খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলায় জীবিত এক বয়স্ক নাগরিককে মৃত দেখিয়ে তার বয়স্ক ভাতার কার্ড বাতিল করা হয়েছে। যে কারণে তিনি নয় মাস ধরে ভাতা পাচ্ছেন না। ভুক্তভোগী রুহুল আমিন নিয়মিত ভাতা পেয়ে আসছিলেন। হঠাৎ তার ভাতা বন্ধ হয়ে যায়। তিনি খোঁজ নিতে গিয়ে জানতে পারেন, ইউনিয়ন পরিষদের প্রত্যয়নপত্রে তাকে মৃত উল্লেখ করা হয়েছে।
ইউপি সচিব ও কয়েকজন সদস্যের স্বাক্ষরিত এই প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতে সমাজসেবা কার্যালয় তার কার্ড স্থায়ীভাবে বাতিল করে। এলাকাবাসীর প্রতিবাদের পর সচিবকে বদলি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
বয়স্ক ভাতা দরিদ্র ও অসহায় বয়স্কদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা। এতে কোনো ভুল হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন সেইসব মানুষ, যাদের পক্ষে প্রতিকার চাওয়া কঠিন। প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও এমন ভুল কীভাবে হয়, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
ইউপি সচিবের দাবি, গ্রাম পুলিশের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রত্যয়ন করা হয়েছে। অন্যদিকে ইউপি সদস্য বলছেন, তারা বিষয়টি জানতেন না। তবে প্রকৃত ঘটনা জানার জন্য সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া দরকার। তদন্তে যদি সংশ্লিষ্ট কারো অবহেলা বা অনিয়ম প্রমাণিত হয়, তাহলে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। এমন ঘটনা ভবিষ্যতে যাতে না ঘটে, সেজন্য ব্যবস্থা নিতে হবে।
সরকার বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালাচ্ছে। এসব কর্মসূচির সুফল যাতে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছায় সেই চেষ্টা করতে হবে। সেজন্য তালিকা তৈরি, যাচাই এবং আপডেটের প্রক্রিয়া আরও নির্ভরযোগ্য করা দরকার। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ভাতা বিতরণ স্বচ্ছতা বাড়িয়েছে। কিন্তু প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ ও প্রত্যয়নের পর্যায়ে আরও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। রাষ্ট্রের সেবা ব্যবস্থায় জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা না গেলে জনগণের আস্থা কমবে।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলায় জীবিত এক বয়স্ক নাগরিককে মৃত দেখিয়ে তার বয়স্ক ভাতার কার্ড বাতিল করা হয়েছে। যে কারণে তিনি নয় মাস ধরে ভাতা পাচ্ছেন না। ভুক্তভোগী রুহুল আমিন নিয়মিত ভাতা পেয়ে আসছিলেন। হঠাৎ তার ভাতা বন্ধ হয়ে যায়। তিনি খোঁজ নিতে গিয়ে জানতে পারেন, ইউনিয়ন পরিষদের প্রত্যয়নপত্রে তাকে মৃত উল্লেখ করা হয়েছে।
ইউপি সচিব ও কয়েকজন সদস্যের স্বাক্ষরিত এই প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতে সমাজসেবা কার্যালয় তার কার্ড স্থায়ীভাবে বাতিল করে। এলাকাবাসীর প্রতিবাদের পর সচিবকে বদলি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
বয়স্ক ভাতা দরিদ্র ও অসহায় বয়স্কদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা। এতে কোনো ভুল হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন সেইসব মানুষ, যাদের পক্ষে প্রতিকার চাওয়া কঠিন। প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও এমন ভুল কীভাবে হয়, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
ইউপি সচিবের দাবি, গ্রাম পুলিশের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রত্যয়ন করা হয়েছে। অন্যদিকে ইউপি সদস্য বলছেন, তারা বিষয়টি জানতেন না। তবে প্রকৃত ঘটনা জানার জন্য সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া দরকার। তদন্তে যদি সংশ্লিষ্ট কারো অবহেলা বা অনিয়ম প্রমাণিত হয়, তাহলে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। এমন ঘটনা ভবিষ্যতে যাতে না ঘটে, সেজন্য ব্যবস্থা নিতে হবে।
সরকার বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালাচ্ছে। এসব কর্মসূচির সুফল যাতে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছায় সেই চেষ্টা করতে হবে। সেজন্য তালিকা তৈরি, যাচাই এবং আপডেটের প্রক্রিয়া আরও নির্ভরযোগ্য করা দরকার। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ভাতা বিতরণ স্বচ্ছতা বাড়িয়েছে। কিন্তু প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ ও প্রত্যয়নের পর্যায়ে আরও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। রাষ্ট্রের সেবা ব্যবস্থায় জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা না গেলে জনগণের আস্থা কমবে।

আপনার মতামত লিখুন