সংবাদ

গজারিয়ায় দিনে-রাতে ৭ ঘণ্টা লোডশেডিং, তীব্র গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত


প্রতিনিধি, গজারিয়া (মুন্সিগঞ্জ)
প্রতিনিধি, গজারিয়া (মুন্সিগঞ্জ)
প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৮ পিএম

গজারিয়ায় দিনে-রাতে ৭ ঘণ্টা লোডশেডিং, তীব্র গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত
ছবি : সংগৃহীত

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দিনে-রাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন গড়ে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিনে-রাতে কয়েক দফা বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি না থাকায় ভোগান্তি আরও বেড়েছে। এতে গৃহস্থালি কাজ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও ব্যবসা-বাণিজ্যে মারাত্মক প্রভাব পড়ছে।

বিশেষ করে সন্ধ্যার পর দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছে না। অন্যদিকে, ফ্রিজ-নির্ভর দোকান, ওয়ার্কশপ ও কলকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। তীব্র গরমে শিশু ও বয়স্করা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক এলাকায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ এলাকায় পানির পাম্প ও মোটর বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় মানুষ দ্বিমুখী সংকটে পড়েছে।

কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. মজিবুল হক বলেন, ‘সমিতির আওতাধীন এলাকায় চাহিদা ১৬২ মেগাওয়াট, কিন্তু আমরা পাচ্ছি মাত্র ৮৮ মেগাওয়াট। চাহিদার প্রায় অর্ধেক সরবরাহ পাওয়ায় বাধ্য হয়েই লোডশেডিং করতে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, তীব্র গরমে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়া এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের ঘাটতিই এই সংকটের প্রধান কারণ।

গজারিয়ায় দ্রুত শিল্পায়ন ও কলকারখানা বাড়ার ফলে গত কয়েক বছরে বিদ্যুতের চাহিদা কয়েক গুণ বেড়েছে। তবে সরবরাহ না বাড়ায় প্রতিবছর গরমের মৌসুমে লোডশেডিং প্রকট আকার ধারণ করে। স্থানীয়রা এই সংকটের স্থায়ী সমাধান অথবা অন্তত একটি সুনির্দিষ্ট লোডশেডিং সূচি দাবি করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬


গজারিয়ায় দিনে-রাতে ৭ ঘণ্টা লোডশেডিং, তীব্র গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত

প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দিনে-রাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন গড়ে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিনে-রাতে কয়েক দফা বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি না থাকায় ভোগান্তি আরও বেড়েছে। এতে গৃহস্থালি কাজ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও ব্যবসা-বাণিজ্যে মারাত্মক প্রভাব পড়ছে।

বিশেষ করে সন্ধ্যার পর দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছে না। অন্যদিকে, ফ্রিজ-নির্ভর দোকান, ওয়ার্কশপ ও কলকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। তীব্র গরমে শিশু ও বয়স্করা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক এলাকায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ এলাকায় পানির পাম্প ও মোটর বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় মানুষ দ্বিমুখী সংকটে পড়েছে।

কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. মজিবুল হক বলেন, ‘সমিতির আওতাধীন এলাকায় চাহিদা ১৬২ মেগাওয়াট, কিন্তু আমরা পাচ্ছি মাত্র ৮৮ মেগাওয়াট। চাহিদার প্রায় অর্ধেক সরবরাহ পাওয়ায় বাধ্য হয়েই লোডশেডিং করতে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, তীব্র গরমে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়া এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের ঘাটতিই এই সংকটের প্রধান কারণ।

গজারিয়ায় দ্রুত শিল্পায়ন ও কলকারখানা বাড়ার ফলে গত কয়েক বছরে বিদ্যুতের চাহিদা কয়েক গুণ বেড়েছে। তবে সরবরাহ না বাড়ায় প্রতিবছর গরমের মৌসুমে লোডশেডিং প্রকট আকার ধারণ করে। স্থানীয়রা এই সংকটের স্থায়ী সমাধান অথবা অন্তত একটি সুনির্দিষ্ট লোডশেডিং সূচি দাবি করেছেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত