ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টারে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রাণের মিলনমেলা হিসেবে পঞ্চমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বৈশাখী মেলা ২০২৬’ ও সাংস্কৃতিক উৎসব। গত ৫ জুলাই ইউরো বাংলা এসোসিয়েশনের আয়োজনে দিনব্যাপী উৎসবটি প্রবাসীদের উপস্থিতিতে পরিণত হয় এক টুকরো বাংলাদেশের আবহে।
সংগঠনের সভাপতি
কাজী লুৎফর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান বকুলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত
এবারের মেলা আগের বছরের তুলনায় আরও বর্ণাঢ্য ও উৎসবমুখর ছিল। প্রবাসী বাংলাদেশিদের
গল্প, আড্ডা, মিলনমেলা ও নানা আয়োজন দিনভর প্রাণবন্ত করে তোলে অনুষ্ঠানস্থল।
বাংলাদেশের একসময়কার
ব্যস্ত ফটোগ্রাফার মোহসীন আহমেদ কাওছার জানান, আয়োজকদের আন্তরিকতা ও সুপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনায়
আমন্ত্রিত অতিথিরা ছিলেন দারুণ উচ্ছ্বসিত। তার ভাষায়, এবারের আয়োজন যেন প্রবাসের মাটিতে
এক টুকরো বাংলাদেশকেই তুলে ধরেছিল। সভাপতি কাজী লুৎফর রহমান বলেন, ‘এবারের বৈশাখী মেলা
ও সাংস্কৃতিক উৎসব সফল করতে যারা সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।’
সাধারণ সম্পাদক
ওবায়দুর রহমান বকুল বলেন, ‘পঞ্চমবারের এই আয়োজন প্রবাসীদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা ও
সাড়া পেয়েছে, তা আমাদের আরও অনুপ্রাণিত করেছে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এবং বর্ণাঢ্যভাবে
এই উৎসব আয়োজনের চেষ্টা থাকবে।’
দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের
অন্যতম আকর্ষণ ছিল সাংস্কৃতিক পর্ব। এতে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী দীপালি ও হাসি রানী।
আধুনিক গানের পাশাপাশি সিলেটের আঞ্চলিক গান পরিবেশন করে তারা দর্শকদের মুগ্ধ করেন।
পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল বাংলা সংস্কৃতির ঐতিহ্য, সম্প্রীতি ও প্রবাসীদের মিলনমেলার উচ্ছ্বাস।

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টারে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রাণের মিলনমেলা হিসেবে পঞ্চমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বৈশাখী মেলা ২০২৬’ ও সাংস্কৃতিক উৎসব। গত ৫ জুলাই ইউরো বাংলা এসোসিয়েশনের আয়োজনে দিনব্যাপী উৎসবটি প্রবাসীদের উপস্থিতিতে পরিণত হয় এক টুকরো বাংলাদেশের আবহে।
সংগঠনের সভাপতি
কাজী লুৎফর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান বকুলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত
এবারের মেলা আগের বছরের তুলনায় আরও বর্ণাঢ্য ও উৎসবমুখর ছিল। প্রবাসী বাংলাদেশিদের
গল্প, আড্ডা, মিলনমেলা ও নানা আয়োজন দিনভর প্রাণবন্ত করে তোলে অনুষ্ঠানস্থল।
বাংলাদেশের একসময়কার
ব্যস্ত ফটোগ্রাফার মোহসীন আহমেদ কাওছার জানান, আয়োজকদের আন্তরিকতা ও সুপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনায়
আমন্ত্রিত অতিথিরা ছিলেন দারুণ উচ্ছ্বসিত। তার ভাষায়, এবারের আয়োজন যেন প্রবাসের মাটিতে
এক টুকরো বাংলাদেশকেই তুলে ধরেছিল। সভাপতি কাজী লুৎফর রহমান বলেন, ‘এবারের বৈশাখী মেলা
ও সাংস্কৃতিক উৎসব সফল করতে যারা সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।’
সাধারণ সম্পাদক
ওবায়দুর রহমান বকুল বলেন, ‘পঞ্চমবারের এই আয়োজন প্রবাসীদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা ও
সাড়া পেয়েছে, তা আমাদের আরও অনুপ্রাণিত করেছে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এবং বর্ণাঢ্যভাবে
এই উৎসব আয়োজনের চেষ্টা থাকবে।’
দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের
অন্যতম আকর্ষণ ছিল সাংস্কৃতিক পর্ব। এতে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী দীপালি ও হাসি রানী।
আধুনিক গানের পাশাপাশি সিলেটের আঞ্চলিক গান পরিবেশন করে তারা দর্শকদের মুগ্ধ করেন।
পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল বাংলা সংস্কৃতির ঐতিহ্য, সম্প্রীতি ও প্রবাসীদের মিলনমেলার উচ্ছ্বাস।

আপনার মতামত লিখুন