গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পরকীয়া প্রেম টিকিয়ে রাখতে দুধের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে দীর্ঘ ৩২ বছর পর থানায় লিখিত এজাহার দেওয়া হয়েছে। উপজেলার তরফকামাল গ্রামের মৃত কছিম উদ্দীনের ছেলে কবেজ আলী বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় এই অভিযোগ করেন।
এজাহারের বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৭ সালের দিকে বাদীর চাচাতো ভাই জরিপপুর গ্রামের মৃত আজিজার শেখের ছেলে মো. ঘেংগারু শেখের (২৮) সঙ্গে একই গ্রামের মৃত ইছাহাক আলী শেখের মেয়ে মোছা. রেশেনা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে ঘেংগারু শেখ শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে বাস করে আসছিলেন। পরে রেশেনা বেগমের ছোট বোন রাশেদা বেগমের বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী গোয়ালপাড়া গ্রামের মৃত নকিম উদ্দীনের ছেলে মন্ডু মিয়ার (৫৮) সঙ্গে।
ছোট বোনের জামাই হিসেবে শ্বশুরবাড়িতে যাতায়াতের একপর্যায়ে রেশেনা বেগমের সঙ্গে মন্ডু মিয়ার পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি টের পেয়ে ঘেংগারু শেখ প্রতিবাদ করলে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, অবৈধ সম্পর্ক বজায় রাখতে রেশেনা ও মন্ডু মিয়া পূর্বপরিকল্পিতভাবে ১৯৯৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘেংগারু শেখকে দুধের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খেতে দেন।
বিষ মেশানো দুধ পানের পর ঘেংগারু শেখ যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকলে অভিযুক্তরা দরজায় শিকল তুলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করলেও পরদিন ৮ সেপ্টেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বাদী জানান, ঘটনার পর মামলা করতে গেলে প্রভাবশালী মহলের বাধার মুখে তাঁরা কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেননি। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পরকীয়া প্রেম টিকিয়ে রাখতে দুধের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে দীর্ঘ ৩২ বছর পর থানায় লিখিত এজাহার দেওয়া হয়েছে। উপজেলার তরফকামাল গ্রামের মৃত কছিম উদ্দীনের ছেলে কবেজ আলী বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় এই অভিযোগ করেন।
এজাহারের বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৭ সালের দিকে বাদীর চাচাতো ভাই জরিপপুর গ্রামের মৃত আজিজার শেখের ছেলে মো. ঘেংগারু শেখের (২৮) সঙ্গে একই গ্রামের মৃত ইছাহাক আলী শেখের মেয়ে মোছা. রেশেনা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে ঘেংগারু শেখ শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে বাস করে আসছিলেন। পরে রেশেনা বেগমের ছোট বোন রাশেদা বেগমের বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী গোয়ালপাড়া গ্রামের মৃত নকিম উদ্দীনের ছেলে মন্ডু মিয়ার (৫৮) সঙ্গে।
ছোট বোনের জামাই হিসেবে শ্বশুরবাড়িতে যাতায়াতের একপর্যায়ে রেশেনা বেগমের সঙ্গে মন্ডু মিয়ার পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি টের পেয়ে ঘেংগারু শেখ প্রতিবাদ করলে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, অবৈধ সম্পর্ক বজায় রাখতে রেশেনা ও মন্ডু মিয়া পূর্বপরিকল্পিতভাবে ১৯৯৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘেংগারু শেখকে দুধের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খেতে দেন।
বিষ মেশানো দুধ পানের পর ঘেংগারু শেখ যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকলে অভিযুক্তরা দরজায় শিকল তুলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করলেও পরদিন ৮ সেপ্টেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বাদী জানান, ঘটনার পর মামলা করতে গেলে প্রভাবশালী মহলের বাধার মুখে তাঁরা কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেননি। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন