সংবাদ

জামালপুরে শিশু ধর্ষণ মামলা : ৩ সপ্তাহ পরও গ্রেপ্তার হয়নি আসামি


প্রতিনিধি, জামালপুর
প্রতিনিধি, জামালপুর
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৯ এএম

জামালপুরে শিশু ধর্ষণ মামলা : ৩ সপ্তাহ পরও গ্রেপ্তার হয়নি আসামি
ছবি : সংগৃহীত

জামালপুর সদর উপজেলায় ১৩ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়েরের তিন সপ্তাহ পার হলেও আসামি মো. সুজনকে (৩৬) গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এতে ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ আগস্ট বিকেলে সদর উপজেলার বারুয়ামারী মন্ডলবাড়ী এলাকায় এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থী। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন বিকেলে শিশুটি বাড়ির কাছে একটি পরিত্যক্ত ঘরের সামনে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলছিল। এ সময় প্রতিবেশী মৃত আবু খালেক আকন্দের ছেলে মো. সুজন মোবাইল ফোনে ভিডিও দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে শিশুদের ডেকে নেন। পরে অন্য শিশুদের তাড়িয়ে দিয়ে ওই শিশুকে নানা প্রলোভন ও ভয় দেখিয়ে পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। বিষয়টি কাউকে জানালে ক্ষতি করার হুমকিও দেওয়া হয়। ঘটনার পর শিশুটি বাড়িতে ফিরে অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করলে তার মা কারণ জানতে চান। একপর্যায়ে শিশুটি বিস্তারিত জানায়। পরে ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে বিচার দাবি করলে সুজন তাদের গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় অভিযোগ দিলে গত ১ সেপ্টেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নথিভুক্ত করা হয়।মামলা হওয়ার পর তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। স্থানীয় বাসিন্দারাও অবিলম্বে আসামিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

বারুয়ামারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) শাহাজাদা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত সুজন পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


জামালপুরে শিশু ধর্ষণ মামলা : ৩ সপ্তাহ পরও গ্রেপ্তার হয়নি আসামি

প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

জামালপুর সদর উপজেলায় ১৩ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়েরের তিন সপ্তাহ পার হলেও আসামি মো. সুজনকে (৩৬) গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এতে ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ আগস্ট বিকেলে সদর উপজেলার বারুয়ামারী মন্ডলবাড়ী এলাকায় এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থী। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন বিকেলে শিশুটি বাড়ির কাছে একটি পরিত্যক্ত ঘরের সামনে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলছিল। এ সময় প্রতিবেশী মৃত আবু খালেক আকন্দের ছেলে মো. সুজন মোবাইল ফোনে ভিডিও দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে শিশুদের ডেকে নেন। পরে অন্য শিশুদের তাড়িয়ে দিয়ে ওই শিশুকে নানা প্রলোভন ও ভয় দেখিয়ে পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। বিষয়টি কাউকে জানালে ক্ষতি করার হুমকিও দেওয়া হয়। ঘটনার পর শিশুটি বাড়িতে ফিরে অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করলে তার মা কারণ জানতে চান। একপর্যায়ে শিশুটি বিস্তারিত জানায়। পরে ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে বিচার দাবি করলে সুজন তাদের গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় অভিযোগ দিলে গত ১ সেপ্টেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নথিভুক্ত করা হয়।মামলা হওয়ার পর তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। স্থানীয় বাসিন্দারাও অবিলম্বে আসামিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

বারুয়ামারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) শাহাজাদা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত সুজন পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত