দীর্ঘদিনের দুই মিত্র দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যকার বাণিজ্যিক আলোচনা কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই ভেঙে গেছে। এর জেরে শনিবার (২২ আগস্ট) থেকে কানাডার নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করে ‘ইটের বদলে পাটকেল’ ছোড়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি।
শনিবার ভোরে কার্যকর হওয়া এই শুল্কের কবলে পড়েছে কানাডার প্রায় ২ হাজার কোটি (২০ বিলিয়ন) ডলার সমমূল্যের পণ্য। যদিও এটি যুক্তরাষ্ট্রের মোট আমদানির তুলনায় খুব বড় অংশ নয়, তবে দুই দেশের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা উত্তর আমেরিকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিকে (ইউএসএমসিএ) নতুন করে ঝুঁকিতে ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এক কড়া বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তিনি বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করেছেন এবং তার প্রতিনিধিদের অটোয়ায় ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র শেষ মুহূর্তে অন্যায্য ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিকর কিছু শর্ত চাপিয়ে দিয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যুক্তরাষ্ট্র যত ডলারের শুল্ক আরোপ করবে, কানাডাও সমান পরিমাণ পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে।”
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিশন গ্রিয়ার এক হোয়াইট হাউস ব্রিফিংয়ে বলেন, কানাডা সমঝোতার সুযোগ হারিয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, কানাডা ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম এবং কাঠ রপ্তানির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ছাড় দাবি করায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে আলোচনার আর কোনো সময়সূচি নির্ধারিত নেই।
উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্প গত মাসেই কানাডার আসবাবপত্র, দুগ্ধজাত পণ্য, সিমেন্ট এবং হকি সরঞ্জামের মতো পণ্যে চড়া শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন। মার্ক কার্নি গত বছর ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসেন, যা বর্তমানে তাঁকে নিজ দেশে বেশ জনপ্রিয় করে তুলেছে।
সূত্র : রয়টার্স
\

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
দীর্ঘদিনের দুই মিত্র দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যকার বাণিজ্যিক আলোচনা কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই ভেঙে গেছে। এর জেরে শনিবার (২২ আগস্ট) থেকে কানাডার নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করে ‘ইটের বদলে পাটকেল’ ছোড়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি।
শনিবার ভোরে কার্যকর হওয়া এই শুল্কের কবলে পড়েছে কানাডার প্রায় ২ হাজার কোটি (২০ বিলিয়ন) ডলার সমমূল্যের পণ্য। যদিও এটি যুক্তরাষ্ট্রের মোট আমদানির তুলনায় খুব বড় অংশ নয়, তবে দুই দেশের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা উত্তর আমেরিকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিকে (ইউএসএমসিএ) নতুন করে ঝুঁকিতে ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এক কড়া বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তিনি বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করেছেন এবং তার প্রতিনিধিদের অটোয়ায় ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র শেষ মুহূর্তে অন্যায্য ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিকর কিছু শর্ত চাপিয়ে দিয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যুক্তরাষ্ট্র যত ডলারের শুল্ক আরোপ করবে, কানাডাও সমান পরিমাণ পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে।”
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিশন গ্রিয়ার এক হোয়াইট হাউস ব্রিফিংয়ে বলেন, কানাডা সমঝোতার সুযোগ হারিয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, কানাডা ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম এবং কাঠ রপ্তানির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ছাড় দাবি করায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে আলোচনার আর কোনো সময়সূচি নির্ধারিত নেই।
উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্প গত মাসেই কানাডার আসবাবপত্র, দুগ্ধজাত পণ্য, সিমেন্ট এবং হকি সরঞ্জামের মতো পণ্যে চড়া শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন। মার্ক কার্নি গত বছর ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসেন, যা বর্তমানে তাঁকে নিজ দেশে বেশ জনপ্রিয় করে তুলেছে।
সূত্র : রয়টার্স
\

আপনার মতামত লিখুন