ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়ার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের নিয়ে ‘কুরুচিপূর্ণ ও বিরূপ’ মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই বিএনপি নেতাকে বিবাদী করে বৃহস্পতিবার রাতে চরফ্যাশন থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সভাপতি জুলফিকার মাহমুদ নিয়াজ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার দুপুরে চরফ্যাশন উপজেলা পরিষদ হলরুমে নবাগত ইউএনও’র যোগদান উপলক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বক্তব্য দেন মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়া। অভিযোগ, ওই বক্তব্যে তিনি উপজেলার সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে আপত্তিকর ও অশালীন শব্দ ব্যবহার করেন।
ওই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সাংবাদিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অভিযোগ, ভিডিওটি মালতিয়া নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকেও আপলোড করেছেন।
চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সভাপতি জুলফিকার মাহমুদ নিয়াজ জানান, তারা প্রথমে মালতিয়াকে তিন দিনের সময় দিয়ে আপত্তিকর বক্তব্যের পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ জবাব দিতে লিখিতভাবে জানান। কিন্তু তিনি জবাব না দিয়ে উল্টো ফেসবুকে আবারও উস্কানিমূলক পোস্ট দিয়েছেন।
জুলফিকার মাহমুদ নিয়াজ বলেন, ‘ঢালাওভাবে সাংবাদিকদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য অত্যন্ত নিচু মানসিকতার পরিচয়। এটি সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক আঘাত। আমরা আইনের শাসন ও সাংবাদিকতার মর্যাদা রক্ষায় আইনি প্রতিকার চেয়েছি।’
স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ব্যক্তিগত আক্রমণে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছেন, সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া এ ধরনের মন্তব্য অপ্রত্যাশিত। তারা মনে করছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা বা ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকেই এমন মন্তব্য হতে পারে।উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চরফ্যাশনের সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্ত নেতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
অভিযুক্ত মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
উপজেলা বিএনপির এক দায়িত্বশীল নেতা, নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘দল কখনো কারও ব্যক্তিগত কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যকে সমর্থন করে না। এটি তার ব্যক্তিগত বিষয়।’
চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খলিলুর রহমান জানান, ‘প্রেসক্লাব সভাপতির অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরি হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়ার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের নিয়ে ‘কুরুচিপূর্ণ ও বিরূপ’ মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই বিএনপি নেতাকে বিবাদী করে বৃহস্পতিবার রাতে চরফ্যাশন থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সভাপতি জুলফিকার মাহমুদ নিয়াজ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার দুপুরে চরফ্যাশন উপজেলা পরিষদ হলরুমে নবাগত ইউএনও’র যোগদান উপলক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বক্তব্য দেন মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়া। অভিযোগ, ওই বক্তব্যে তিনি উপজেলার সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে আপত্তিকর ও অশালীন শব্দ ব্যবহার করেন।
ওই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সাংবাদিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অভিযোগ, ভিডিওটি মালতিয়া নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকেও আপলোড করেছেন।
চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সভাপতি জুলফিকার মাহমুদ নিয়াজ জানান, তারা প্রথমে মালতিয়াকে তিন দিনের সময় দিয়ে আপত্তিকর বক্তব্যের পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ জবাব দিতে লিখিতভাবে জানান। কিন্তু তিনি জবাব না দিয়ে উল্টো ফেসবুকে আবারও উস্কানিমূলক পোস্ট দিয়েছেন।
জুলফিকার মাহমুদ নিয়াজ বলেন, ‘ঢালাওভাবে সাংবাদিকদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য অত্যন্ত নিচু মানসিকতার পরিচয়। এটি সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক আঘাত। আমরা আইনের শাসন ও সাংবাদিকতার মর্যাদা রক্ষায় আইনি প্রতিকার চেয়েছি।’
স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ব্যক্তিগত আক্রমণে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছেন, সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া এ ধরনের মন্তব্য অপ্রত্যাশিত। তারা মনে করছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা বা ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকেই এমন মন্তব্য হতে পারে।উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চরফ্যাশনের সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্ত নেতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
অভিযুক্ত মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
উপজেলা বিএনপির এক দায়িত্বশীল নেতা, নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘দল কখনো কারও ব্যক্তিগত কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যকে সমর্থন করে না। এটি তার ব্যক্তিগত বিষয়।’
চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খলিলুর রহমান জানান, ‘প্রেসক্লাব সভাপতির অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরি হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন