ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির জোরালো সম্ভাবনা এবং মুদ্রাবাজারে বড় ধরনের হস্তক্ষেপের প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (৩ আগস্ট) আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন ঘটেছে এবং জাপানি মুদ্রা ‘ইয়েন’ গত ৩ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।
জ্বালানি তেলের বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সোমবার ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ৪ শতাংশের বেশি কমে প্রতি ব্যারেল ৮৩ দশমিক ৮৮ ডলারে নেমে এসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, সোমবারই ইরানের সঙ্গে তার আলোচনা শুরু হতে পারে। এর আগে তিনি হরমুজ প্রণালী পুনরায় সচল করা এবং তেহরানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে সৃষ্ট অচলাবস্থা নিরসনে ইরানের ওপর সম্ভাব্য একটি হামলা স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ট্রাম্পের এই ইতিবাচক বার্তায় তেলের বাজারে বড় ধরনের দরপতন শুরু হয়।
তেলের দাম কমায় মার্কিন ও ইউরোপীয় পুঁজিবাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ফিউচার এবং নাসডাক ফিউচার যথাক্রমে ০.৬ ও ০.৮ শতাংশ বেড়েছে। তবে এশিয়ার পুঁজিবাজারে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। জাপানের নিক্কেই ১ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি ৫ শতাংশের বেশি কমেছে। মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে বিনিয়োগ থেকে দ্রুত মুনাফা আসবে কি না, তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগের কারণে এশিয়ার বাজারে এই দরপতন।
এদিকে মুদ্রাবাজারে জাপানি ইয়েন ০.৫ শতাংশ শক্তিশালী হয়ে প্রতি ডলার ১৫৬.৪৯-এ পৌঁছেছে। ইয়েনের এই টানা দরপতন ঠেকাতে জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে হস্তক্ষেপ করার ঘোষণা দিয়েছে। জাপানের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইয়েনকে ৪০ বছরের সর্বনিম্ন অবস্থা থেকে টেনে তুলতে তারা এবং যুক্তরাষ্ট্র একযোগে কাজ করছে এবং প্রয়োজনে আরও পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, ডলারের তারল্য বজায় রাখতে প্রয়োজনে ফেডারেল রিজার্ভের বিশেষ সুবিধা বাড়ানো হবে। বাজার বিশ্লেষক ম্যাট সিম্পসন বলেন, ‘যৌথ হস্তক্ষেপ’ কথাটি বাজারের জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী একটি সংকেত। এর ফলে ইয়েনের মান আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
জ্বালানি তেলের দরপতনের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ বছর মেয়াদী ট্রেজারি বন্ডের সুদহারও ৫.২৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা গত সপ্তাহে ১৯ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিল।
\

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির জোরালো সম্ভাবনা এবং মুদ্রাবাজারে বড় ধরনের হস্তক্ষেপের প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (৩ আগস্ট) আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন ঘটেছে এবং জাপানি মুদ্রা ‘ইয়েন’ গত ৩ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।
জ্বালানি তেলের বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সোমবার ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ৪ শতাংশের বেশি কমে প্রতি ব্যারেল ৮৩ দশমিক ৮৮ ডলারে নেমে এসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, সোমবারই ইরানের সঙ্গে তার আলোচনা শুরু হতে পারে। এর আগে তিনি হরমুজ প্রণালী পুনরায় সচল করা এবং তেহরানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে সৃষ্ট অচলাবস্থা নিরসনে ইরানের ওপর সম্ভাব্য একটি হামলা স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ট্রাম্পের এই ইতিবাচক বার্তায় তেলের বাজারে বড় ধরনের দরপতন শুরু হয়।
তেলের দাম কমায় মার্কিন ও ইউরোপীয় পুঁজিবাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ফিউচার এবং নাসডাক ফিউচার যথাক্রমে ০.৬ ও ০.৮ শতাংশ বেড়েছে। তবে এশিয়ার পুঁজিবাজারে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। জাপানের নিক্কেই ১ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি ৫ শতাংশের বেশি কমেছে। মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে বিনিয়োগ থেকে দ্রুত মুনাফা আসবে কি না, তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগের কারণে এশিয়ার বাজারে এই দরপতন।
এদিকে মুদ্রাবাজারে জাপানি ইয়েন ০.৫ শতাংশ শক্তিশালী হয়ে প্রতি ডলার ১৫৬.৪৯-এ পৌঁছেছে। ইয়েনের এই টানা দরপতন ঠেকাতে জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে হস্তক্ষেপ করার ঘোষণা দিয়েছে। জাপানের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইয়েনকে ৪০ বছরের সর্বনিম্ন অবস্থা থেকে টেনে তুলতে তারা এবং যুক্তরাষ্ট্র একযোগে কাজ করছে এবং প্রয়োজনে আরও পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, ডলারের তারল্য বজায় রাখতে প্রয়োজনে ফেডারেল রিজার্ভের বিশেষ সুবিধা বাড়ানো হবে। বাজার বিশ্লেষক ম্যাট সিম্পসন বলেন, ‘যৌথ হস্তক্ষেপ’ কথাটি বাজারের জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী একটি সংকেত। এর ফলে ইয়েনের মান আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
জ্বালানি তেলের দরপতনের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ বছর মেয়াদী ট্রেজারি বন্ডের সুদহারও ৫.২৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা গত সপ্তাহে ১৯ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিল।
\

আপনার মতামত লিখুন