রাজস্থানের ঝুনঝুনুতে রাস্তা তৈরির কাজ করতে গিয়ে মুহূর্তের মধ্যে নেমে এল মৃত্যুর বিভীষিকা। যে রাস্তা তৈরি করতে গিয়ে শ্রমিকদের ঘাম ঝরছিল, সেই রাস্তার উপর দিয়েই বয়ে গেল ১১ হাজার ভোল্টের মারণবিদ্যুৎ। হাইটেনশন তারের সংস্পর্শে এল কাঁকর মেশানোর ভারী মিক্সার মেশিন। আর তার পরেই একের পর এক শ্রমিক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। মুহূর্তে বদলে গেল কর্মব্যস্ত নির্মাণস্থলের ছবি। প্রাণ হারালেন আটজন। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন আরও পাঁচজন। প্রশ্ন উঠছে, রাস্তা নির্মাণের মতো কাজে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী ব্যবস্থা ছিল?
রাজস্থানের ঝুনঝুনু জেলার ছাপোলি গ্রামের ঘটনা। সোমবার ছাপোলি থেকে কদমকুণ্ডের দিকে যাওয়ার রাস্তা নির্মাণের কাজ চলছিল। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বহু শ্রমিক। কাজের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল কাঁকর মেশানোর একটি ভারী যন্ত্র। সেই সময় আচমকাই মেশিনটি রাস্তার উপর দিয়ে যাওয়া ১১ হাজার ভোল্টের হাইটেনশন বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে আসে। মুহূর্তের মধ্যে ধাতব মেশিনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ছড়িয়ে পড়ে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন একের পর এক শ্রমিক। গুরুতরভাবে ঝলসে যান বেশ কয়েকজন।
দুর্ঘটনার পর তড়িঘড়ি উদ্ধারকাজ শুরু হয়। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা আটজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আরও পাঁচজন আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, কীভাবে ভারী মিক্সার মেশিনটি হাইটেনশন তারের সংস্পর্শে এল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রাস্তা নির্মাণের সময় বিদ্যুতের তার থেকে প্রয়োজনীয় দূরত্ব বজায় রাখা হয়েছিল কি না, শ্রমিকদের নিরাপত্তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা ছিল কি না, সেই বিষয়গুলিও তদন্তের আওতায় রয়েছে। প্রাথমিকভাবে মেশিনের সঙ্গে বিদ্যুতের তারের সংযোগ থেকেই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী পরিস্থিতিতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল, তা তদন্তের পরেই স্পষ্ট হবে।
এই দুর্ঘটনা ফের সামনে আনল কর্মক্ষেত্রে বিদ্যুৎ নিরাপত্তার প্রশ্ন। সামান্য অসতর্কতা কিংবা নিরাপত্তার ঘাটতি যে কত বড় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে, ছাপোলির এই ঘটনা তারই মর্মান্তিক উদাহরণ।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
রাজস্থানের ঝুনঝুনুতে রাস্তা তৈরির কাজ করতে গিয়ে মুহূর্তের মধ্যে নেমে এল মৃত্যুর বিভীষিকা। যে রাস্তা তৈরি করতে গিয়ে শ্রমিকদের ঘাম ঝরছিল, সেই রাস্তার উপর দিয়েই বয়ে গেল ১১ হাজার ভোল্টের মারণবিদ্যুৎ। হাইটেনশন তারের সংস্পর্শে এল কাঁকর মেশানোর ভারী মিক্সার মেশিন। আর তার পরেই একের পর এক শ্রমিক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। মুহূর্তে বদলে গেল কর্মব্যস্ত নির্মাণস্থলের ছবি। প্রাণ হারালেন আটজন। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন আরও পাঁচজন। প্রশ্ন উঠছে, রাস্তা নির্মাণের মতো কাজে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী ব্যবস্থা ছিল?
রাজস্থানের ঝুনঝুনু জেলার ছাপোলি গ্রামের ঘটনা। সোমবার ছাপোলি থেকে কদমকুণ্ডের দিকে যাওয়ার রাস্তা নির্মাণের কাজ চলছিল। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বহু শ্রমিক। কাজের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল কাঁকর মেশানোর একটি ভারী যন্ত্র। সেই সময় আচমকাই মেশিনটি রাস্তার উপর দিয়ে যাওয়া ১১ হাজার ভোল্টের হাইটেনশন বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে আসে। মুহূর্তের মধ্যে ধাতব মেশিনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ছড়িয়ে পড়ে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন একের পর এক শ্রমিক। গুরুতরভাবে ঝলসে যান বেশ কয়েকজন।
দুর্ঘটনার পর তড়িঘড়ি উদ্ধারকাজ শুরু হয়। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা আটজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আরও পাঁচজন আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, কীভাবে ভারী মিক্সার মেশিনটি হাইটেনশন তারের সংস্পর্শে এল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রাস্তা নির্মাণের সময় বিদ্যুতের তার থেকে প্রয়োজনীয় দূরত্ব বজায় রাখা হয়েছিল কি না, শ্রমিকদের নিরাপত্তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা ছিল কি না, সেই বিষয়গুলিও তদন্তের আওতায় রয়েছে। প্রাথমিকভাবে মেশিনের সঙ্গে বিদ্যুতের তারের সংযোগ থেকেই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী পরিস্থিতিতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল, তা তদন্তের পরেই স্পষ্ট হবে।
এই দুর্ঘটনা ফের সামনে আনল কর্মক্ষেত্রে বিদ্যুৎ নিরাপত্তার প্রশ্ন। সামান্য অসতর্কতা কিংবা নিরাপত্তার ঘাটতি যে কত বড় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে, ছাপোলির এই ঘটনা তারই মর্মান্তিক উদাহরণ।

আপনার মতামত লিখুন