি
জোরে পড়ে যাবার শব্দ
শুনতে পান। পরে গিয়ে
দেখেন ওয়াশরুমের দরজা খোলা এবং
আল আমিন মেঝেতে অচেতন
অবস্থায় পড়ে আছে।"
তরুণীটি
জানান, তার চিৎকারে হোটেলের
বয় হানিফসহ হোটেল কর্তৃপক্ষ দ্রুত ছুটে আসে। পরে
তারা আল আমিনকে উদ্ধার
করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ
(ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত
চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা
করেন।
পুলিশ জানিয়েছে,
প্রবাসীর এমন আকস্মিক ও
রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি
হয়েছে। এটি হৃদরোগ নাকি
এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য
লুকিয়ে আছে, তা খতিয়ে
দেখছে পুলিশ।
ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ
বক্সের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "মরদেহ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে
রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই
তরুণীকে আটক করে পল্টন
থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।"

আপনার মতামত লিখুন