সংবাদ

নির্ধারিত সময়ে সড়ক নির্মাণে সমস্যা কোথায়


প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৫ এএম

নির্ধারিত সময়ে সড়ক নির্মাণে সমস্যা কোথায়

সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারে সময়মতো কাজ শেষ না হওয়ার প্রবণতা দেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর একটি বড় সমস্যা। ময়মনসিংহের ভালুকার মেদুয়ারী ইউনিয়ন অফিস থেকে পাঁচগাঁও বাজার সড়কের চিত্র তারই আরেকটি উদাহরণ। প্রায় তিন কোটি নয় লাখ টাকা ব্যয়ে ৩ দশমিক ৮৭৫ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নের কাজ শুরু হয় ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি। একই বছরের ১৯ নভেম্বর কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ের সাড়ে তিন বছর পরও কাজ শেষ হয়নি। অগ্রগতি মাত্র ৪৫ শতাংশ। ফলে প্রকল্পের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকার মানুষ।

সড়কটি স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন সেখানে দুই থেকে আড়াই শ যানবাহন চলাচল করে বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। বর্তমানে সড়কজুড়ে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে।

ঠিকাদার যে কাজ করেছেন, তার মান নিয়েও স্থানীয়দের প্রশ্ন রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না করা এক সমস্যা, আর নিম্নমানের কাজ আরেক সমস্যা। জনগণের টাকায় নির্মিত সড়ক যদি টেকসই না হয়, তাহলে সেই ব্যয় শেষ পর্যন্ত জনস্বার্থ রক্ষা করে না। কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করাও জরুরি।

উপজেলা প্রকৌশলী গণমাধ্যমে বলেছেন, ঠিকাদারকে বারবার চিঠি দেওয়া হলেও তিনি কাজ শেষ করেননি। এখন চুক্তি বাতিলের সুপারিশ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আমরা বলতে চাই, চুক্তি বাতিলের প্রক্রিয়া যেন দীর্ঘসূত্রতার আরেক কারণ না হয়ে দাঁড়ায়। নতুন দরপত্র আহ্বান ও কাজ শুরু করতে অযথা সময়ক্ষেপণ করা যাবে না।

সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়বদ্ধতাও নিশ্চিত করা জরুরি। কাজের অগ্রগতি, গুণগত মান ও চুক্তির শর্ত পূরণের বিষয়গুলো নিয়মিত তদারক করতে হবে। প্রয়োজনে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


নির্ধারিত সময়ে সড়ক নির্মাণে সমস্যা কোথায়

প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারে সময়মতো কাজ শেষ না হওয়ার প্রবণতা দেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর একটি বড় সমস্যা। ময়মনসিংহের ভালুকার মেদুয়ারী ইউনিয়ন অফিস থেকে পাঁচগাঁও বাজার সড়কের চিত্র তারই আরেকটি উদাহরণ। প্রায় তিন কোটি নয় লাখ টাকা ব্যয়ে ৩ দশমিক ৮৭৫ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নের কাজ শুরু হয় ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি। একই বছরের ১৯ নভেম্বর কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ের সাড়ে তিন বছর পরও কাজ শেষ হয়নি। অগ্রগতি মাত্র ৪৫ শতাংশ। ফলে প্রকল্পের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকার মানুষ।

সড়কটি স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন সেখানে দুই থেকে আড়াই শ যানবাহন চলাচল করে বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। বর্তমানে সড়কজুড়ে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে।

ঠিকাদার যে কাজ করেছেন, তার মান নিয়েও স্থানীয়দের প্রশ্ন রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না করা এক সমস্যা, আর নিম্নমানের কাজ আরেক সমস্যা। জনগণের টাকায় নির্মিত সড়ক যদি টেকসই না হয়, তাহলে সেই ব্যয় শেষ পর্যন্ত জনস্বার্থ রক্ষা করে না। কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করাও জরুরি।





উপজেলা প্রকৌশলী গণমাধ্যমে বলেছেন, ঠিকাদারকে বারবার চিঠি দেওয়া হলেও তিনি কাজ শেষ করেননি। এখন চুক্তি বাতিলের সুপারিশ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আমরা বলতে চাই, চুক্তি বাতিলের প্রক্রিয়া যেন দীর্ঘসূত্রতার আরেক কারণ না হয়ে দাঁড়ায়। নতুন দরপত্র আহ্বান ও কাজ শুরু করতে অযথা সময়ক্ষেপণ করা যাবে না।

সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়বদ্ধতাও নিশ্চিত করা জরুরি। কাজের অগ্রগতি, গুণগত মান ও চুক্তির শর্ত পূরণের বিষয়গুলো নিয়মিত তদারক করতে হবে। প্রয়োজনে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত