একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রক্তের ঋণ আংশিক পরিশোধ করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ড. শফিকুর রহমান।
বুধবার (৫ আগস্ট) 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস' উপলক্ষে দেশবাসী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পাতায় প্রকাশিত বার্তায় জামায়াত আমীর বলেন, ৫ আগস্ট বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের এক অনবদ্য ও গৌরবময় অধ্যায়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, তরুণ-তরুণী, শিশু-বৃদ্ধ ও নাগরিক সমাজসহ সর্বস্তরের পেশাজীবী মানুষ অভিন্ন দাবিতে রাজপথে নেমে এসে আন্দোলনকে এক দফার গণঅভ্যুত্থানে পরিণত করেছিলেন।
ড. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, ক্ষমতা হারানোর ভয়ে তৎকালীন সরকার আন্দোলন দমনে চরম দমনপীড়ন ও গুলিবর্ষণের পথ বেছে নিলেও মুক্তিকামী মানুষ তা তোয়াক্কা করেনি। বীরত্বপূর্ণ এ গণঅভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর দলীয় শীর্ষ নেতা ও মন্ত্রীদের নিয়ে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। এর মাধ্যমে সাড়ে ১৬ বছরের একনায়কতন্ত্র, জুলুম-নির্যাতন ও বিদেশি আধিপত্য থেকে দেশ মুক্ত হয়।
আন্দোলনের ক্ষয়ক্ষতির কথা স্মরণ করে তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাংশের নির্বিচার গুলিতে প্রায় দেড় হাজার মানুষ শহীদ হন এবং অন্তত ৩০ হাজার মানুষ আহত হন। হাজার হাজার মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। এ সময় তিনি শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিমসহ সকল শহীদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান।
বার্তায় জামায়াত আমীর আফসোস প্রকাশ করে বলেন, একটি বিশেষ মহলের কারণে শহীদদের মূল প্রত্যাশা–অর্থাৎ বৈষম্যহীন ও সুশাসনের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য আজও পুরোপুরি পূরণ হয়নি। ফলে এখনো সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হচ্ছে। অতীতের ভেদাভেদ ভুলে একটি সুখী-সমৃদ্ধ, মানবিক ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রক্তের ঋণ আংশিক পরিশোধ করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ড. শফিকুর রহমান।
বুধবার (৫ আগস্ট) 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস' উপলক্ষে দেশবাসী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পাতায় প্রকাশিত বার্তায় জামায়াত আমীর বলেন, ৫ আগস্ট বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের এক অনবদ্য ও গৌরবময় অধ্যায়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, তরুণ-তরুণী, শিশু-বৃদ্ধ ও নাগরিক সমাজসহ সর্বস্তরের পেশাজীবী মানুষ অভিন্ন দাবিতে রাজপথে নেমে এসে আন্দোলনকে এক দফার গণঅভ্যুত্থানে পরিণত করেছিলেন।
ড. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, ক্ষমতা হারানোর ভয়ে তৎকালীন সরকার আন্দোলন দমনে চরম দমনপীড়ন ও গুলিবর্ষণের পথ বেছে নিলেও মুক্তিকামী মানুষ তা তোয়াক্কা করেনি। বীরত্বপূর্ণ এ গণঅভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর দলীয় শীর্ষ নেতা ও মন্ত্রীদের নিয়ে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। এর মাধ্যমে সাড়ে ১৬ বছরের একনায়কতন্ত্র, জুলুম-নির্যাতন ও বিদেশি আধিপত্য থেকে দেশ মুক্ত হয়।
আন্দোলনের ক্ষয়ক্ষতির কথা স্মরণ করে তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাংশের নির্বিচার গুলিতে প্রায় দেড় হাজার মানুষ শহীদ হন এবং অন্তত ৩০ হাজার মানুষ আহত হন। হাজার হাজার মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। এ সময় তিনি শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিমসহ সকল শহীদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান।
বার্তায় জামায়াত আমীর আফসোস প্রকাশ করে বলেন, একটি বিশেষ মহলের কারণে শহীদদের মূল প্রত্যাশা–অর্থাৎ বৈষম্যহীন ও সুশাসনের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য আজও পুরোপুরি পূরণ হয়নি। ফলে এখনো সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হচ্ছে। অতীতের ভেদাভেদ ভুলে একটি সুখী-সমৃদ্ধ, মানবিক ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন