প্রাথমিক শিক্ষায় বিশেষ অবদান, শ্রেণিকক্ষে চমৎকার পাঠদান ও শিক্ষার্থীদের প্রতি নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে উপজেলা পর্যায়ে তিন শিক্ষককে ‘গুণী শিক্ষক’ নির্বাচিত করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
স্বীকৃতি পাওয়া তিন শিক্ষক হলেন–কুঞ্জবন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. একরামুল কবীর, ভাড়াউড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কল্যাণ দেব এবং ফটকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাদিরা আক্তার।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে এই নির্বাচন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এতে সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা জ্যোতিষ রঞ্জন দাসও উপস্থিত ছিলেন।
মূলত শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা, ইতিবাচক মনোভাব ও বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রমে ধারাবাহিক অবদানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই তাদের বেছে নেওয়া হয়। শিক্ষা-সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের মূল্যায়ন কেবল নির্বাচিতদেরই নয়, অন্য শিক্ষকদেরও নিবেদিত হয়ে কাজ করতে উৎসাহিত করবে–যা শেষ পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক গুণগত মান বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রাথমিক শিক্ষায় বিশেষ অবদান, শ্রেণিকক্ষে চমৎকার পাঠদান ও শিক্ষার্থীদের প্রতি নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে উপজেলা পর্যায়ে তিন শিক্ষককে ‘গুণী শিক্ষক’ নির্বাচিত করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
স্বীকৃতি পাওয়া তিন শিক্ষক হলেন–কুঞ্জবন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. একরামুল কবীর, ভাড়াউড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কল্যাণ দেব এবং ফটকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাদিরা আক্তার।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে এই নির্বাচন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এতে সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা জ্যোতিষ রঞ্জন দাসও উপস্থিত ছিলেন।
মূলত শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা, ইতিবাচক মনোভাব ও বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রমে ধারাবাহিক অবদানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই তাদের বেছে নেওয়া হয়। শিক্ষা-সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের মূল্যায়ন কেবল নির্বাচিতদেরই নয়, অন্য শিক্ষকদেরও নিবেদিত হয়ে কাজ করতে উৎসাহিত করবে–যা শেষ পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক গুণগত মান বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন