ইরানকে ঘিরে চলমান সামরিক সংঘাত কার্যত ‘শেষ হয়ে গেছে’ বলে দাবি করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। হোয়াইট হাউসের যুক্তি, এপ্রিলের শুরুতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির মাধ্যমেই এই সংঘাতের ইতি ঘটেছে। তবে প্রশাসনের এমন ব্যাখ্যা নিয়ে খোদ ওয়াশিংটনেই তীব্র আইনি ও রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মার্কিন সিনেটের এক শুনানিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী
পিট হেগসেথ প্রশাসনের এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, যুদ্ধবিরতির
ফলে যুদ্ধ এখন অতীত, তাই নতুন করে কংগ্রেসের অনুমোদনের কোনো প্রয়োজন নেই।
সাধারণত ১৯৭৩ সালের ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজোলিউশন’ অনুযায়ী, যেকোনো
সামরিক অভিযান ৬০ দিনের বেশি চালাতে গেলে কংগ্রেসের বাধ্যতামূলক অনুমোদনের প্রয়োজন
হয়। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে যে, যেহেতু এপ্রিলের
দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে আর কোনো সংঘর্ষ হয়নি, তাই ‘যুদ্ধের সময়সীমা’ এখন স্থগিত বা বন্ধ
রয়েছে।
প্রশাসনের এই ব্যাখ্যাকে ‘আইনি ফাঁকফোকর’ খোঁজার চেষ্টা হিসেবে
দেখছেন অনেক আইনপ্রণেতা। রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স সাফ জানিয়েছেন, ‘কংগ্রেসের
অনুমোদন কোনো পরামর্শ নয়, এটি বাধ্যতামূলক।’ অন্যদিকে ডেমোক্র্যাট সিনেটর টিম কেইন
প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই যুক্তির কোনো আইনি ভিত্তি নেই বলে দাবি করেছেন।
কাগজে-কলমে যুদ্ধ শেষের দাবি করা হলেও বাস্তব পরিস্থিতি এখনো
থমথমে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এখনো ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং সেখানে
মার্কিন নৌবাহিনীর কঠোর অবরোধ বহাল আছে।
এদিকে পরিস্থিতির জটিলতা সামাল দিতে সাবেক নিরাপত্তা কর্মকর্তা
রিচার্ড গোল্ডবার্গ নতুন কৌশলের পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি ‘অপারেশন এপিক প্যাসেজ’
নামে নতুন একটি আত্মরক্ষামূলক মিশন শুরুর প্রস্তাব করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, একে যদি
‘আত্মরক্ষামূলক’ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়, তবে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই সামরিক কার্যক্রম
চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হতে পারে।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
ইরানকে ঘিরে চলমান সামরিক সংঘাত কার্যত ‘শেষ হয়ে গেছে’ বলে দাবি করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। হোয়াইট হাউসের যুক্তি, এপ্রিলের শুরুতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির মাধ্যমেই এই সংঘাতের ইতি ঘটেছে। তবে প্রশাসনের এমন ব্যাখ্যা নিয়ে খোদ ওয়াশিংটনেই তীব্র আইনি ও রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মার্কিন সিনেটের এক শুনানিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী
পিট হেগসেথ প্রশাসনের এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, যুদ্ধবিরতির
ফলে যুদ্ধ এখন অতীত, তাই নতুন করে কংগ্রেসের অনুমোদনের কোনো প্রয়োজন নেই।
সাধারণত ১৯৭৩ সালের ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজোলিউশন’ অনুযায়ী, যেকোনো
সামরিক অভিযান ৬০ দিনের বেশি চালাতে গেলে কংগ্রেসের বাধ্যতামূলক অনুমোদনের প্রয়োজন
হয়। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে যে, যেহেতু এপ্রিলের
দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে আর কোনো সংঘর্ষ হয়নি, তাই ‘যুদ্ধের সময়সীমা’ এখন স্থগিত বা বন্ধ
রয়েছে।
প্রশাসনের এই ব্যাখ্যাকে ‘আইনি ফাঁকফোকর’ খোঁজার চেষ্টা হিসেবে
দেখছেন অনেক আইনপ্রণেতা। রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স সাফ জানিয়েছেন, ‘কংগ্রেসের
অনুমোদন কোনো পরামর্শ নয়, এটি বাধ্যতামূলক।’ অন্যদিকে ডেমোক্র্যাট সিনেটর টিম কেইন
প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই যুক্তির কোনো আইনি ভিত্তি নেই বলে দাবি করেছেন।
কাগজে-কলমে যুদ্ধ শেষের দাবি করা হলেও বাস্তব পরিস্থিতি এখনো
থমথমে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এখনো ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং সেখানে
মার্কিন নৌবাহিনীর কঠোর অবরোধ বহাল আছে।
এদিকে পরিস্থিতির জটিলতা সামাল দিতে সাবেক নিরাপত্তা কর্মকর্তা
রিচার্ড গোল্ডবার্গ নতুন কৌশলের পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি ‘অপারেশন এপিক প্যাসেজ’
নামে নতুন একটি আত্মরক্ষামূলক মিশন শুরুর প্রস্তাব করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, একে যদি
‘আত্মরক্ষামূলক’ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়, তবে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই সামরিক কার্যক্রম
চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন