ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম বলেছেন, রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসন বর্তমান সরকার ও সিটি করপোরেশনের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। এরই ধারাবাহিকতায় নিউমার্কেট ও সোয়ারিঘাট এলাকায় দুটি নতুন আউটলেট নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর বাসাবো ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে
বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও প্রার্থনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রশাসক বলেন,
"ধর্ম, বর্ণ ও জাতি নির্বিশেষে আমরা সবাই বাংলাদেশি। বাসাবো বৌদ্ধ বিহার সংলগ্ন
এলাকার রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সামগ্রিক অবকাঠামো উন্নয়নে ডিএসসিসি দ্রুত কার্যকর
পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।"
সাম্প্রতিক বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে আবদুস সালাম
বলেন, অতীতের অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে পানি নদীতে দ্রুত নিষ্কাশনের জন্য পর্যাপ্ত আউটলেট
রাখা হয়নি। এই সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য বর্তমান সরকার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা
ও বড় ধরনের বিনিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি আরও জানান, ডিএসসিসি নিয়মিতভাবে ড্রেন, বক্স
কালভার্ট পরিষ্কার এবং খালের প্রবাহ সচল রাখার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
জলাবদ্ধতা নিরসনে জনগণের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন,
"সরকারি উদ্যোগের সুফল পেতে নাগরিকদের সচেতনতা জরুরি। খাল, নদী ও ড্রেনে পলিথিন
বা প্লাস্টিক বর্জ্য না ফেলার জন্য আমি সবার প্রতি বিনীত আহ্বান জানাচ্ছি।"
বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের আয়োজনে ‘বুদ্ধ পূর্ণিমার
তাৎপর্য’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে বুদ্ধ পূজা, অষ্টপরিষ্কার দান ও বিশ্বশান্তি কামনায় বিশেষ
প্রার্থনা করা হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের ফার্স্ট
সেক্রেটারি গোকুল ভি. কে.। সভাপতিত্ব করেন শ্রীসদ্ধম্মসাসনধ্বজ বুদ্ধপ্রিয় মহাশের।
অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও ধর্মীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম বলেছেন, রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসন বর্তমান সরকার ও সিটি করপোরেশনের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। এরই ধারাবাহিকতায় নিউমার্কেট ও সোয়ারিঘাট এলাকায় দুটি নতুন আউটলেট নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর বাসাবো ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে
বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও প্রার্থনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রশাসক বলেন,
"ধর্ম, বর্ণ ও জাতি নির্বিশেষে আমরা সবাই বাংলাদেশি। বাসাবো বৌদ্ধ বিহার সংলগ্ন
এলাকার রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সামগ্রিক অবকাঠামো উন্নয়নে ডিএসসিসি দ্রুত কার্যকর
পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।"
সাম্প্রতিক বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে আবদুস সালাম
বলেন, অতীতের অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে পানি নদীতে দ্রুত নিষ্কাশনের জন্য পর্যাপ্ত আউটলেট
রাখা হয়নি। এই সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য বর্তমান সরকার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা
ও বড় ধরনের বিনিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি আরও জানান, ডিএসসিসি নিয়মিতভাবে ড্রেন, বক্স
কালভার্ট পরিষ্কার এবং খালের প্রবাহ সচল রাখার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
জলাবদ্ধতা নিরসনে জনগণের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন,
"সরকারি উদ্যোগের সুফল পেতে নাগরিকদের সচেতনতা জরুরি। খাল, নদী ও ড্রেনে পলিথিন
বা প্লাস্টিক বর্জ্য না ফেলার জন্য আমি সবার প্রতি বিনীত আহ্বান জানাচ্ছি।"
বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের আয়োজনে ‘বুদ্ধ পূর্ণিমার
তাৎপর্য’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে বুদ্ধ পূজা, অষ্টপরিষ্কার দান ও বিশ্বশান্তি কামনায় বিশেষ
প্রার্থনা করা হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের ফার্স্ট
সেক্রেটারি গোকুল ভি. কে.। সভাপতিত্ব করেন শ্রীসদ্ধম্মসাসনধ্বজ বুদ্ধপ্রিয় মহাশের।
অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও ধর্মীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন