সংবাদ

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন: শিশু স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ


প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:০৪ এএম

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন: শিশু স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ

আগামীকাল থেকে দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন শুরু হতে যাচ্ছে। এবার ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী দুই কোটি ৩৫ লাখের বেশি শিশু এই ক্যাপসুল পাবে। দীর্ঘ ১৪ মাস পর এই ক্যাম্পেইন চালু হওয়ায় স্বস্তির বিষয়। 

ভিটামিন এ শিশুদের দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় এবং অপুষ্টিজনিত রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এর অভাবে রাতকানা, দৃষ্টিশক্তির সমস্যা এবং গুরুতর ক্ষেত্রে অন্ধত্ব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এই ঝুঁকি কমানো সম্ভব। তাই বছরে দুবার এই কর্মসূচি চালানোর পরিকল্পনা যথাযথ। 

গত বছরের মার্চ মাসের পর থেকে ক্যাপসুলের সংকটের কারণে ক্যাম্পেইন বন্ধ ছিল। এই দীর্ঘ বিল¤^ শিশু স্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সরকারের উচিত এখন থেকে সরবরাহ ব্যবস্থা সুদৃঢ় করা, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো বিল¤^ না হয়। 

দুর্গম পাহাড়ি এলাকা যেমন বান্দরবানে এই ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নে বাড়তি চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সেখানকার স্বাস্থ্যকর্মীরা ঘরে ঘরে পৌঁছানোর প্রস্তুতি নিয়েছেন। এই প্রচেষ্টা প্রশংসাযোগ্য। সব এলাকায় সব শিশু যাতে ক্যাপসুল পায়, সেজন্য সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। 

অভিভাবকদেরও উচিত নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে আসা। স্বাস্থ্য বিভাগের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই ক্যাম্পেইন শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়। 

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের সাফল্য নির্ভর করবে এর ব্যাপকতা ও কার্যকারিতার ওপর। এ কর্মসূচি যেন সাময়িক উদ্যোগে সীমাবদ্ধ না থাকে সেটাই আমাদের চাওয়া। শিশুদের সুস্থ বিকাশ ও পুষ্টি নিরাপত্তার স্বার্থে ভিটামিন ‘এ’ কর্মসূচির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা দরকার। 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬


ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন: শিশু স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬

featured Image

আগামীকাল থেকে দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন শুরু হতে যাচ্ছে। এবার ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী দুই কোটি ৩৫ লাখের বেশি শিশু এই ক্যাপসুল পাবে। দীর্ঘ ১৪ মাস পর এই ক্যাম্পেইন চালু হওয়ায় স্বস্তির বিষয়। 

ভিটামিন এ শিশুদের দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় এবং অপুষ্টিজনিত রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এর অভাবে রাতকানা, দৃষ্টিশক্তির সমস্যা এবং গুরুতর ক্ষেত্রে অন্ধত্ব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এই ঝুঁকি কমানো সম্ভব। তাই বছরে দুবার এই কর্মসূচি চালানোর পরিকল্পনা যথাযথ। 

গত বছরের মার্চ মাসের পর থেকে ক্যাপসুলের সংকটের কারণে ক্যাম্পেইন বন্ধ ছিল। এই দীর্ঘ বিল¤^ শিশু স্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সরকারের উচিত এখন থেকে সরবরাহ ব্যবস্থা সুদৃঢ় করা, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো বিল¤^ না হয়। 

দুর্গম পাহাড়ি এলাকা যেমন বান্দরবানে এই ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নে বাড়তি চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সেখানকার স্বাস্থ্যকর্মীরা ঘরে ঘরে পৌঁছানোর প্রস্তুতি নিয়েছেন। এই প্রচেষ্টা প্রশংসাযোগ্য। সব এলাকায় সব শিশু যাতে ক্যাপসুল পায়, সেজন্য সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। 

অভিভাবকদেরও উচিত নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে আসা। স্বাস্থ্য বিভাগের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই ক্যাম্পেইন শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়। 

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের সাফল্য নির্ভর করবে এর ব্যাপকতা ও কার্যকারিতার ওপর। এ কর্মসূচি যেন সাময়িক উদ্যোগে সীমাবদ্ধ না থাকে সেটাই আমাদের চাওয়া। শিশুদের সুস্থ বিকাশ ও পুষ্টি নিরাপত্তার স্বার্থে ভিটামিন ‘এ’ কর্মসূচির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা দরকার। 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত