গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নে শেয়ালের কামড়ে নারী ও শিশুসহ অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা আক্রান্তদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বেলকা ইউনিয়নের জিগাবাড়ি ও তালুক বেলকা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এদিকে ঘটনা জানার পর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য মোট ৩৯ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একজনকে ৭ হাজার টাকা এবং বাকি ৮ জনকে ৪ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান তুলি হাসপাতালে গিয়ে আহতদের শারীরিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং সহায়তার অর্থ তুলে দেন। এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. কামরুল হাসান, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান এবং বেলকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ একটি শেয়াল জঙ্গল থেকে বেরিয়ে এসে জিগাবাড়ি গ্রামের মোছা. রাবেয়া বেগমকে কামড়ে দেয়। এরপর শেয়ালটি বেপরোয়া হয়ে সামনে যাকে পায় তাকেই কামড়াতে থাকে। একে একে ৯ জনকে কামড়ানোর পর আহতদের চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে শেয়ালটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেন। শেয়ালের কামড়ে আক্রান্তরা হলেন–রাবেয়া বেগম, মো. রাকিবুল হাসান, মো. এনামুল হক, মোছা. আয়েশা আক্তার, মো. হাসান মিয়া, মোছা. নিলী বেগম, মো. সাদেকা হোসেন, মোছা. আফরুজা বেগম ও মো. শাওন মিয়া।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, 'ঘটনার পরপরই আক্রান্তদের বাড়িতে গিয়ে তাদের হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিই। শেয়ালটি জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। সে কারণেই উন্মত্তের মতো একের পর এক মানুষকে কামড়েছে।'
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামরুল হাসান জানান, আক্রান্তদের হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। তাদের অনেকেই চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন এবং বর্তমানে একজন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নে শেয়ালের কামড়ে নারী ও শিশুসহ অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা আক্রান্তদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বেলকা ইউনিয়নের জিগাবাড়ি ও তালুক বেলকা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এদিকে ঘটনা জানার পর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য মোট ৩৯ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একজনকে ৭ হাজার টাকা এবং বাকি ৮ জনকে ৪ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান তুলি হাসপাতালে গিয়ে আহতদের শারীরিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং সহায়তার অর্থ তুলে দেন। এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. কামরুল হাসান, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান এবং বেলকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ একটি শেয়াল জঙ্গল থেকে বেরিয়ে এসে জিগাবাড়ি গ্রামের মোছা. রাবেয়া বেগমকে কামড়ে দেয়। এরপর শেয়ালটি বেপরোয়া হয়ে সামনে যাকে পায় তাকেই কামড়াতে থাকে। একে একে ৯ জনকে কামড়ানোর পর আহতদের চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে শেয়ালটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেন। শেয়ালের কামড়ে আক্রান্তরা হলেন–রাবেয়া বেগম, মো. রাকিবুল হাসান, মো. এনামুল হক, মোছা. আয়েশা আক্তার, মো. হাসান মিয়া, মোছা. নিলী বেগম, মো. সাদেকা হোসেন, মোছা. আফরুজা বেগম ও মো. শাওন মিয়া।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, 'ঘটনার পরপরই আক্রান্তদের বাড়িতে গিয়ে তাদের হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিই। শেয়ালটি জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। সে কারণেই উন্মত্তের মতো একের পর এক মানুষকে কামড়েছে।'
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামরুল হাসান জানান, আক্রান্তদের হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। তাদের অনেকেই চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন এবং বর্তমানে একজন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

আপনার মতামত লিখুন