প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ফরিদপুর সদরের ১৫৪ পরীক্ষার্থীর ওএমআর শিট কেন্দ্র থেকে হারিয়ে গেছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। ১৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়’ বিষয়ের পরীক্ষার দিন ফরিদপুর সদরের ভাটিলক্ষ্মীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ওএমআর শিট হারানোর ঘটনাটি ঘটেছে।
ভাটিলক্ষ্মীপুর
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ফরিদপুর শহরের চুনাঘাটা মোড় এলাকায় অবস্থিত।
এ কেন্দ্রে সদর উপজেলার বিভিন্ন
ইউনিয়নের শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষার
শেষ দিন ওই কেন্দ্র
থেকে ১৫৪ পরীক্ষার্থীর ওএমআর
শিট হারিয়ে যায়।
ঘটনার
সত্যতা নিশ্চিত করে সদর উপজেলা
শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ মোশাররফ সাংবাদিকদের বলেন, শেষ পরীক্ষার দিন
ওই কেন্দ্রে ওএমআর শিট হারিয়ে যাওয়ার
ঘটনা ঘটে। ওএমআর হারিয়ে
গেলেও পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়নে কোনো সমস্যা হবে
না। কেননা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট ডিভিশন (আইএমডি) ইতিমধ্যে এ ক্ষতি রিকভার
করে ফেলেছে।
মোহাম্মদ
মোশাররফ আরও বলেন, ‘এ
ঘটনার পর আমার ও
সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা অজয় কুমার দাসের
বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমাদের টাঙ্গাইলসহ ফরিদপুর জেলার বাইরে বদলি করা হয়েছে।’
জেলা
প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, ওএমআর হারিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে থানায় জিডি করা হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত
করে দেখবে। পরবর্তী সময়ে যার যার
গাফিলতি রয়েছে বলে প্রমাণিত হবে,
তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ফরিদপুর সদরের ১৫৪ পরীক্ষার্থীর ওএমআর শিট কেন্দ্র থেকে হারিয়ে গেছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। ১৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়’ বিষয়ের পরীক্ষার দিন ফরিদপুর সদরের ভাটিলক্ষ্মীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ওএমআর শিট হারানোর ঘটনাটি ঘটেছে।
ভাটিলক্ষ্মীপুর
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ফরিদপুর শহরের চুনাঘাটা মোড় এলাকায় অবস্থিত।
এ কেন্দ্রে সদর উপজেলার বিভিন্ন
ইউনিয়নের শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষার
শেষ দিন ওই কেন্দ্র
থেকে ১৫৪ পরীক্ষার্থীর ওএমআর
শিট হারিয়ে যায়।
ঘটনার
সত্যতা নিশ্চিত করে সদর উপজেলা
শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ মোশাররফ সাংবাদিকদের বলেন, শেষ পরীক্ষার দিন
ওই কেন্দ্রে ওএমআর শিট হারিয়ে যাওয়ার
ঘটনা ঘটে। ওএমআর হারিয়ে
গেলেও পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়নে কোনো সমস্যা হবে
না। কেননা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট ডিভিশন (আইএমডি) ইতিমধ্যে এ ক্ষতি রিকভার
করে ফেলেছে।
মোহাম্মদ
মোশাররফ আরও বলেন, ‘এ
ঘটনার পর আমার ও
সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা অজয় কুমার দাসের
বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমাদের টাঙ্গাইলসহ ফরিদপুর জেলার বাইরে বদলি করা হয়েছে।’
জেলা
প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, ওএমআর হারিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে থানায় জিডি করা হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত
করে দেখবে। পরবর্তী সময়ে যার যার
গাফিলতি রয়েছে বলে প্রমাণিত হবে,
তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন