বাংলা রক সংগীতে নতুন এক সংযোজন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে তরুণদের ব্যান্ড যাত্রীক। নিজেদের প্রথম অ্যালবাম কলিঙ্গ নিয়ে ইতোমধ্যেই শ্রোতাদের নজর কাড়তে শুরু করেছে দলটি। যুদ্ধ, আত্মসংঘাত ও বোধির পথে মানুষের রূপান্তরের গল্পকে কেন্দ্র করে সাজানো হয়েছে এই কনসেপ্ট অ্যালবাম। অ্যালবামটির গানগুলো ধাপে ধাপে প্রকাশ করছে যাত্রীক।
এরই মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে প্রথম গান মুছে দাও, যা মুক্তির পর থেকেই
ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে সংগীতপ্রেমীদের কাছ থেকে। গানের কথায় উঠে এসেছে মানুষের অন্তর্দ্বন্দ্ব,
স্মৃতির ভার থেকে মুক্তি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা এবং কিছু গভীর দার্শনিক প্রশ্ন যা শ্রোতাদের
ভাবনার জগতে নিয়ে যাচ্ছে ভিন্ন এক মাত্রায়। ব্যান্ডের নিজস্ব লেখা ও সুরে তৈরি হওয়ায়
গানটিতে পাওয়া যাচ্ছে স্বতন্ত্র এক সাউন্ড।
সংগীত-শ্রোতাদের মতে, যাত্রীকের এই মৌলিকতা এবং এক্সপেরিমেন্টাল
দৃষ্টিভঙ্গিই তাদের আলাদা করে তুলে ধরছে। অ্যালবাম প্রসঙ্গে ব্যান্ডটির ভোকাল ও গীতিকার
নাহিদ হাসান জানান, “কলিঙ্গ মূলত একটি মানবিক রূপান্তরের গল্প। সম্রাট অশোকের জীবনের
সেই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়—কলিঙ্গ যুদ্ধের পর তার মানসিক ভাঙন এবং পুনর্গঠনের যাত্রা—আমরা
সংগীতের ভাষায় তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।”
এই অ্যালবামটি অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রার প্রতীক হিসেবেই
নির্মিত। যুদ্ধ থেকে শান্তি এবং বোধির দিকে পরিবর্তনের যে দর্শন, সেটিই পুরো অ্যালবামের
মূল ভাবনা হিসেবে কাজ করেছে। মোট ৭টি গান নিয়ে সাজানো এই অ্যালবামে শিরোনাম গান ‘কলিঙ্গ’
পুরো কনসেপ্টের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে থাকবে। ব্যান্ড সূত্রে জানা গেছে, অ্যালবামের
বাকি গানগুলো পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করা হবে এবং প্রতিটি গানেই থাকবে ভিন্ন গল্প, আলাদা
সাউন্ড এক্সপেরিমেন্ট ও সৃজনশীল উপস্থাপনা।
উল্লেখ্য, যাত্রীক ২০১৮ সালে তাদের যাত্রা শুরু করে। শুরু থেকেই
এক্সপেরিমেন্টাল রক এবং কনসেপ্ট-নির্ভর সংগীতচর্চার মাধ্যমে তারা নিজেদের একটি স্বতন্ত্র
পরিচিতি গড়ে তুলেছে। সব মিলিয়ে, ‘কলিঙ্গ’ শুধু একটি অ্যালবাম নয় এটি সংগীতের মাধ্যমে
বলা এক দর্শনভিত্তিক গল্প, যা বাংলা রক সংগীতে নতুন ধারা যোগ করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
বাংলা রক সংগীতে নতুন এক সংযোজন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে তরুণদের ব্যান্ড যাত্রীক। নিজেদের প্রথম অ্যালবাম কলিঙ্গ নিয়ে ইতোমধ্যেই শ্রোতাদের নজর কাড়তে শুরু করেছে দলটি। যুদ্ধ, আত্মসংঘাত ও বোধির পথে মানুষের রূপান্তরের গল্পকে কেন্দ্র করে সাজানো হয়েছে এই কনসেপ্ট অ্যালবাম। অ্যালবামটির গানগুলো ধাপে ধাপে প্রকাশ করছে যাত্রীক।
এরই মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে প্রথম গান মুছে দাও, যা মুক্তির পর থেকেই
ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে সংগীতপ্রেমীদের কাছ থেকে। গানের কথায় উঠে এসেছে মানুষের অন্তর্দ্বন্দ্ব,
স্মৃতির ভার থেকে মুক্তি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা এবং কিছু গভীর দার্শনিক প্রশ্ন যা শ্রোতাদের
ভাবনার জগতে নিয়ে যাচ্ছে ভিন্ন এক মাত্রায়। ব্যান্ডের নিজস্ব লেখা ও সুরে তৈরি হওয়ায়
গানটিতে পাওয়া যাচ্ছে স্বতন্ত্র এক সাউন্ড।
সংগীত-শ্রোতাদের মতে, যাত্রীকের এই মৌলিকতা এবং এক্সপেরিমেন্টাল
দৃষ্টিভঙ্গিই তাদের আলাদা করে তুলে ধরছে। অ্যালবাম প্রসঙ্গে ব্যান্ডটির ভোকাল ও গীতিকার
নাহিদ হাসান জানান, “কলিঙ্গ মূলত একটি মানবিক রূপান্তরের গল্প। সম্রাট অশোকের জীবনের
সেই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়—কলিঙ্গ যুদ্ধের পর তার মানসিক ভাঙন এবং পুনর্গঠনের যাত্রা—আমরা
সংগীতের ভাষায় তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।”
এই অ্যালবামটি অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রার প্রতীক হিসেবেই
নির্মিত। যুদ্ধ থেকে শান্তি এবং বোধির দিকে পরিবর্তনের যে দর্শন, সেটিই পুরো অ্যালবামের
মূল ভাবনা হিসেবে কাজ করেছে। মোট ৭টি গান নিয়ে সাজানো এই অ্যালবামে শিরোনাম গান ‘কলিঙ্গ’
পুরো কনসেপ্টের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে থাকবে। ব্যান্ড সূত্রে জানা গেছে, অ্যালবামের
বাকি গানগুলো পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করা হবে এবং প্রতিটি গানেই থাকবে ভিন্ন গল্প, আলাদা
সাউন্ড এক্সপেরিমেন্ট ও সৃজনশীল উপস্থাপনা।
উল্লেখ্য, যাত্রীক ২০১৮ সালে তাদের যাত্রা শুরু করে। শুরু থেকেই
এক্সপেরিমেন্টাল রক এবং কনসেপ্ট-নির্ভর সংগীতচর্চার মাধ্যমে তারা নিজেদের একটি স্বতন্ত্র
পরিচিতি গড়ে তুলেছে। সব মিলিয়ে, ‘কলিঙ্গ’ শুধু একটি অ্যালবাম নয় এটি সংগীতের মাধ্যমে
বলা এক দর্শনভিত্তিক গল্প, যা বাংলা রক সংগীতে নতুন ধারা যোগ করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন