নিষিদ্ধ ঘোষণার পর দীর্ঘদিন প্রকাশ্যে না থাকলেও এবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে পোস্টারিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার চেষ্টা করেছে ছাত্রলীগ।
রবিবার গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে লাগানো পোস্টারের ছবি সংগঠনটির কেন্দ্রীয় ফেইসবুক পেইজে প্রকাশ করা হয়। তবে সরেজমিনে ক্যাম্পাসে পোস্টারগুলোর কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, রাত ১১টার পর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের অফিশিয়াল ফেইসবুক পেইজে রাবি ক্যাম্পাসে পোস্টার সাঁটানোর বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করা হয়। শহীদ জিয়াউর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক ভবন, বিশ্ববিদ্যালয় বাস এবং ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের (টিএসসিসি) বটমূল এলাকায় এসব পোস্টার লাগানো হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, পোস্টারগুলোতে ‘কারাগারের দেওয়াল ভাঙবে তবু মানুষের কণ্ঠস্বর নয়’, ‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনা’ এবং ‘শিক্ষা নিয়ে টালবাহানা চলবে না, চলবে না’—এ ধরনের বিভিন্ন স্লোগান লেখা রয়েছে। তবে পোস্টার লাগানোর ছবিগুলো প্রকাশের কিছু সময় পরই ক্যাম্পাসে আর কোনো পোস্টার দেখা যায়নি।
ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতারা।
শাখা ছাত্রশিবিরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক এবং সাবেক সমন্বয়ক মেহেদী সজীব এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “জুলাইয়ের তাজা রক্ত এখনো আমাদের শরীরে বহমান। এই রক্ত যতদিন থাকবে, শহীদদের অনুপ্রেরণা যতদিন থাকবে, ততদিন সন্ত্রাসী লীগকে একবিন্দুও ছাড় দেওয়া হবে না।”
শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ লিখেছেন, “নিষিদ্ধ হওয়ার পরও রাতের আঁধারে পোস্টার টাঙিয়ে অস্তিত্ব জানান দেওয়ার চেষ্টা বৃথা। এমন নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে দেখানোর সাহস যেন আর না করা হয়। যারা পেছনের দরজা দিয়ে উঁকি মারার দুঃসাহস দেখাচ্ছে, তাদের মনে রাখা উচিত আগুন নিয়ে খেলার পরিণাম ভালো হবে না।”
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, “পোস্টারগুলো কারা লাগিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ক্যাম্পাসে গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশের সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। আমাদের কোনো শিক্ষার্থী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
গত ৫ মে ফেইসবুকের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি আবাসিক হলে আংশিক কমিটির অনুমোদন দেয় শাখা ছাত্রলীগ। কমিটি ঘোষণার পর ক্যাম্পাসে এটিই সংগঠনটির প্রথম প্রকাশ্য তৎপরতা।

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
নিষিদ্ধ ঘোষণার পর দীর্ঘদিন প্রকাশ্যে না থাকলেও এবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে পোস্টারিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার চেষ্টা করেছে ছাত্রলীগ।
রবিবার গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে লাগানো পোস্টারের ছবি সংগঠনটির কেন্দ্রীয় ফেইসবুক পেইজে প্রকাশ করা হয়। তবে সরেজমিনে ক্যাম্পাসে পোস্টারগুলোর কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, রাত ১১টার পর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের অফিশিয়াল ফেইসবুক পেইজে রাবি ক্যাম্পাসে পোস্টার সাঁটানোর বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করা হয়। শহীদ জিয়াউর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক ভবন, বিশ্ববিদ্যালয় বাস এবং ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের (টিএসসিসি) বটমূল এলাকায় এসব পোস্টার লাগানো হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, পোস্টারগুলোতে ‘কারাগারের দেওয়াল ভাঙবে তবু মানুষের কণ্ঠস্বর নয়’, ‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনা’ এবং ‘শিক্ষা নিয়ে টালবাহানা চলবে না, চলবে না’—এ ধরনের বিভিন্ন স্লোগান লেখা রয়েছে। তবে পোস্টার লাগানোর ছবিগুলো প্রকাশের কিছু সময় পরই ক্যাম্পাসে আর কোনো পোস্টার দেখা যায়নি।
ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতারা।
শাখা ছাত্রশিবিরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক এবং সাবেক সমন্বয়ক মেহেদী সজীব এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “জুলাইয়ের তাজা রক্ত এখনো আমাদের শরীরে বহমান। এই রক্ত যতদিন থাকবে, শহীদদের অনুপ্রেরণা যতদিন থাকবে, ততদিন সন্ত্রাসী লীগকে একবিন্দুও ছাড় দেওয়া হবে না।”
শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ লিখেছেন, “নিষিদ্ধ হওয়ার পরও রাতের আঁধারে পোস্টার টাঙিয়ে অস্তিত্ব জানান দেওয়ার চেষ্টা বৃথা। এমন নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে দেখানোর সাহস যেন আর না করা হয়। যারা পেছনের দরজা দিয়ে উঁকি মারার দুঃসাহস দেখাচ্ছে, তাদের মনে রাখা উচিত আগুন নিয়ে খেলার পরিণাম ভালো হবে না।”
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, “পোস্টারগুলো কারা লাগিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ক্যাম্পাসে গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশের সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। আমাদের কোনো শিক্ষার্থী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
গত ৫ মে ফেইসবুকের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি আবাসিক হলে আংশিক কমিটির অনুমোদন দেয় শাখা ছাত্রলীগ। কমিটি ঘোষণার পর ক্যাম্পাসে এটিই সংগঠনটির প্রথম প্রকাশ্য তৎপরতা।

আপনার মতামত লিখুন