প্রতিদিনের দুপুরের খাবারে একই ধরনের সয়াবিনের ঝোল খেতে অনেকেরই একঘেয়ে লাগতে পারে। অথচ সামান্য মশলা আর কয়েকটি সবজি দিয়ে সয়াবিনেই তৈরি করা যায় ভিন্ন স্বাদের একটি পদ। ঝালঝাল ও মশলাদার স্বাদের সোয়া কিমা হতে পারে এমনই একটি সহজ বিকল্প।
সোয়া চাঙ্কস বা সোয়া কিমা, পেঁয়াজ,
টমেটো, ক্যাপসিকাম ও কয়েক ধরনের মশলা দিয়ে অল্প সময়েই তৈরি করা যায় এই পদ। স্বাদের
পাশাপাশি সোয়া প্রোটিনেরও ভালো উৎস। ফলে নিরামিষ খাবারের তালিকায় প্রোটিনের পরিমাণ বাড়াতে
চাইলে এটি রাখতে পারেন।
রুটি, পরোটা কিংবা পুরির সঙ্গে
সোয়া ভুর্জি বেশ ভালো মানায়। চাইলে টিফিনেও দেওয়া যায়।
যা যা লাগবে
·
সোয়া চাঙ্কস বা সোয়া
কিমা : দেড় কাপ
·
পেঁয়াজ : ২টি, কুচি
করা
·
টমেটো : ২টি, কুচি
করা
·
কাঁচালঙ্কা : ২টি,
কুচি করা
·
আদা-রসুন বাটা :
১ টেবিল চামচ
·
ক্যাপসিকাম : আধা
কাপ, কুচি করা
· জিরা : ১ চা চামচ
·
হিং : এক-চতুর্থাংশ
চা চামচ
·
হলুদ : ১ চা চামচ
·
ধনে গুঁড়া : ১ চা
চামচ
·
কাশ্মীরি লঙ্কার
গুঁড়া : ১ চা চামচ
·
পাভ ভাজি মশলা : ১ চা চামচ
· কসুরি মেথি : ১ টেবিল
চামচ
·
পাতিলেবুর রস : ১
টেবিল চামচ
·
তেল বা মাখন : ২
টেবিল চামচ
·
ধনেপাতা : কুচি করা
· লবন : স্বাদমতো
যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে একটি পাত্রে পানি গরম
করে তাতে সামান্য নুন দিন। ফুটন্ত পানিতে সোয়া চাঙ্কস দিয়ে ৫ থেকে ৭ মিনিট সেদ্ধ করুন।
নরম হয়ে এলে পানি ঝরিয়ে ঠান্ডা পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে নিন।
এরপর হাত দিয়ে চেপে সোয়া থেকে
অতিরিক্ত পানি বের করে ফেলুন। এই ধাপটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সোয়ার মধ্যে বেশি পানি থাকলে
মশলার স্বাদ ভালোভাবে ভেতরে ঢুকবে না।
এবার সেদ্ধ সোয়া মিক্সারে দিয়ে
একেবারে মিহি না করে কয়েকবার পালস করুন। সোয়া যেন কিমার মতো একটু দরদরা থাকে, সেদিকে
খেয়াল রাখুন।
কড়াইয়ে তেল বা মাখন গরম করে জিরে
ও হিং দিন। জিরে ফুটতে শুরু করলে কুচি করা পেঁয়াজ ও কাঁচালঙ্কা দিয়ে ভাজুন। এরপর আদা-রসুন
বাটা দিয়ে পেঁয়াজ হালকা সোনালি হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
এবার ক্যাপসিকাম ও টমেটো যোগ
করুন। এর সঙ্গে হলুদ, ধনে গুঁড়া, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়া, পাভ ভাজি মশলা এবং প্রয়োজনমতো
নুন দিন। সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে কড়াই ঢেকে কম আঁচে ৩ থেকে ৪ মিনিট রান্না করুন।
টমেটো নরম হয়ে গেলে ঢাকনা খুলে
মশলা ভালোভাবে কষিয়ে নিন। মশলা থেকে তেল আলাদা হতে শুরু করলে বুঝতে হবে তা প্রায় প্রস্তুত।
এবার দরদরা করে রাখা সোয়া কড়াইয়ে
দিয়ে মশলার সঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। মাঝারি আঁচে আরও ৪ থেকে ৫ মিনিট রান্না করুন।
মাঝে নেড়ে দিন, যাতে সোয়া মশলার স্বাদ ভালোভাবে শুষে নেয়।
সবশেষে হাতে ঘষে কসুরি মেথি ছড়িয়ে
দিন। পাতিলেবুর রস ও কুচি করা ধনেপাতা মিশিয়ে আরও এক মিনিট রান্না করে চুলা বন্ধ করুন।
তৈরি হয়ে গেল ঝালঝাল ও মশলাদার
সোয়া ভুর্জি। গরম রুটি, পরোটা বা পুরির সঙ্গে পরিবেশন করতে পারেন। চাইলে টিফিনের জন্যও
আগে থেকে তৈরি করে রাখা যায়। রোজকার সয়াবিনের ঝোলের বদলে স্বাদ ও প্রোটিন—দুই দিক থেকেই
এটি হতে পারে মেনুতে রাখার মতো একটি সহজ পদ।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রতিদিনের দুপুরের খাবারে একই ধরনের সয়াবিনের ঝোল খেতে অনেকেরই একঘেয়ে লাগতে পারে। অথচ সামান্য মশলা আর কয়েকটি সবজি দিয়ে সয়াবিনেই তৈরি করা যায় ভিন্ন স্বাদের একটি পদ। ঝালঝাল ও মশলাদার স্বাদের সোয়া কিমা হতে পারে এমনই একটি সহজ বিকল্প।
সোয়া চাঙ্কস বা সোয়া কিমা, পেঁয়াজ,
টমেটো, ক্যাপসিকাম ও কয়েক ধরনের মশলা দিয়ে অল্প সময়েই তৈরি করা যায় এই পদ। স্বাদের
পাশাপাশি সোয়া প্রোটিনেরও ভালো উৎস। ফলে নিরামিষ খাবারের তালিকায় প্রোটিনের পরিমাণ বাড়াতে
চাইলে এটি রাখতে পারেন।
রুটি, পরোটা কিংবা পুরির সঙ্গে
সোয়া ভুর্জি বেশ ভালো মানায়। চাইলে টিফিনেও দেওয়া যায়।
যা যা লাগবে
·
সোয়া চাঙ্কস বা সোয়া
কিমা : দেড় কাপ
·
পেঁয়াজ : ২টি, কুচি
করা
·
টমেটো : ২টি, কুচি
করা
·
কাঁচালঙ্কা : ২টি,
কুচি করা
·
আদা-রসুন বাটা :
১ টেবিল চামচ
·
ক্যাপসিকাম : আধা
কাপ, কুচি করা
· জিরা : ১ চা চামচ
·
হিং : এক-চতুর্থাংশ
চা চামচ
·
হলুদ : ১ চা চামচ
·
ধনে গুঁড়া : ১ চা
চামচ
·
কাশ্মীরি লঙ্কার
গুঁড়া : ১ চা চামচ
·
পাভ ভাজি মশলা : ১ চা চামচ
· কসুরি মেথি : ১ টেবিল
চামচ
·
পাতিলেবুর রস : ১
টেবিল চামচ
·
তেল বা মাখন : ২
টেবিল চামচ
·
ধনেপাতা : কুচি করা
· লবন : স্বাদমতো
যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে একটি পাত্রে পানি গরম
করে তাতে সামান্য নুন দিন। ফুটন্ত পানিতে সোয়া চাঙ্কস দিয়ে ৫ থেকে ৭ মিনিট সেদ্ধ করুন।
নরম হয়ে এলে পানি ঝরিয়ে ঠান্ডা পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে নিন।
এরপর হাত দিয়ে চেপে সোয়া থেকে
অতিরিক্ত পানি বের করে ফেলুন। এই ধাপটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সোয়ার মধ্যে বেশি পানি থাকলে
মশলার স্বাদ ভালোভাবে ভেতরে ঢুকবে না।
এবার সেদ্ধ সোয়া মিক্সারে দিয়ে
একেবারে মিহি না করে কয়েকবার পালস করুন। সোয়া যেন কিমার মতো একটু দরদরা থাকে, সেদিকে
খেয়াল রাখুন।
কড়াইয়ে তেল বা মাখন গরম করে জিরে
ও হিং দিন। জিরে ফুটতে শুরু করলে কুচি করা পেঁয়াজ ও কাঁচালঙ্কা দিয়ে ভাজুন। এরপর আদা-রসুন
বাটা দিয়ে পেঁয়াজ হালকা সোনালি হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
এবার ক্যাপসিকাম ও টমেটো যোগ
করুন। এর সঙ্গে হলুদ, ধনে গুঁড়া, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়া, পাভ ভাজি মশলা এবং প্রয়োজনমতো
নুন দিন। সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে কড়াই ঢেকে কম আঁচে ৩ থেকে ৪ মিনিট রান্না করুন।
টমেটো নরম হয়ে গেলে ঢাকনা খুলে
মশলা ভালোভাবে কষিয়ে নিন। মশলা থেকে তেল আলাদা হতে শুরু করলে বুঝতে হবে তা প্রায় প্রস্তুত।
এবার দরদরা করে রাখা সোয়া কড়াইয়ে
দিয়ে মশলার সঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। মাঝারি আঁচে আরও ৪ থেকে ৫ মিনিট রান্না করুন।
মাঝে নেড়ে দিন, যাতে সোয়া মশলার স্বাদ ভালোভাবে শুষে নেয়।
সবশেষে হাতে ঘষে কসুরি মেথি ছড়িয়ে
দিন। পাতিলেবুর রস ও কুচি করা ধনেপাতা মিশিয়ে আরও এক মিনিট রান্না করে চুলা বন্ধ করুন।
তৈরি হয়ে গেল ঝালঝাল ও মশলাদার
সোয়া ভুর্জি। গরম রুটি, পরোটা বা পুরির সঙ্গে পরিবেশন করতে পারেন। চাইলে টিফিনের জন্যও
আগে থেকে তৈরি করে রাখা যায়। রোজকার সয়াবিনের ঝোলের বদলে স্বাদ ও প্রোটিন—দুই দিক থেকেই
এটি হতে পারে মেনুতে রাখার মতো একটি সহজ পদ।

আপনার মতামত লিখুন