নতুন বছর আসতে এখনো কয়েক মাস বাকি থাকলেও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের চোখ এখনই ২০২৭ সালের ক্যালেন্ডারে। কবে থেকে শুরু হতে যাচ্ছে সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র রমজান, আর কবেই বা পালিত হবে আনন্দের ঈদুল ফিতর–তা নিয়ে শুরু হয়েছে হিসেব-নিকেশ।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গাণিতিক হিসাব-নিকাশের ওপর ভিত্তি করে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখের পূর্বাভাস দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক ইংরেজি দৈনিক 'গালফ নিউজ'।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গণনা বলছে–২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে। সে হিসাবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি (রোববার) সন্ধ্যায় হিজরি নতুন মাসের চাঁদের অনুসন্ধান করা হবে। ওই দিন আকাশে চাঁদ দেখা গেলে সে রাতে প্রথম তারাবিহ নামাজ আদায় এবং সেহরি খেয়ে পরদিন সোমবার থেকে রোজা রাখা শুরু করবেন বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা।
অন্যদিকে, জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের একই গাণিতিক হিসাব নির্দেশ করছে–২০২৭ সালের ১০ মার্চ (বুধবার) উদযাপিত হতে পারে পবিত্র ঈদুল ফিতর।
তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের এই তথ্য কেবল পূর্বাভাস মাত্র। বরাবরের মতোই হিজরি মাস, পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর সূচনার বিষয়টি চাঁদ দেখার ওপরই চূড়ান্তভাবে নির্ভর করবে।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
নতুন বছর আসতে এখনো কয়েক মাস বাকি থাকলেও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের চোখ এখনই ২০২৭ সালের ক্যালেন্ডারে। কবে থেকে শুরু হতে যাচ্ছে সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র রমজান, আর কবেই বা পালিত হবে আনন্দের ঈদুল ফিতর–তা নিয়ে শুরু হয়েছে হিসেব-নিকেশ।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গাণিতিক হিসাব-নিকাশের ওপর ভিত্তি করে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখের পূর্বাভাস দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক ইংরেজি দৈনিক 'গালফ নিউজ'।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গণনা বলছে–২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে। সে হিসাবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি (রোববার) সন্ধ্যায় হিজরি নতুন মাসের চাঁদের অনুসন্ধান করা হবে। ওই দিন আকাশে চাঁদ দেখা গেলে সে রাতে প্রথম তারাবিহ নামাজ আদায় এবং সেহরি খেয়ে পরদিন সোমবার থেকে রোজা রাখা শুরু করবেন বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা।
অন্যদিকে, জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের একই গাণিতিক হিসাব নির্দেশ করছে–২০২৭ সালের ১০ মার্চ (বুধবার) উদযাপিত হতে পারে পবিত্র ঈদুল ফিতর।
তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের এই তথ্য কেবল পূর্বাভাস মাত্র। বরাবরের মতোই হিজরি মাস, পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর সূচনার বিষয়টি চাঁদ দেখার ওপরই চূড়ান্তভাবে নির্ভর করবে।

আপনার মতামত লিখুন