সংবাদ

যে কারণে কুড়িগ্রামের ৪ স্কুলে ফল বিপর্যয়


হুমায়ুন কবির সূর্য, কুড়িগ্রাম
হুমায়ুন কবির সূর্য, কুড়িগ্রাম
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩৩ পিএম

যে কারণে কুড়িগ্রামের ৪ স্কুলে ফল বিপর্যয়
ছবি : সংবাদ

কুড়িগ্রাম জেলায় এ বছর মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসব বিদ্যালয়ের ফল বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে শিক্ষক সংকট ও দেরিতে রেজিস্ট্রেশনকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানরা।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, কুড়িগ্রাম জেলায় এবার ১৮ হাজার ৮৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১০ হাজার ৬৪৭ জন। পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ১৭৯ জন শিক্ষার্থী। বোর্ডের অধীনে ২২টি বিদ্যালয়ে শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার তালিকায় কুড়িগ্রামের চারটি স্কুল রয়েছে।

শূন্য পাসের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-রাজারহাট উপজেলার তালতলা উচ্চবিদ্যালয় ও ব্রাহ্মণপাড়া উচ্চবিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পূর্ব কুমরপুর আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় এবং ভুরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি আদর্শ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, তালতলা উচ্চবিদ্যালয় থেকে ১২ জন, ব্রাহ্মণপাড়া উচ্চবিদ্যালয় থেকে ৪ জন, পাথরডুবি আদর্শ বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে ৪ জন এবং পূর্ব কুমরপুর আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় থেকে একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছে।

রাজারহাটের ব্রাহ্মণপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ আলম বলেন, ‘আমাদের বিদ্যালয়টি নন-এমপিও। রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময়ে অনুমতি পাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী চলে যায়। মাত্র চারজন পরীক্ষা দেয়। বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীরা ওই বিষয়ে পাস করতে পারেনি।’ একই উপজেলার তালতলা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দেবপ্রসাদ রায় জানান, মাধ্যমিক পর্যায়ে এখনো শিক্ষক নিয়োগ না হওয়ায় ১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯ জনই ইংরেজিতে ফেল করেছে।

কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘যে চারটি বিদ্যালয়ে ফল বিপর্যয় হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত সাপেক্ষে ঊর্ধ্বতন

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬


যে কারণে কুড়িগ্রামের ৪ স্কুলে ফল বিপর্যয়

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

কুড়িগ্রাম জেলায় এ বছর মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসব বিদ্যালয়ের ফল বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে শিক্ষক সংকট ও দেরিতে রেজিস্ট্রেশনকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানরা।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, কুড়িগ্রাম জেলায় এবার ১৮ হাজার ৮৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১০ হাজার ৬৪৭ জন। পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ১৭৯ জন শিক্ষার্থী। বোর্ডের অধীনে ২২টি বিদ্যালয়ে শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার তালিকায় কুড়িগ্রামের চারটি স্কুল রয়েছে।

শূন্য পাসের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-রাজারহাট উপজেলার তালতলা উচ্চবিদ্যালয় ও ব্রাহ্মণপাড়া উচ্চবিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পূর্ব কুমরপুর আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় এবং ভুরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি আদর্শ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, তালতলা উচ্চবিদ্যালয় থেকে ১২ জন, ব্রাহ্মণপাড়া উচ্চবিদ্যালয় থেকে ৪ জন, পাথরডুবি আদর্শ বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে ৪ জন এবং পূর্ব কুমরপুর আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় থেকে একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছে।

রাজারহাটের ব্রাহ্মণপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ আলম বলেন, ‘আমাদের বিদ্যালয়টি নন-এমপিও। রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময়ে অনুমতি পাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী চলে যায়। মাত্র চারজন পরীক্ষা দেয়। বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীরা ওই বিষয়ে পাস করতে পারেনি।’ একই উপজেলার তালতলা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দেবপ্রসাদ রায় জানান, মাধ্যমিক পর্যায়ে এখনো শিক্ষক নিয়োগ না হওয়ায় ১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯ জনই ইংরেজিতে ফেল করেছে।

কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘যে চারটি বিদ্যালয়ে ফল বিপর্যয় হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত সাপেক্ষে ঊর্ধ্বতন


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত