যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা সফল করতে এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জনসমক্ষে কঠোর ভাষা ব্যবহার থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে পাকিস্তান। ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
পাকিস্তান বর্তমানে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর
ভূমিকা পালন করছে। আলোচনার পরিবেশ বজায় রাখতে এবং কোনো পক্ষই যাতে উস্কানিমূলক মন্তব্যের
কারণে পিছিয়ে না যায়, সেজন্যই ট্রাম্পকে সংযত থাকার এই বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের
একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা ইতোমধ্যে ইরানের কাছ থেকে ইতিবাচক সংকেত পেয়েছেন।
পাকিস্তান অত্যন্ত আশাবাদী যে, আগামী দুই দিনের মধ্যেই ইরানের প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে
পৌঁছাবে এবং আলোচনায় অংশ নেবে।
দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চরম উত্তেজনা ও
টানাপোড়েন চললেও মাঝেমধ্যেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা
করা হয়। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কড়া হুঁশিয়ারির মুখে যখন আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম
হয়েছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে পাকিস্তানের এই মধ্যস্থতা দুই দেশের সম্পর্ককে আবারও আলোচনার
টেবিলে ফিরিয়ে আনার পথ তৈরি করছে।
ইসলামাবাদে এই মেগা-বৈঠক আয়োজনের জন্য এরই মধ্যে নজিরবিহীন
নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এখন বিশ্ববাসীর নজর রয়েছে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়ার
দিকে তিনি কি পাকিস্তানের এই অনুরোধ মেনে সুর নরম করবেন, নাকি নিজের অনড় অবস্থানেই
অবিচল থাকবেন।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা সফল করতে এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জনসমক্ষে কঠোর ভাষা ব্যবহার থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে পাকিস্তান। ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
পাকিস্তান বর্তমানে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর
ভূমিকা পালন করছে। আলোচনার পরিবেশ বজায় রাখতে এবং কোনো পক্ষই যাতে উস্কানিমূলক মন্তব্যের
কারণে পিছিয়ে না যায়, সেজন্যই ট্রাম্পকে সংযত থাকার এই বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের
একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা ইতোমধ্যে ইরানের কাছ থেকে ইতিবাচক সংকেত পেয়েছেন।
পাকিস্তান অত্যন্ত আশাবাদী যে, আগামী দুই দিনের মধ্যেই ইরানের প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে
পৌঁছাবে এবং আলোচনায় অংশ নেবে।
দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চরম উত্তেজনা ও
টানাপোড়েন চললেও মাঝেমধ্যেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা
করা হয়। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কড়া হুঁশিয়ারির মুখে যখন আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম
হয়েছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে পাকিস্তানের এই মধ্যস্থতা দুই দেশের সম্পর্ককে আবারও আলোচনার
টেবিলে ফিরিয়ে আনার পথ তৈরি করছে।
ইসলামাবাদে এই মেগা-বৈঠক আয়োজনের জন্য এরই মধ্যে নজিরবিহীন
নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এখন বিশ্ববাসীর নজর রয়েছে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়ার
দিকে তিনি কি পাকিস্তানের এই অনুরোধ মেনে সুর নরম করবেন, নাকি নিজের অনড় অবস্থানেই
অবিচল থাকবেন।

আপনার মতামত লিখুন