রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত করতে নিয়মিত অভিযান চালায় সিটি করপোরেশন। জনসাধারণের চলাচলের পথ উন্মুক্ত রাখা বা যানজট কমানোর জন্য এ ধরনের অভিযানের প্রয়োজন রয়েছে। তবে মিরপুরে হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে যে সংঘর্ষ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
মিরপুর ১০ নম্বর এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান চলার সময় হকারদের সঙ্গে সিটি করপোরেশনের কর্মী ও পুলিশের সংঘর্ষ হয়। সে সময় সিটি করপোরেশনের তিনটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। কয়েকটি গণমাধ্যমের গাড়ি ভাঙচুর এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগও উঠেছে। এতে শুধু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়নি, সাধারণ মানুষের চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। মিরপুর ১০ থেকে মিরপুর ১৪ নম্বর পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি। তবে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সহিংসতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। রাষ্ট্রের সম্পদে আগুন দেওয়া, যানবাহন ভাঙচুর এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলা গুরুতর অপরাধ। এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
একই সঙ্গে উচ্ছেদ অভিযানের প্রক্রিয়া নিয়েও ভাবা প্রয়োজন। হকারদের জীবিকার প্রশ্নকে উপেক্ষা করা চলে না। তারা যদি ফুটপাতে ব্যবসা করতে না পারে তাহলে তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা দরকার। কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদ করলে সমস্যার টেকসই সমাধান হবে না।
ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের। তবে সেই দায়িত্ব পালনে নির্দিষ্ট নীতি থাকা দরকার, মানবিক ব্যবস্থাপনা থাকা দরকার। না হলে একদিন উচ্ছেদ করা হবে, আরেকদিন ফুটপাত দখল হবে। অতীতে এই চিত্র দেখা গেছে। তাই ফুটপাত ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা জরুরি। নগরবাসীর নিরাপদ চলাচল যেমন নিশ্চিত করতে হবে, হকারদের জীবিকার ব্যবস্থাও করতে হবে।

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত করতে নিয়মিত অভিযান চালায় সিটি করপোরেশন। জনসাধারণের চলাচলের পথ উন্মুক্ত রাখা বা যানজট কমানোর জন্য এ ধরনের অভিযানের প্রয়োজন রয়েছে। তবে মিরপুরে হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে যে সংঘর্ষ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
মিরপুর ১০ নম্বর এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান চলার সময় হকারদের সঙ্গে সিটি করপোরেশনের কর্মী ও পুলিশের সংঘর্ষ হয়। সে সময় সিটি করপোরেশনের তিনটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। কয়েকটি গণমাধ্যমের গাড়ি ভাঙচুর এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগও উঠেছে। এতে শুধু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়নি, সাধারণ মানুষের চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। মিরপুর ১০ থেকে মিরপুর ১৪ নম্বর পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি। তবে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সহিংসতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। রাষ্ট্রের সম্পদে আগুন দেওয়া, যানবাহন ভাঙচুর এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলা গুরুতর অপরাধ। এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
একই সঙ্গে উচ্ছেদ অভিযানের প্রক্রিয়া নিয়েও ভাবা প্রয়োজন। হকারদের জীবিকার প্রশ্নকে উপেক্ষা করা চলে না। তারা যদি ফুটপাতে ব্যবসা করতে না পারে তাহলে তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা দরকার। কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদ করলে সমস্যার টেকসই সমাধান হবে না।
ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের। তবে সেই দায়িত্ব পালনে নির্দিষ্ট নীতি থাকা দরকার, মানবিক ব্যবস্থাপনা থাকা দরকার। না হলে একদিন উচ্ছেদ করা হবে, আরেকদিন ফুটপাত দখল হবে। অতীতে এই চিত্র দেখা গেছে। তাই ফুটপাত ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা জরুরি। নগরবাসীর নিরাপদ চলাচল যেমন নিশ্চিত করতে হবে, হকারদের জীবিকার ব্যবস্থাও করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন