দেশের শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এই লক্ষ্য অর্জনে বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশ, বিশেষ করে তুরস্ক ও মালয়েশিয়ার অভিজ্ঞতা ও সমন্বিত কার্যক্রম বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সোমবার সচিবালয়ে
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন এবং মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার
মোহা. সুহাদা ওসমান পৃথকভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তুরস্কের
রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দুই দেশের
সমন্বিত কার্যক্রম এগিয়ে গেলে উচ্চশিক্ষার মান আরও উন্নত হবে এবং ভবিষ্যতে এই
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। বৈঠকে রাষ্ট্রদূত রামিস সেন দুই দেশের
ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে বলেন, শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন
ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে অত্যন্ত দৃঢ় সম্পর্ক বিদ্যমান।
তিনি আরও
উল্লেখ করেন, এই সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে এবং তুরস্ক দুই
দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সম্পর্ক সম্প্রসারণে অত্যন্ত আগ্রহী।
পরবর্তীতে
মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
মালয়েশিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থার ভূয়সী প্রশংসা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার
উন্নয়নে মালয়েশিয়া সারা বিশ্বে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। তাদের এই অভিজ্ঞতা
বাংলাদেশেও কাজে লাগানোর ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।’
মালয়েশিয়ার
হাইকমিশনার মোহা. সুহাদা ওসমানও দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও
এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
উভয় দেশের
প্রতিনিধিদের সাথে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী গুরুত্ব দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক মানের
শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের কোনো বিকল্প নেই। দক্ষ জনশক্তি
গড়তে হলে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে ক্রেডিট ট্রান্সফার এবং যৌথ গবেষণা
কার্যক্রম আরও বাড়ানো প্রয়োজন।
এই পৃথক
বৈঠকগুলোতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দুই দেশের দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় দুই দেশের প্রতিনিধিরাই বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের
উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
দেশের শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এই লক্ষ্য অর্জনে বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশ, বিশেষ করে তুরস্ক ও মালয়েশিয়ার অভিজ্ঞতা ও সমন্বিত কার্যক্রম বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সোমবার সচিবালয়ে
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন এবং মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার
মোহা. সুহাদা ওসমান পৃথকভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তুরস্কের
রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দুই দেশের
সমন্বিত কার্যক্রম এগিয়ে গেলে উচ্চশিক্ষার মান আরও উন্নত হবে এবং ভবিষ্যতে এই
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। বৈঠকে রাষ্ট্রদূত রামিস সেন দুই দেশের
ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে বলেন, শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন
ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে অত্যন্ত দৃঢ় সম্পর্ক বিদ্যমান।
তিনি আরও
উল্লেখ করেন, এই সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে এবং তুরস্ক দুই
দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সম্পর্ক সম্প্রসারণে অত্যন্ত আগ্রহী।
পরবর্তীতে
মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
মালয়েশিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থার ভূয়সী প্রশংসা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার
উন্নয়নে মালয়েশিয়া সারা বিশ্বে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। তাদের এই অভিজ্ঞতা
বাংলাদেশেও কাজে লাগানোর ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।’
মালয়েশিয়ার
হাইকমিশনার মোহা. সুহাদা ওসমানও দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও
এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
উভয় দেশের
প্রতিনিধিদের সাথে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী গুরুত্ব দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক মানের
শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের কোনো বিকল্প নেই। দক্ষ জনশক্তি
গড়তে হলে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে ক্রেডিট ট্রান্সফার এবং যৌথ গবেষণা
কার্যক্রম আরও বাড়ানো প্রয়োজন।
এই পৃথক
বৈঠকগুলোতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দুই দেশের দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় দুই দেশের প্রতিনিধিরাই বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের
উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

আপনার মতামত লিখুন