ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার প্রায় ২ বছর পর প্রথমবারের মতো ভারতে জনসমক্ষে আসতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ৫ আগস্ট ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে একটি ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানে তিনি বক্তব্য দেবেন। সেখানে তিনি তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রোডম্যাপ এবং বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া (এফসিসি সাউথ এশিয়া) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। আগামী ৫ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নয়াদিল্লির মথুরা রোডের স্যার মার্ক টুলি অডিটোরিয়ামে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানটি ক্লাবের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোতে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার নজিরবিহীন আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। সেই দিনই তিনি দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন। ভারতে যাওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত তিনি কোনো জনসমক্ষে আসেননি কিংবা গণমাধ্যমের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কথা বলেননি। তার সরকারের পতনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে এই ভাষণকে তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আয়োজকদের পাঠানো আমন্ত্রনপত্রের তথ্য অনুযায়ী, এই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার সঙ্গে বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা, সাবেক মন্ত্রী ও বিশিষ্ট ব্যক্তি অংশ নেবেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন শেখ হাসিনার ছেলে ও সাবেক তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী।
প্যানেলিস্ট হিসেবে আরও থাকার কথা রয়েছে সাবেক ক্রিকেটার ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান, নিরাপত্তা বিশ্লেষক আমিনুল হক পলাশ, সন্ত্রাসবাদ বিশেষজ্ঞ আবু ওবাইদা আরিন এবং শাহ মো. বখতিয়ারের। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন এফসিসি সাউথ এশিয়ার সভাপতি ড. ওয়ায়েল আওয়াদ।
শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে বড় পরিবর্তন এসেছে। নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ শেষে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসে। বর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার পরিচালিত হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক অনেক নেতার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম বর্তমানে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে স্থগিত বা নিষিদ্ধ রয়েছে।
\

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার প্রায় ২ বছর পর প্রথমবারের মতো ভারতে জনসমক্ষে আসতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ৫ আগস্ট ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে একটি ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানে তিনি বক্তব্য দেবেন। সেখানে তিনি তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রোডম্যাপ এবং বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া (এফসিসি সাউথ এশিয়া) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। আগামী ৫ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নয়াদিল্লির মথুরা রোডের স্যার মার্ক টুলি অডিটোরিয়ামে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানটি ক্লাবের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোতে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার নজিরবিহীন আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। সেই দিনই তিনি দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন। ভারতে যাওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত তিনি কোনো জনসমক্ষে আসেননি কিংবা গণমাধ্যমের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কথা বলেননি। তার সরকারের পতনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে এই ভাষণকে তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আয়োজকদের পাঠানো আমন্ত্রনপত্রের তথ্য অনুযায়ী, এই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার সঙ্গে বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা, সাবেক মন্ত্রী ও বিশিষ্ট ব্যক্তি অংশ নেবেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন শেখ হাসিনার ছেলে ও সাবেক তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী।
প্যানেলিস্ট হিসেবে আরও থাকার কথা রয়েছে সাবেক ক্রিকেটার ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান, নিরাপত্তা বিশ্লেষক আমিনুল হক পলাশ, সন্ত্রাসবাদ বিশেষজ্ঞ আবু ওবাইদা আরিন এবং শাহ মো. বখতিয়ারের। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন এফসিসি সাউথ এশিয়ার সভাপতি ড. ওয়ায়েল আওয়াদ।
শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে বড় পরিবর্তন এসেছে। নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ শেষে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসে। বর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার পরিচালিত হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক অনেক নেতার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম বর্তমানে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে স্থগিত বা নিষিদ্ধ রয়েছে।
\

আপনার মতামত লিখুন