আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। সোমবার মন্ত্রণালয়ের এক প্রস্তুতি সভায় ঈদ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর ও সংস্থাকে একগুচ্ছ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী,
আগামী ২০ মে বুধবার
থেকে ৩১ মে পর্যন্ত
বিআরটিএ সদর কার্যালয়ে ২৪
ঘণ্টার কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু থাকবে।
এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সারাদেশের
গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক ও যানজটপ্রবণ এলাকাগুলোর
পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়া
সড়ক-মহাসড়কে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে
এবং পুলিশ, স্বাস্থ্য বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসনের
সঙ্গে সমন্বয় সাধনে এই কেন্দ্রটি গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করবে।
ঈদে
ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এবার মাঠ
পর্যায়ে নজরদারি বাড়াতে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য বিআরটিএ-র
নিজস্ব ১৯ জন নির্বাহী
ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি আরও ৫০ জন
অতিরিক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজধানীর গাবতলী, সায়েদাবাদ, মহাখালী ও ফুলবাড়িয়াসহ দেশের
প্রধান টার্মিনালগুলোতে বিশেষ ভিজিল্যান্স ও মনিটরিং টিম
গঠন করা হবে, যাতে
কোনো পরিবহন অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন
করতে না পারে। যানজট
নিয়ন্ত্রণ ও টোল প্লাজায়
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঈদের সাত
দিন আগে থেকে পরবর্তী
তিন দিন পর্যন্ত প্রয়োজনীয়
সংখ্যক বিজিবি মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি
আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও রোভার স্কাউটের
সদস্যরাও মাঠে সক্রিয় থাকবেন।
যাত্রীদের
চাপ সামলাতে বিআরটিসি বিশেষ বাস সার্ভিস পরিচালনা
করবে এবং প্রয়োজনে স্ট্যান্ডবাই
বাস প্রস্তুত রাখা হবে। পাশাপাশি
মেট্রোরেলের হেডওয়ে বা চলাচলের সময়সীমাও
যাত্রীর চাপ অনুযায়ী সমন্বয়
করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে
ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে মিরর স্থাপন এবং
চালকদের ডোপ টেস্ট নিশ্চিত
করতে স্বাস্থ্য বিভাগের ১০টি বিশেষ মেডিকেল
টিম কাজ করবে।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ঈদ যাত্রাকে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমানো, দুর্ঘটনা হ্রাস ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সকল সংস্থাকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা দায়িত্ব অবহেলা বরদাস্ত করা হবে না।
মন্ত্রী আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কোনো দুর্ঘটনা বা নিয়মের ব্যত্যয় ঘটলে তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সভায় রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপিসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। সোমবার মন্ত্রণালয়ের এক প্রস্তুতি সভায় ঈদ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর ও সংস্থাকে একগুচ্ছ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী,
আগামী ২০ মে বুধবার
থেকে ৩১ মে পর্যন্ত
বিআরটিএ সদর কার্যালয়ে ২৪
ঘণ্টার কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু থাকবে।
এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সারাদেশের
গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক ও যানজটপ্রবণ এলাকাগুলোর
পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়া
সড়ক-মহাসড়কে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে
এবং পুলিশ, স্বাস্থ্য বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসনের
সঙ্গে সমন্বয় সাধনে এই কেন্দ্রটি গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করবে।
ঈদে
ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এবার মাঠ
পর্যায়ে নজরদারি বাড়াতে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য বিআরটিএ-র
নিজস্ব ১৯ জন নির্বাহী
ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি আরও ৫০ জন
অতিরিক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজধানীর গাবতলী, সায়েদাবাদ, মহাখালী ও ফুলবাড়িয়াসহ দেশের
প্রধান টার্মিনালগুলোতে বিশেষ ভিজিল্যান্স ও মনিটরিং টিম
গঠন করা হবে, যাতে
কোনো পরিবহন অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন
করতে না পারে। যানজট
নিয়ন্ত্রণ ও টোল প্লাজায়
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঈদের সাত
দিন আগে থেকে পরবর্তী
তিন দিন পর্যন্ত প্রয়োজনীয়
সংখ্যক বিজিবি মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি
আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও রোভার স্কাউটের
সদস্যরাও মাঠে সক্রিয় থাকবেন।
যাত্রীদের
চাপ সামলাতে বিআরটিসি বিশেষ বাস সার্ভিস পরিচালনা
করবে এবং প্রয়োজনে স্ট্যান্ডবাই
বাস প্রস্তুত রাখা হবে। পাশাপাশি
মেট্রোরেলের হেডওয়ে বা চলাচলের সময়সীমাও
যাত্রীর চাপ অনুযায়ী সমন্বয়
করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে
ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে মিরর স্থাপন এবং
চালকদের ডোপ টেস্ট নিশ্চিত
করতে স্বাস্থ্য বিভাগের ১০টি বিশেষ মেডিকেল
টিম কাজ করবে।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ঈদ যাত্রাকে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমানো, দুর্ঘটনা হ্রাস ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সকল সংস্থাকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা দায়িত্ব অবহেলা বরদাস্ত করা হবে না।
মন্ত্রী আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কোনো দুর্ঘটনা বা নিয়মের ব্যত্যয় ঘটলে তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সভায় রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপিসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন