ইরানের প্রয়াত শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে নেমেছে লাখো মানুষের ঢল। প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো একনজর দেখতে ভোর থেকেই সাধারণ মানুষের এই অভূতপূর্ব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
স্থানীয়
গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানানো
হয়েছে, শোকানুষ্ঠানে যোগ দিতে আসা
মানুষের বিশাল ভিড়ের কারণে গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সের দিকে যাওয়ার সবকটি
রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।
যানবাহন চলাচল স্থবির হয়ে পড়ায় চারপাশের
সড়কগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
জানা
গেছে, মূল প্রার্থনাকক্ষের দরজা
খোলার নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগেই
শহীদ ইমামের বিপুল সংখ্যক ভক্ত ও অনুসারী
মোসাল্লা কমপ্লেক্সের সামনে এসে জড়ো হতে
শুরু করেন। ভোরবেলা ফজরের আজানের সময় সাধারণ মানুষের
এই উপচে পড়া ভিড়
সামাল দিতে কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত
সময়ের আগেই প্রধান প্রবেশদ্বারগুলো
খুলে দিতে বাধ্য হয়।
ফলে বাইরে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা
করা হাজার হাজার মানুষ দ্রুত ও সহজেই মূল
প্রাঙ্গণে প্রবেশ করার সুযোগ পান।
অনলাইনে
ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিও
ও ফুটেজে দেখা গেছে, হাজার
হাজার শোকাহত মানুষ কালো পোশাক পরে
রাস্তায় ভিড় জমিয়েছেন। তাদের
হাতে ছিল ইরানের জাতীয়
পতাকা এবং আয়াতুল্লাহ খামেনির
স্মরণে তৈরি বিভিন্ন ব্যানার
ও পোস্টার।
ইতিমধ্যেই
গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সের ভেতর ও চারপাশের
বিস্তীর্ণ এলাকা শোকাহত জনতায় কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে। প্রিয়
শীর্ষ নেতাকে শেষ বিদায় জানাতে
পুরো এলাকায় এক অভূতপূর্ব ও
আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
ইরানের প্রয়াত শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে নেমেছে লাখো মানুষের ঢল। প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো একনজর দেখতে ভোর থেকেই সাধারণ মানুষের এই অভূতপূর্ব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
স্থানীয়
গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানানো
হয়েছে, শোকানুষ্ঠানে যোগ দিতে আসা
মানুষের বিশাল ভিড়ের কারণে গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সের দিকে যাওয়ার সবকটি
রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।
যানবাহন চলাচল স্থবির হয়ে পড়ায় চারপাশের
সড়কগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
জানা
গেছে, মূল প্রার্থনাকক্ষের দরজা
খোলার নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগেই
শহীদ ইমামের বিপুল সংখ্যক ভক্ত ও অনুসারী
মোসাল্লা কমপ্লেক্সের সামনে এসে জড়ো হতে
শুরু করেন। ভোরবেলা ফজরের আজানের সময় সাধারণ মানুষের
এই উপচে পড়া ভিড়
সামাল দিতে কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত
সময়ের আগেই প্রধান প্রবেশদ্বারগুলো
খুলে দিতে বাধ্য হয়।
ফলে বাইরে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা
করা হাজার হাজার মানুষ দ্রুত ও সহজেই মূল
প্রাঙ্গণে প্রবেশ করার সুযোগ পান।
অনলাইনে
ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিও
ও ফুটেজে দেখা গেছে, হাজার
হাজার শোকাহত মানুষ কালো পোশাক পরে
রাস্তায় ভিড় জমিয়েছেন। তাদের
হাতে ছিল ইরানের জাতীয়
পতাকা এবং আয়াতুল্লাহ খামেনির
স্মরণে তৈরি বিভিন্ন ব্যানার
ও পোস্টার।
ইতিমধ্যেই
গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সের ভেতর ও চারপাশের
বিস্তীর্ণ এলাকা শোকাহত জনতায় কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে। প্রিয়
শীর্ষ নেতাকে শেষ বিদায় জানাতে
পুরো এলাকায় এক অভূতপূর্ব ও
আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন