সংবাদ

চুইঝাল চাষে তপনের বাজিমাত, শুরুতেই মিলল সাফল্য


প্রতিনিধি, মধুপুর (টাঙ্গাইল)
প্রতিনিধি, মধুপুর (টাঙ্গাইল)
প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২০ পিএম

চুইঝাল চাষে তপনের বাজিমাত, শুরুতেই মিলল সাফল্য
ছবি : সংবাদ

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে চুইঝাল চাষে সফল হয়েছেন শৌখিন কৃষক তপন কুমার বর্ধন (৪৫)। এ অঞ্চলে আগে কখনো চাষ না হওয়া এই নতুন ও সম্ভাবনাময় মসলা চাষে তিনি প্রথমবারই সাফল্যের মুখ দেখছেন। শুধু চুইঝালই নয়, তার বসতবাড়িতে গড়ে তুলেছেন নানা দুর্লভ লতা ও ওষুধি গাছের উদ্যান।

ধনবাড়ী হর্টিকালচার সেন্টার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ‘মসলার উন্নত জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প’-এর আওতায় ১০ শতাংশ জমিতে চুইঝাল চাষ শুরু করেন তপন কুমার। আগে এই মসলা ফসল সম্পর্কে কোনো ধারণা না থাকলেও হর্টিকালচার সেন্টারের প্রশিক্ষণ ও উপকরণ সহায়তা তাকে উদ্বুদ্ধ করে। প্রকল্পটি থেকে তাকে উন্নত জাতের চারা, সার ও বালাইনাশকসহ যাবতীয় কারিগরি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে তপন কুমারের বাগানের গাছগুলো বেশ সতেজ ও সবলভাবে বেড়ে উঠছে। এখনো মূল ফসল সংগ্রহ শুরু না হলেও এর মধ্যেই তিনি কাটিং পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন করে বাড়তি আয় শুরু করেছেন। এ পর্যন্ত প্রায় ৪০০টি চারা বিক্রি করেছেন তিনি। প্রতি চারা ৫০ টাকা দরে বিক্রি করে তিনি প্রায় ২০ হাজার টাকা আয় করেছেন। স্থানীয় কৃষক ও নার্সারি মালিকেরা এখন তার কাছ থেকে চারা সংগ্রহ করছেন।

কৃষক তপন কুমার বর্ধন বলেন, ‘আগে কখনো চুইঝাল চাষ করিনি। হর্টিকালচার সেন্টারের পরামর্শে ১০ শতাংশ জমিতে পরীক্ষা শুরু করি। এখন ফলন আসা শুরু হয়েছে। নতুন এই ফসল চাষ করে আমি আনন্দিত এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ আশাবাদী।’

ধনবাড়ী হর্টিকালচার সেন্টারের উদ্যানতত্ত্ববিদ মো. রাসেল পারভেজ তমাল বলেন, চুইঝাল এ অঞ্চলে একটি নতুন ফসল। প্রকল্পের মাধ্যমে এটি সফলভাবে সম্প্রসারণ করা সম্ভব হয়েছে, যা স্থানীয় মসলা উৎপাদনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে। চারা উৎপাদন একটি লাভজনক খাত হিসেবে দাঁড়িয়েছে এবং এর বাণিজ্যিক উৎপাদন বাড়লে কৃষকদের আয় বহুগুণ বাড়বে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬


চুইঝাল চাষে তপনের বাজিমাত, শুরুতেই মিলল সাফল্য

প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে চুইঝাল চাষে সফল হয়েছেন শৌখিন কৃষক তপন কুমার বর্ধন (৪৫)। এ অঞ্চলে আগে কখনো চাষ না হওয়া এই নতুন ও সম্ভাবনাময় মসলা চাষে তিনি প্রথমবারই সাফল্যের মুখ দেখছেন। শুধু চুইঝালই নয়, তার বসতবাড়িতে গড়ে তুলেছেন নানা দুর্লভ লতা ও ওষুধি গাছের উদ্যান।

ধনবাড়ী হর্টিকালচার সেন্টার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ‘মসলার উন্নত জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প’-এর আওতায় ১০ শতাংশ জমিতে চুইঝাল চাষ শুরু করেন তপন কুমার। আগে এই মসলা ফসল সম্পর্কে কোনো ধারণা না থাকলেও হর্টিকালচার সেন্টারের প্রশিক্ষণ ও উপকরণ সহায়তা তাকে উদ্বুদ্ধ করে। প্রকল্পটি থেকে তাকে উন্নত জাতের চারা, সার ও বালাইনাশকসহ যাবতীয় কারিগরি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে তপন কুমারের বাগানের গাছগুলো বেশ সতেজ ও সবলভাবে বেড়ে উঠছে। এখনো মূল ফসল সংগ্রহ শুরু না হলেও এর মধ্যেই তিনি কাটিং পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন করে বাড়তি আয় শুরু করেছেন। এ পর্যন্ত প্রায় ৪০০টি চারা বিক্রি করেছেন তিনি। প্রতি চারা ৫০ টাকা দরে বিক্রি করে তিনি প্রায় ২০ হাজার টাকা আয় করেছেন। স্থানীয় কৃষক ও নার্সারি মালিকেরা এখন তার কাছ থেকে চারা সংগ্রহ করছেন।

কৃষক তপন কুমার বর্ধন বলেন, ‘আগে কখনো চুইঝাল চাষ করিনি। হর্টিকালচার সেন্টারের পরামর্শে ১০ শতাংশ জমিতে পরীক্ষা শুরু করি। এখন ফলন আসা শুরু হয়েছে। নতুন এই ফসল চাষ করে আমি আনন্দিত এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ আশাবাদী।’

ধনবাড়ী হর্টিকালচার সেন্টারের উদ্যানতত্ত্ববিদ মো. রাসেল পারভেজ তমাল বলেন, চুইঝাল এ অঞ্চলে একটি নতুন ফসল। প্রকল্পের মাধ্যমে এটি সফলভাবে সম্প্রসারণ করা সম্ভব হয়েছে, যা স্থানীয় মসলা উৎপাদনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে। চারা উৎপাদন একটি লাভজনক খাত হিসেবে দাঁড়িয়েছে এবং এর বাণিজ্যিক উৎপাদন বাড়লে কৃষকদের আয় বহুগুণ বাড়বে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত