দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নওগাঁর সাপাহারে বিশেষ অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী রিং জাল উদ্ধার করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার মহিষডাঙ্গা ঘাট এলাকায় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে ৬টি কারেন্ট জাল ও ১টি অবৈধ চায়না দুয়ারী রিং জাল উদ্ধার করা হয়। পরে জব্দকৃত জালগুলো ঘটনাস্থলেই জনসম্মুখে পুড়িয়ে ফেলা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শামীম রেজা।
মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সাপাহারের ঐতিহ্যবাহী জবই বিলের বিভিন্ন খাড়ি, মহিষডাঙ্গা খাড়ি ও পুনর্ভবা নদীতে দীর্ঘদিন ধরে অসাধু কিছু মৎস্যজীবী নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে মাছ শিকার করে আসছিলেন। এসব জালের ফাঁদে ছোট-বড় মাছের পোনার পাশাপাশি অন্যান্য জলজ প্রাণীও ধ্বংস হচ্ছে, যা দেশীয় মাছের প্রজনন ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শামীম রেজা জানান, দেশীয় মাছ ও জলজ সম্পদ রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় নিয়মিত এ ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে। নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এই তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নওগাঁর সাপাহারে বিশেষ অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী রিং জাল উদ্ধার করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার মহিষডাঙ্গা ঘাট এলাকায় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে ৬টি কারেন্ট জাল ও ১টি অবৈধ চায়না দুয়ারী রিং জাল উদ্ধার করা হয়। পরে জব্দকৃত জালগুলো ঘটনাস্থলেই জনসম্মুখে পুড়িয়ে ফেলা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শামীম রেজা।
মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সাপাহারের ঐতিহ্যবাহী জবই বিলের বিভিন্ন খাড়ি, মহিষডাঙ্গা খাড়ি ও পুনর্ভবা নদীতে দীর্ঘদিন ধরে অসাধু কিছু মৎস্যজীবী নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে মাছ শিকার করে আসছিলেন। এসব জালের ফাঁদে ছোট-বড় মাছের পোনার পাশাপাশি অন্যান্য জলজ প্রাণীও ধ্বংস হচ্ছে, যা দেশীয় মাছের প্রজনন ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শামীম রেজা জানান, দেশীয় মাছ ও জলজ সম্পদ রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় নিয়মিত এ ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে। নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এই তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন