বগুড়ার শেরপুর উপজেলার মিরজাপুর-রানীহাট ও ভবানীপুর সড়কের মাত্র ৩০০ মিটার অংশে সৃষ্টি হওয়া বিশাল খানাখন্দের কারণে প্রতিদিন চরম জনভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং সংলগ্ন চাতালের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণে সড়কটি একেবারে চলাচলের অনুপযোগী ও মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সড়কের খাদে দুটি পণ্যবাহী ট্রাক আটকে গিয়ে উভয় পাশে প্রায় এক কিলোমিটার জুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সসহ সাধারণ যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। একাধিকবার জানানো হলেও প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়নি বলে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
তবে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মজিদ জানিয়েছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সংস্কার কাজ শুরু হবে। অন্যদিকে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইদুজ্জামান হিমু জানান, আটকে থাকা ট্রাক সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার পাশাপাশি সড়কটির দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার মিরজাপুর-রানীহাট ও ভবানীপুর সড়কের মাত্র ৩০০ মিটার অংশে সৃষ্টি হওয়া বিশাল খানাখন্দের কারণে প্রতিদিন চরম জনভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং সংলগ্ন চাতালের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণে সড়কটি একেবারে চলাচলের অনুপযোগী ও মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সড়কের খাদে দুটি পণ্যবাহী ট্রাক আটকে গিয়ে উভয় পাশে প্রায় এক কিলোমিটার জুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সসহ সাধারণ যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। একাধিকবার জানানো হলেও প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়নি বলে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
তবে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মজিদ জানিয়েছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সংস্কার কাজ শুরু হবে। অন্যদিকে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইদুজ্জামান হিমু জানান, আটকে থাকা ট্রাক সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার পাশাপাশি সড়কটির দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন