সংবাদ

কিশোরগঞ্জে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে চাচার মৃত্যু, পুকুরে মিলল নারীর মরদেহ


প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ
প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ
প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম

কিশোরগঞ্জে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে চাচার মৃত্যু, পুকুরে মিলল নারীর মরদেহ
ছবি : সংবাদ

কিশোরগঞ্জ শহরে দোকানের মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে শামীম (৪০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে শহরের হারুয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে আজ দুপুরে সদর উপজেলার একটি পুকুর থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত শামীম হারুয়া এলাকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রংমিস্ত্রি ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, হারুয়া কলেজ রোড এলাকায় সড়কের পাশের একটি দোকানের মালিকানা নিয়ে শামীমের সঙ্গে তার ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে লিংকনের (৩০) দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। দোকানটি লিংকন দখলে নিয়ে ভাড়া দিয়েছিলেন। সকালে শামীম ওই দোকানে গিয়ে ভাড়াটিয়াকে দোকান ছেড়ে দেওয়ার তাগাদা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে লিংকন শামীমের সঙ্গে ঝগড়ায় লিপ্ত হন। একপর্যায়ে লিংকন মারতে উদ্যত হলে শামীম প্রাণভয়ে দৌড়ে নিজের ঘরে আশ্রয় নেন। এ সময় লিংকন ঘরের ভেতর ঢুকে শামীমকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম ভূঁইয়া বলেন, দোকানের মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। অভিযুক্ত লিংকনকে ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।

এদিকে আজ বেলা ১১টার দিকে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার সাদুল্লাচর এলাকার একটি পুকুর থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর (৩০) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

পুলিশের ধারণা, ওই নারীকে হত্যা করে মরদেহ পুকুরে ফেলে রেখে গেছে খুনিরা। মরদেহের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬


কিশোরগঞ্জে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে চাচার মৃত্যু, পুকুরে মিলল নারীর মরদেহ

প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

কিশোরগঞ্জ শহরে দোকানের মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে শামীম (৪০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে শহরের হারুয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে আজ দুপুরে সদর উপজেলার একটি পুকুর থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত শামীম হারুয়া এলাকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রংমিস্ত্রি ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, হারুয়া কলেজ রোড এলাকায় সড়কের পাশের একটি দোকানের মালিকানা নিয়ে শামীমের সঙ্গে তার ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে লিংকনের (৩০) দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। দোকানটি লিংকন দখলে নিয়ে ভাড়া দিয়েছিলেন। সকালে শামীম ওই দোকানে গিয়ে ভাড়াটিয়াকে দোকান ছেড়ে দেওয়ার তাগাদা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে লিংকন শামীমের সঙ্গে ঝগড়ায় লিপ্ত হন। একপর্যায়ে লিংকন মারতে উদ্যত হলে শামীম প্রাণভয়ে দৌড়ে নিজের ঘরে আশ্রয় নেন। এ সময় লিংকন ঘরের ভেতর ঢুকে শামীমকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম ভূঁইয়া বলেন, দোকানের মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। অভিযুক্ত লিংকনকে ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।

এদিকে আজ বেলা ১১টার দিকে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার সাদুল্লাচর এলাকার একটি পুকুর থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর (৩০) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

পুলিশের ধারণা, ওই নারীকে হত্যা করে মরদেহ পুকুরে ফেলে রেখে গেছে খুনিরা। মরদেহের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত